অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

মাগুরায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ৩

মাগুরায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ৩



মঘি ইউনিয়নের ধনপাড়া গ্রামে শনিবার সকালে আধিপত্য বিস্তারের জেরে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে বলে সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, মঘি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক বিশ্বাস ও একই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের লোকজনের মধ্যে গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
এর জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শনিবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
ওসি সাইফুল বলেন, হামলা-পাল্টা-হামলায় উভয় পক্ষের ১৫ জন কমবেশি আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আটজনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষে ছয়-সাতটি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
 সমগ্র বাংলাদেশ  বগুড়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণে স্বামীর সহযোগিতার অভিযোগ

সমগ্র বাংলাদেশ বগুড়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণে স্বামীর সহযোগিতার অভিযোগ

তাকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৪ বছর বয়সী এই গৃহবধূ বগুড়া শহরের চকলোকমান এলাকায় ভাড়া বাড়িতে শিশুসন্তানকে নিয়ে থাকতেন। তার স্বামী সম্প্রতি তার সঙ্গে থাকতেন না।
গৃহবধূ বলেন, নয় বছর আগে বগুড়ার গাবতলি উপজেলার মালিয়ানডাঙ্গা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি রফিবকুল তাকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দেন।
তার অভিযোগ, শনিবার দুপুরের দিকে রফিকুল ও তার এক বন্ধু এসে হঠাৎ করে তার হাত-মুখ বেঁধে মারধর করেন।
“এরপর রফিকুলের বন্ধু আমাকে ঘরের মধ্যে ধর্ষণ করে। আর রফিকুল ঘরের বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।”
গৃহবধূ বলেন, “ধর্ষণের পর দুই বন্ধু আমার গায়ে ব্লেড দিয়ে কেটে আহত করে। একপর্যায়ে তারা আমার মাথার চুল কেটে দেয়। গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আমার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
“এ সময় বাড়িতে আমি একা ছিলাম। আমার আট বছর বয়সী মেয়ে স্কুলে ছিল।”
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগের কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ বলেন, তার গায়ে ধারালো অস্ত্রের তিন-চারটা আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এক জায়গায় পুড়ে গেছে। মাথার কয়েক জায়গায় চুল কাটা দেখা গেছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত। তাকে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রাখা হয়েছে। পরে তাকে গাইনি ওয়ার্ডে নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, “ঘটনা একটি ঘটেছে এটা সত্য। ওই ঘটনার পেছনে কোনো ঘটনা আছে কিনা, স্বামী জড়িত কিনা কিংবা অন্য কেউ ঘটনার সাথে যুক্ত কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। অধিকতর তদন্ত ছাড়া এ মূহর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। কাল-পরশুর মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার করা সম্ভব হবে।”

সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সেই বাউল রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ২টি মামলা

সেই বাউল রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ২টি মামলা

সেই বাউল রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ২টি মামলা

 বাউল শিল্পী রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে আজ সোমবার আদালতে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকা সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন নির্মাতা ও অভিনেতা রাসেল মিয়া। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৩ মার্চ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে সোমবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য মো: ইমরুল হাসান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে রিতা দেওয়ান মহান আল্লাহকে নিয়ে রুচিহীন মন্তব্য করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। অনেকে রিতা দেওয়ানের শাস্তি দাবি করেন।
অন্য মামলায় অভিযোগে বলা হয়, পালা গানে আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। সম্প্রতি শরিয়ত বয়াতি নামক এক বাউল শিল্পী পালা গানের আসরে ইসলামে গান বাজনা জায়েজ বলে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি আল্লাহ-রাসূল (সা.) ও ইসলাম নিয়ে আপত্তিকর কথা বলেন। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা হয়। বিক্ষোভের মুখে তাকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
জুটমিলের জায়গা দখলের মামলা, আসামি যুবলীগ নেতা

জুটমিলের জায়গা দখলের মামলা, আসামি যুবলীগ নেতা

মামলার আইনজীবী এনামুল হক গাজী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার আসামি সাজ্জাদুর রহমান লিঙ্কন যুবলীগের খুলনা মহানগরের খানজাহান আলী থানা কমিটির আহ্বায়ক এবং খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য।
মামলায় জমি জবর দখল ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও এনামুল হক গাজী জানান।মলার আবেদনে বলা হয়েছে, সাজ্জাদুর রহমান লিঙ্কন অ্যাজাক্স জুটমিলের জায়গা দখলে নিয়ে বিভিন্ন সার ব্যবসায়ীদের ভাড়া দিয়েছেন। একদিকে মিলের জমি দখলে নিয়ে ভাড়া দেওয়া এবং অন্যদিকে সারের প্রতিক্রিয়ায় মিলের কল-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
মামলার বাদী অ্যাজাক্স জুট মিলের প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান কাওসার জামান বাবলা বলেন, ইতিমধ্যে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, খুলনার জেলা প্রশাসক, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার খুলনাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন।
অগ্রগতি না হওয়ায় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বলে তিনি জানান।
মহানগর যুবলীগ আহবায়ক শফিকুর রহমান পলাশ বলেন, তারা লিঙ্কনের মিল দখল বা মামলার কথা জানেন না। যুবলীগের যে কেউ কোনো অন্যায় করলে তার দায় যুবলীগ নেবে না।
দাখিলে নকলে সহায়তা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ মাদ্রাসাশিক্ষকের কারাদণ্ড

দাখিলে নকলে সহায়তা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ মাদ্রাসাশিক্ষকের কারাদণ্ড

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার
স্কুল এন্ড কলেজের মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজিমুল হায়দার।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার চরচারতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী সুপার মো. মাজহারুল ইসলাম (৪২), ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৫), খোলাপাড়া ওমেদ আলী শাহ দাখিল মাদ্রসার সহকারী সুপার মো. মহিউদ্দিন (৩৮), তালশহর করিমিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক কবির হোসেন (৪০) ও সরাইল উপজেলার পানিস্বর মাদেনিয়া গাউছিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার আব্বাস আলী (৫০)।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজিমুল হায়দার সাংবাদিকদের জানান, চলমান দাখিল পরীক্ষার সোমবার সকালে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার স্কুল এন্ড কলেজের মাদ্রাসা কেন্দ্রে কোরআন মাজিদ ও তাজিভিদ পরীক্ষা চলছিল।
“পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর কেন্দ্র সচিবের পাশের রুমে দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন মিলে এ পরীক্ষার এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর লিখছিলেন।
“হাতেনাতে ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় নেওয়া হলে, প্রত্যেকে তাদের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় পাঁচজনকেই দুই বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।”
পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইনের ১৯৮০ এর ধারা ৯ (ক) অনুযায়ী তাদের এ দন্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এবার ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেন। সকালে দেশের সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়। বেশ কয়েক বছর ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার বেকায়দায় পড়ে কর্তৃপক্ষ। এসব ঠেকাতে নেওয়া হয় বেশ কিছু পদক্ষেপ।
এ পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিমুল।

মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০

১৩ বছরের কিশোরীকে পিতার সহযোগিতায় লাগাতার ধর্ষণ

১৩ বছরের কিশোরীকে পিতার সহযোগিতায় লাগাতার ধর্ষণ



ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কিশোরীকে ভর্তি করা হয়েছে, যাকে ধারাবাহিকভাবে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, কিশোরীটিকে ধর্ষণকারীর হাতে তুলে দিতো তার নিজের পিতা। এই অভিযোগে কিশোরীটির পিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে এখনো ধরা যায়নি। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার কাছেই।
পুলিশ বলছে, তাদের হাতে এমন একটি কথোপোকথনের রেকর্ড আছে, যেখানে ধর্ষণের শিকার কিশোরীটির পিতা অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।
তেরো বছর বয়েসী এই কিশোরীটির মা বিদেশে থাকে। মায়ের সাথে বাবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে আগেই।
পুলিশ বলছে, ৯৯৯ এ একটি ফোন পেয়ে তারা মঙ্গলবার কিশোরীটিকে উদ্ধার করে।
কিশোরীটিকে প্রায় এক বছর ধরে ধর্ষণের শিকার হয়ে এলেও মঙ্গলবার সে তার বাড়ির তত্ত্বাবধায়কের কাছে বিষয়টি জানিয়েছিল। ওই তত্ত্বাবধায়কই পুলিশকে ফোন দেয়। পরে কিশোরিটিকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নিয়ে ভর্তি করা হয়।
জানা যাচ্ছে, কিশোরীটির বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। একজন মহাজনের কাছে ব্যবসার জন্য টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা শোধ করতে না পারলে মহাজন বিনিময়ে কিশোরীটিকে ধর্ষণের প্রস্তাব দেয়।
বাবাও রাজী হয়ে যায় এবং মেয়েকে ধর্ষণের সুযোগ করে দেয়। এভাবে টানা এক বছর ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে মহাজন।
এক পর্যায়ে কিশোরীটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এবং সেজন্যই সে বাড়ির তত্ত্বাবধায়ককে বিষয়টি জানিয়েছিল বলে উল্লেখ করছে পুলিশ।
ধর্ষণ আতংকে পথচলতি নারীদের উদ্বেগ
পুলিশের যে কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলছিলেন, ‘উদ্ধারের পর মেয়েটি অসুস্থ ছিল। সে তার বাবার কথা উল্লেখ করেছিল কিন্তু আমরা বিশ্বাস করিনি। ভেবেছি যে, অসুস্থতার কারণে হয়তো ভুল করে এসব বলছে।’
কিন্তু মোবাইল ফোনের কথোপোকথন হাতে আসার পরই সত্যতার প্রমাণ মেলে।
‘ভয়েজ ক্লিপে বাবা ধর্ষককে বলছিল পালাও, পালাও। এরপরই আমরা নিশ্চিত হই যে বাবার সম্পৃক্ততা রয়েছে,’ বলেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
ওসিসির তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিলকিস বেগম জানাচ্ছেন, আজ বুধবার কিশোরীটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন তার কাউন্সেলিং চলছে।
এ ঘটনায় উদ্ধারকারী তত্ত্বাবধায়ক একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ছোট্ট এই মেয়েটি তার মায়ের ফোন নাম্বার পর্যন্ত জানে না। বাবা গ্রেফতার হওয়ার পর বাড়িতে রয়েছে শুধু তার অসুস্থ দাদী এবং তার ভাই, যে নিজেও কিশোর বয়সী।
পুলিশ জানাচ্ছে, এই কিশোরী বা তার পরিবারের দেখভাল করতে পারে, এমন কোন মানুষের সাথে যোগাযোগ করারও কোন উপায় পাওয়া যাচ্ছে না। বিবিসি।

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯

প্রেমিকার সামনে প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা করলো উত্যক্তকারীরা

প্রেমিকার সামনে প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা করলো উত্যক্তকারীরা

 

প্রেমিকার সামনে প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা করলো উত্যক্তকারীরা

রাজধানীর হাজারীবাগে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় প্রেমিকার সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এক প্রেমিককে। নিহতের নাম আরিফুল ইসলাম সজল (২২)। মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে হাজিরবাগ থানাধীন রায়েরবাজার ঢালে এই ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের প্রেমিকা জানান, মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে তারা দুজন রায়েরবাজার ঢালে দাড়িয়ে গল্প করছিলেন। এসময় ২/৩ জন যুবক তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বাজে মন্তব্য করে। এক পর্যায়ে তাকে উত্যক্ত করলে সজল প্রতিবাদ করেন। এর মধ্যে তাদের কথা কাটাকাটি শুরু হলে সজল একজনকে একটি থাপ্পড় দেয়। এসময় ওই যুবক চলে গিয়ে কিছুক্ষণ পর একসাথে ১০/১২ জন এসে সজলদের ঘিরে ধরে। পরে তারা সজলকে এলোপাতাড়ি মারধর করে ও বাঁশ দিয়ে পেটাতে থাকে। শত চেষ্টা করেও দুর্বৃত্তদের থামাতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন সজলকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হসপিটালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রাত সোয়া ৯টায় চিকিৎসকরা সজলকে মৃত ঘোষণা করেন।
সজল মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। প্রেমিকা স্থানীয় একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। গত তিন মাস আগে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয় বলে জানান তিনি।
নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি একটি মেয়ের ফোন পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে ছেলেকে আর জীবিত পাননি। তিনি বলেন, ছেলে বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসায় পাইভেট পড়েছে। সন্ধ্যার পর সে বাসা থেকে বের হয়। তিনি বলেন, সজলের সাথের মেয়েটিকে আমরা চিনি না। কারা তাকে হত্যা করেছে এই মুহুর্তে সেটাও বলতে পারব না।
গান শুনিয়ে ২৮৬ নারীকে বিয়ে, অতঃপর ধরা

গান শুনিয়ে ২৮৬ নারীকে বিয়ে, অতঃপর ধরা

গান শুনিয়ে ২৮৬ নারীকে বিয়ে, অতঃপর ধরা

গান শুনিয়ে ও ছবি দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার ২৮৬ জন নারীকে বিয়ে করেছে লালমনিরহাটের জাকির। সম্প্রতি রাজধানীতে একটি ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর একে একে বের হয়ে আসছে এই যুবকের অপকর্মের আরো নানা কাহিনী। বর্তমানে সে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় ধর্ষণ মামলায় রিমান্ডে রয়েছে।
তেজগাঁও থানা সুত্র জানায়, ইউটিউবে গান শুনিয়ে নারীদের আকৃষ্ট করতো এই যুবক। কোনো কোনো সময় মোবাইল ফোনের ম্যাসেঞ্জারে ছবি কিংবা ভিডিও ক্লিপ পাঠিয়ে নারীদের ঘনিষ্ট হওয়ার চেষ্টা করতো সে। নারী পুরুষের আন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি টার্গেটকৃত সুন্দরী নারীদের মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দিতো। গভীর রাতে ফোনে দীর্ঘ সময় কথা বলে নানা কৌশলে নারীদের ফুসলানোর চেষ্টাও করতো এই জাকির।
অনেক সময় বিবাহিত নারীদের স্বামীর সাথে বনিবনা না হলে মধ্যস্ততার কথা বলে ঐ নারীকেই বিয়ের প্রস্তাব দিতো সে। আবার আর্থিকভাবে দরিদ্র নারীদের সহায়তার কথা বলেও দুর্বলতার সুযোগ নিতো।
শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় তেজগাঁও থানায় গিয়ে দেখা গেল পুলিশ হেফাজতে জাকিরকে একটি কক্ষে রাখা হয়েছে। লাল রংয়ের একটি চাদর মেঝেতে বিছিয়ে শুয়ে আছে। অনুমতি না থাকায় কক্ষের ভেতরে প্রবেশ করা গেল না। তবে বাইরে থেকে জাকির বলে ডাক দিলে সে প্রথমে মাথা উঁচিয়ে দেখার চেষ্টা করে; কিন্তু পরিচিত মুখ কাউকে না দেখে পুনরায় মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে আবারো শুয়ে থাকে সে।
জাকিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তৌফিক আহমেদ নয়া দিগন্তকে জানান, প্রতারণার মাধ্যমে ২৮৬টি বিয়ের অভিযোগে জাকির হোসেন ব্যাপারী নামে এই যুবককে দু’দিন আগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে এখন ধর্ষণ মামলায় এ থানাতেই রিমান্ডে রয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, ৩৮ বছর বয়সী এই যুবক এক যুগ ধরে বিভিন্ন সময়ে কখনও কাবিন করে কিংবা কখনো কাবিন ছাড়াই দেশের নানা অঞ্চলে ২৮৬ জন নারীকে প্রতারণা করে বিয়ে করেছেন। শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত জাকিরের বিবাহিত স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ১৪ জন নারী থানায় এসে এবং অনেকে মোবাইল ফোনেই জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।
পুলিশের খাতায় দেখা গেল জাকিরের স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন এমন নারীদের এদের মধ্যে রয়েছেন শাপলা বেগম, খাদিজা আক্তার, জাকিয়া আক্তার, রেবেকা সুলতানা, শর্মিলী আক্তার, সৈয়দা সাবিনা, নাদিরা আক্তার, রুমা বেগম, মৌ আক্তার, নুপুর, হাওয়া বেগম, শিলা বেগম প্রমূখ। তবে দুপুর পর্যন্ত এই প্রতিবেদক থানায় অবস্থান করলেও এই সময়ের মধ্যে অন্য কোনো নারী থানায় আসেননি।
মামলার নথিতে জাকিরের গ্রামের বাড়ির ঠিকানা দেখানো হয়েছে থানা আদিতমারি, জেলা লালমনিরহাট। আর বর্তমান ঠিকানা দেখানো হয়েছে এ/পি সেবা ৩৭, আহসান মোল্লা রোড, হোসেন মার্কেট, গাজীপুর সিটি।