Friday, 20 April 2018

অনুরোধ


আদরের সন্তান

ওমর ফারুক
জন্ম তার 29 জানুয়ারী কনকনে শীতে ,
 অভাবের সংসারে এসে ছিল এই ভূবনে ।
 সাত মাসে জন্ম তোমার হাসপাতালের বেডে ,
 অক্সিজেন লাগানো ছিল তোমার মুখ নাকে !
রোগ ব্যাধিতে ভরা ছিল তোমার দেহ খানি ,
ডাক্তার ঢেকে ঔষুধ নিয়ে চলে টানাটানি !
অন্ন অভাব, বস্ত্র অভাব , ছেডা কাথা সম্বল ,
টাকা ছাডা মেয়ে বাচানো হয়েছে অসম্বব !
সাত মাসের সন্তান তুমি বেচে থাকা দায় ,
সবাই ভাবে এখন কি করি হায় হায় !
তখন তার এক ডাক্তার ভাই ছিল ,
সর্ম্পকে আংকেল হবে ।
হ্নদয় তার মায়া ভরা , বিবেগ কেঁদে ওঠে
তাহার কাছে রাখতো তোমায় অতি যন্তন করে ,
মা করতো র্গামেন্ট চাকরী ,
বাবা থাক তো বাহিরে !
হঠ্যাৎ এক দিন পিতা তোমায় ছেডে চলে যায় ,
মা কি করবে চিন্তা মরে ,
করে করে হায় ।
মেয়ে নিয়ে এখন যে বেঁচে থাকা দায় !
কষ্ট কেষ্ঠ মেলে , ধয্য মিলে ফল ।
মেয়ে তার একমাত্র সম্বল ।
হঠ্যাৎ এক দিন পিতা আবার ফিরে আসে ,
রক্তের টান কেউ কি ভূলে থাকতে পারে !
তারপর দুই জন মিলে যত্ন নেয় তোমার ,
সুখের দিন কাটে কিছু ,
রোগ ব্যাধী তোমার পিছু ।
তার কিছু দিন পর ডাক্তার ভাই ঢাকা চলে যায় ,
তোমাকে এখন কোথায় রাখী ভাই ,
দুজন মিলে সিদান্ত হয় ,
নানীর কাছে থাকবে কি সের ভয় !
এই ভাবে কিছু কাল কেটে রয় ।
অতি আদরের মায়াবতী ,
 ধন্য ধন্য বাঁচিয়া থাক যদি ।
 চরম বিশ্বাসী লজ্জা অতি ভরা,
 শত আশা পিতা মাতার , মুখটা মন মরা !
 তাহার আর সন্তান নাই, তুমি বডই একা ।
 যিনি দিয়েছিলেন ,তিনি নিয়ে গেলেন ,
 শুধু রেখে গেলেন তোমায় ।
বিশ্বাস করে তার হাতে দিতো সংসারের ভার
, অবহেলা ফাকি বাজে দিন করিয়াছে পার ।
 ছোট কালে চার দিকে ছিল কত সুনাম
এক ছেলের জন্য কেন আজ তার এত কুনাম
যে মেয়ে কখনো মিথ্যা বলতো না নাহি ধার তো ধার
, তবে সেই কেন মিথ্যার দাবি ধার !
 মেয়েটা ছিল সত্তম শ্রেনীর ছাত্রী ,
 লেখাপডা অষ্ঠ লম্বা প্রেমের বেলায় পাকাপাক্কি ।
 সেই ছেলে আর কেউ নয় ,পরিচিত হবে ।
 একদিন তারা দুই জন হাতে নাতে ধরা পডে।
 মায়ের টাকা চুরি করে দিল জামা কাপড র্শাট,
প্রেমের পরীক্ষা ফেল না আর ছাড় ।
 ছেলের বাবা রাজী হলেও , মেয়ের বাবা রাজী নয় ।
মেয়ে ভূলানোর জন্য কত কথা কয় !
 কেড়ে নিল মোবাই তার , ভেঙ্গে গেল আশা ।
 মনের ভিতর লুকিয়ে রাখে সকল ভালবাসা ।
 তাহার এক মামা ছিল থাকতো তাদের কাছে
 দেখতে বোকা হলেও বুদ্ধির দাবি রাখে ।
তার কাছে জানতে চাইলো দিবো নাকি ফোন ,
সেই বলে বিপদ আসিতে কত ক্ষন !
 যা ভেবে ছিলাম তাই হলো ,
তাহার কথা না মানিয়া মোবাইল দিল ।
 পেয়ে গেল ফল !
 এইবার সেই অন্য কায়দায় করিয়াছে অবলম্বল ।
 এক দিন ছেলে তারে দিয়েছিল এক সিম ,
মনের ভিতর করতেছে রিমঝিম ।
 ঐ সিম দিয়ে কথা বলে ,
 আমরা আসলে লুকিয়ে রাখে ।
 ভূলে থাকার ভান ধরে ,
পরিবারের সবার সাথে ফান করে ।
 মাদরাসে তে নিয়ে যেত ঐ মোবাইল ফোন ,
ইচ্ছামতো কথা বলতো যখন তখন ।
 মামাকে বন্ধু বানায় মা কে বান্ধবী ,
 আমরা তো বুঝতে পারিনাই তাহার পাইচলামী
 সবার কথা শেয়ার করতো ,নিজেরটা বাদ দিয়ে ,
 হঠ্যাৎ একদিন হারিয়ে গেল ফোন ,
 হায় হায় কি হবে কি হবে এখন ।
করলো বুদ্ধি খুজলো উপায়
 ভূলে থাকার ভান ধরে ,
মায়ের জমানো টাকা চুরি করে ,
 কিনে নিল ফোন ,
 প্রেম মানে না শাসন ভারন ।
 তলে তলে সবী চলে ,
 কিছূ বললে গা জ্বলে ।
 ধরা খেতে কত ক্ষন ।
 আবার ধরা খেল ,
 ঘর থেকে বাহির করে দিল ।
 মা কান্দে বাবা কান্দে হায়রে হায় ,
 এখন আমরা কোথায় যাই ।
 নিজের সিধান্তের ভিতর ছেড়ে দিল তারে ,
 পছন্দের মানুষ যৌতুক ছাড়া কি বিয়ে করে ওরে ।
এখন শুধু অনুচুশনা মরে !
 মাদরাসা খারাপ নয় ,
 নয়তো কোন স্কুল কলেজ সেল ফোন ।
শির্ক্ষাথীদের হাতে কিনে দিয়ো না মোবাইল ফোন ।
 বার বার অভিবাবকদের আমি করি যাই মানা ,
 আমার কথা না মানিলে পস্তাবে ষৌল আনা ।
শেয়ার করুন

0 coment rios: