Showing posts with label গ্রাফিক ডিজান. Show all posts
Showing posts with label গ্রাফিক ডিজান. Show all posts

Sunday, 1 December 2019

রিশেইপিং টুলস সমূহ...

রিশেইপিং টুলস সমূহ...

রিশেইপিং টুলস সমূহ.....


1.রোটেট টুল ...

এই টুলটি কোন নিদির্ষ্ট বিন্দুর চার দিকে অবজেক্ট সমুহকে ঘোরানোর জন্য ব্যবহার করা হয় ।

2.রিফ্লেক্ট টুল...

এই টুলটিকোন নিদির্ষ্ট অক্ষরের উপর দিয়ে অবজেক্ট সমুহকে ফ্লিপ করে ।

3.স্কেল টুল.....

টুলটি নিদির্ষ্ট কোন বিন্দুর চার দিকে অবজেক্ট সমুহকে রিসাইজ করে থাকে ।

4.শিয়ার টুল..

এই টুলটি নিদির্ষ্ট কোন অবজেক্ট সমুহকে হেলাতে ব্যবহার করা হয় ।

5.রিশেইপ টুল..

এই টুল পাথের বিস্তারিত বিষয় গুলোকে বজায় রেখে নির্বাচিত অ্যাংকার
পয়েন্ট গুলোকে অ্যাডজ্যাস্ট করতে ব্যবহার করা হয় ।

রিশেইপ টুলের ব্যবহার......

1.ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে পেন টুলটি ব্যবহার করে
রিচের মতো করে পাথ তৈরি করুন ।
2.একটি পাথ তৈরি হয়ে গেলে এটিকে 2বার কপি করে মোট তিনটি পাথ তৈরি করুন ।
3.সব গুলো পাথ এক সাথে সিলেক্ট করুন ।
4.টুল বক্স থেকে Reshape টুলটি সিলেক্ট করে Shift কি চেপে ধরা অবস্থায় পাথ গুলোর উপরের
 সিলেক্ট পয়েন্ট ক্লিক করে তিনটি কে সিলেক্ট করুন প্রতিটি পয়েন্ট একটি বর্গাকার বক্স দেখাবে ।
5.এই অবস্থায় ও Shift কি চেপে ধরে রাখতে হবে ,সিলেক্টকৃত পাথ তিনটিকে উপরের দিকে টানুন ।
খানিকটা ডানে সরিয়ে টেনে ছেড়ে দেন ।
6.এই ভাবে আর্টবোর্ডে বিভিন্ন পাথ কে আপনার পছন্দ মত রিশেইপ করতে পারবেন ।

  পেইন্টিং টুলস...

পেইন্টিং টুলস...



 

  পেইন্টিং টুলস...

  ইলাস্টেটর পেইন্টিং টুলস আরেক শক্তিশালী ফিচার ।বর্তমানে ইলাস্টেটরে পেইন্টিং আরও
  অনেক সুনিয়ন্ত্রিত ,স্বয়ংক্রিয় ও শক্তিশালী টুলস যোগ করেছে এডোবি ।
  এই টুলস গুলো হাতে কলমে কাজ না করলে কারো পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয় ।
  যে কোন ডিজানকে এই টুলস গুলো আসলে কতটা ক্রিয়টিভ এবং প্রোডাক্টিব সাপের্ট দিতে পারে ।
 

  1.পেইন্ট ব্রাশ টুল ...

  এই টুলটি বিভিন্ন ধরনের ব্রাশ পাথ তৈরি করে ।
 
  2.মেশ টুল এই টুলের সাহায্যে মেশ এবং এনভেলপসমূহ তৈরি ও সম্পাদন করা যায় ।
  সহজ ভাবে বলতে গেলে কোন একটি অবজেক্টের মধ্যে যে রঙ ব্যবহার করা হয় ,
  মেশ টুল ব্যবহার করে সেই অবজেক্টটিকে  বিভিন্ন স্থানে বিভক্ত করে তাতে ভিন্ন ভিন্ন কালার ব্যবহার করা যায় ।
  এতে আকর্ষণীয়ভাবে আর্টওয়ার্ককে উপস্থাপন করা সম্ভব হয় ।ইলাস্টেটর সি এস ভার্সন গুলোতে এটি মেশ টুল
  থাকলেও সি এস এর পূর্ববতী ভার্সন গুলোতে এর নাম ছিল গ্রেডিয়েন্ট মেশ টুল ।

  
  3.গ্রেডিয়েন্ট টুল.......

  এই টুল অবজেক্টের ভেতরে গ্রেডিয়েন্টর শুরু এবং
  শেষ বিন্দু গুলো গ্রেডিয়েন্টর কৌণিক  অবস্থান অ্যাডজ্যাস্ট করে ।
 

  4.আইড্রপার টুল ....

  এই টুলটি কোন অবজেক্ট থেকেযে কোন কালার টাইপ এবং অ্যাপিয়ারেন্স
  নমুনা হিসাবে গ্রহণ করে তা অন্য কোথায় প্রয়োগ করতে পারে ।
 

  5.মেজার টুল ..

  এই টুলটি যে কোন অবজেক্টের দুই বিন্দুর মধ্যকার দুরুত্ব পরিমাপ করে ।
  এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্টের দুরুত্ব মাপ হলে ফলাফল পেনেল প্যালেট প্রর্দশিত হবে ।
 

  মেজার টুলের ব্যবহার....

 1. ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় আর্টবোর্ডে যে কোন অবজেক্ট নিয়ে আসুন ।
 2.টুল বক্স থেকে Measure  টুলটি সিলেক্ট করুন ।
 3.অবজেক্টের যে প্রান্তে থেকে পরিমাপ শুরু হবে সেই প্রান্তে মাউস পয়েন্টার একবার-
 ক্লিক করে মাউসের বাম বাটনটি চেপে ধরা অবস্থাতেই কিবোর্ড থেকে Shift কি চেপে ধরে
 রেখে যে প্রান্ত পর্যন্ত মাপতে হবে সেখানে মাউস পয়েন্টারকে টেনে নিয়ে যান ।
 এলাকাটিকে একটি সরল রেখা দেখা দিবে ।
 4.আপনার Info প্যানেল যদি আগে  প্রর্দশিত অবস্থায় না থাকে তবে মাউস পয়েন্টার
প্রথমবার ক্লিক করার সময়ে তা স্ক্রিনে প্রর্দশিত হবে । এথানে অবজেক্টটির মান X এবং Y ইঞ্চিতে দেখা যাবে ।
এছাড়া অবজেক্টটির দৈঘ্য ও প্রস্থ কৌণিক মান ইত্যাদি তথ্যও ইনফো প্যানেল প্রর্দশিত হবে ।
এই থেকে আপনি অবজেক্টটির পরিমাপ সর্ম্পকে জানতে পারবেন ।

X.এর মান X অক্ষ থেকে হরাইজন্টাল দুরত্ব
Y.এর মান Y অক্ষ থেকে ভ্যাটিক্যাল দুরত্ব
W.এর মান প্রকৃত হরাইজন্টাল দুরত্ব
H.এর মান প্রকৃত ভ্যাটিক্যাল দুরত্ব
D.এর মান মোট দুরত্ব এবং 
<:এর মান কৌণিক দুরত্ব নির্দেশ করেছে ।

Saturday, 30 November 2019

 গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর টাইপ টুল.

গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর টাইপ টুল.

 গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর টাইপ টুল..
ইলাস্টেটরে টেক্মট তৈরি জন্য শক্তিশালী সাপোর্ট রয়েছে ।বিশেষত ইলাস্টেটর সিএস ভার্সনে
টেক্মট এর জন্য নতুন নতুন কিছূ এ্যাডভান্স ফিচার রয়েছে ।ইলাস্টেটরে টেক্মট তৈরিরি
যাবতীয় টুল গুলো টেক্মট টুল গ্রুপের ভিতর থাকে ।

টাইপ টুল ..

ইলাস্টেটরে লেখালেখির কাজ গুলো টাইপ টুলের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে ।
1. ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় টুল বক্স হতে টাইপ টুল নির্বাচন করুন ।
2. আর্টবোর্ডে ক্লিক করুন , কার্সর দেখা যাবে ,এখানে আপনার ইচ্ছামত যা খুশি লিখুন ।
3.লেখা হলে যে খানে প্রয়োজন মনে করবেন সেখানে ইন্টার চাপবেন নতুন লাইন লেখা হবে  ।

এরিয়া টাইপ টুল..

আবদ্ধ পাথের ভিতরে টেক্মট লেখা এবং তার ভিতরে ঢোকা ও টেক্মটসম্পাদন করা এই টুলের মাধ্যমে ।

এরিয়া টাইপ টুলের ব্যবহার......
1 .ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় Ellipse  টুলটি সিলেক্ট করে আর্টবোর্ডে একটি বৃত্ত আকুন ।
2.এটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে এরিয়া টাইপ টুল নির্বাচন করুন ।
3.এই অবস্থায় মাউস পয়েন্টকে বৃত্তের যে কোন স্থানে ক্লিক করুন ।
4.আপনার পছন্দ মত টেক্মট লিখুন, আপনার টেক্মট যত বেশি হবে বাইরে থেকে দেখা যাবে না ।
এই অবস্থায় বৃত্তটিকে টেনে বড় করে নিলেই বাকি টুকু দেখা যাবে ।

টাইপ অন এ পাথ টুল.......

পাথ বরাবর টেক্মট টাইপ করার জন্য এই টুলটি ব্যবহার করা হয় ।

টাইপ অন এ পাথ টুলের ব্যবহার....
1.ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় পেন টুলটি সিলেক্ট করুন ।
2.এর সাহায্যে আর্টবোর্ডে একটি পাথ তৈরি করুন ।
3.পাথটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে টাইপ অন এ পাথ টুল নির্বাচন করুন ।
4.এর সাহায্যে তৈরি করা পাথটি পয়েন্টারে ক্লিক করুন ।
5.পাথের উপরে কার্সর আসবে ,আপনার পছন্দ মত টেক্মট লিখুন ।
6.নিজে পাথ তৈরি করে কিংবা পূর্বের কোন আর্ট ওয়াককের্র পাথেও
 আপনি চাইলে টেক্মট বসাতে পারবেন ।

ভ্যাটির্ক্যাল টাইপ টুলের ব্যবহার.....
1. ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে পেন টুল নির্বাচন করে
  আর্টবোর্ডে একটি  লম্বালম্বি লাইন আকুন ।
2. লাইনটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় ভ্যাটির্ক্যাল টুলটি নির্বাচন করে মাউস পয়েন্টারে ক্লিক করুন ।
3. টেক্মট লেখার জন্য কার্সর প্রদশির্ত হবে , আপনার পছন্দ মত টেক্মট লিখুন ।
4.এই ভাবে আপনি অবজেক্ট বা পাথের উপর  ভ্যাটির্ক্যাল টেক্মট লিখতে পারেন ।

ভ্যাটির্ক্যাল এরিয়া টাইপ টুল ...

আবদ্ধ পাথের ভিতরে ভ্যাটির্ক্যাল টেক্মট লেখা এবং তার ভিতরে ঢোকা ও
টেক্মট সম্পাদন করা যায় এই টুলের মাধ্যমে ।

ভ্যাটির্ক্যাল এরিয়া টাইপ টুলের ব্যবহার....

1.ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে Rectangle ক্লিক করুন এবং আর্টবোর্ডে একটি চতুরভূজ আকুন ।
2. এবার টুল বক্স থেকে ভ্যাটির্ক্যাল এরিয়া টাইপ টুল সিলেক্ট করে চতুরভূজটির যে কোন বিন্দুতে ক্লিক করুন ।
3. টেক্মট এরিয়া তৈরি হবে এবং কার্সর প্রদশির্ত হবে ।
4. আপনার পছন্দ মত টেক্মট লিখুন ।
5. টাইপ করা টেক্মট বক্সের ভেতর ভ্যাটির্ক্যালী প্রদশির্ত হবে ।
6.চাইলে আপনি কোন আর্ট ওয়াককের্র ভিতরে টাইপ ও করতে পারেন ।

ভ্যাটির্ক্যাল টাইপ অন এ পাথ টুলের ব্যবহার .....

1.ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় Ellipse টুলটি নির্বাচন করুন এবং আর্টবোর্ডে একটি বৃত্ত আকুন ।
2.এবার বৃত্তটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় ভ্যাটির্ক্যাল অন এ পাথ টুলটি সিলেক্ট করে বৃত্তের পয়েন্টারে ক্লিক করুন ।
3.  আপনার পছন্দ মত টেক্মট লিখুন ।
4.এই ভাবে আপনি বিভিন্ন ধরনের টেক্মট ডিজান তৈরি করতে পারবেন ।

Thursday, 28 November 2019

গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর সিলেকশন টুল ..

গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর সিলেকশন টুল ..






গ্রাফিক ডিজান ইলাস্টেটর সিলেকশন টুল ....
পুরো অবজেক্টকে সিলেক্ট এবং মুভ করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

সিলেকশন টুলের মাধ্যমে অবজেক্টকে রিসাইজ করা ..
ইলাস্টেটরে যে কোন অবজেক্টের আকার পরির্বতনের আগে সিলেকশন টুলের মাধ্যমে সিলেক্ট করে নিতে হয় ।
সিলেকশন টুলের মাধ্যমে অবজেক্টের আকার ছোট কিংবা বড় করা যায় ।
1.টুল বক্স থেকে সিলেকশন টুল নির্বাচন করুন ।
2.আর্টবোডে আপনার ইচ্ছা মতো যে কোন অবজেক্ট নিয়ে আসুন ।
3.সিলেকশন টুলের অবজেক্টটিকে মাধ্যমে সিলেক্ট করুন ।
নিচের মতো আটটি হ্যান্ডেলসহ বাউন্ডারী বক্স দেখাবে ।
4.অবজেক্টটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এর যে কোন এক প্রান্তে ক্ষুদ্রাকৃতির বক্সের মাঝ
বরাবর মাউস পয়েন্ট নিয়ে গেলে উভমুখী একটি তীর চিহ্ন দেখাবে ।
5.সাইজ বড় করার জন্য ওই তীর চিহ্নকে বাইরের দিকে টানলে সেটি
আর ভিতরের দিকে টানলে সেটি ছোট হবে ।
6.এভাবে প্রয়োজন অনুসারে যে কোন অবজেক্টকে ছোট বড় করা যায় ।

 সিলেকশন টুলের মাধ্যমে অবজেক্টক ঘুরানো .....


  1.টুল বক্স থেকে সিলেকশন টুল নির্বাচন করুন ।
2.আর্টবোডে আপনার ইচ্ছা মতো যে কোন অবজেক্ট নিয়ে আসুন ।
3.সিলেকশন টুলের অবজেক্টটিকে মাধ্যমে সিলেক্ট করুন ।
নিচের মতো আটটি হ্যান্ডেলসহ বাউন্ডারী বক্স দেখাবে ।
  4.অবজেক্টটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এর যে কোন এক প্রান্তে ক্ষুদ্রাকৃতির বক্সের মাঝ
বরাবর মাউস পয়েন্ট নিয়ে গেলে উভমুখী একটি তীর চিহ্ন দেখাবে ।
এ অবস্থায় আপনি অবজেক্টটিকে ঘুরাতে চান  সিলেক্ট থাকা অবস্থায় সেই দিকে মাউস নিয়ে যান ।

ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল এর ব্যবহার .....

ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল ব্যবহার করে অবজেক্টটের আকার পরিবর্তন করে দিতে পারবেন ।
1.ইলাস্টেটর চালু থাকা অবস্থায় টুল বক্স থেকে র‌্যাক্টেঙ্গল টুল সিলেক্ট করুন ।
2 .র‌্যাক্টেঙ্গল টুলের সাহায্যে আর্টবোর্ডে একটি আয়তকার বক্স তৈরি করুন ।
3. একে যে কোন রং দ্বারা ফিল করুন ।
4. এখন টুল বক্স থেকে ডাইরেক্ট সিলেকশন টুলটি সিলেক্ট করুন ।
5 .টুলটির সাহায্যে আয়তকার বক্সটি সিলেক্ট করুন ,
বক্সটির চারকোনায় চারটি এবং মাঝ বরাবর একটি বিন্দু প্রর্দশিত হবে ।
6.  এবার উপরের দিকের বাম বিন্দুটিকে সিলেক্ট করুন ,
তীর চিহ্ন আকৃতি বদলে যাবে ।
7. এই অবস্থায় মাউসের বাস বাটনটি চেপে ধরে টেনে আনুন ,
শেপটি বদলে যেতে থাকবে ।
8.এভাবে আপনি ডানে, বামে, উপরে, নিচে, যে কোন পয়েন্টটে সিলেক্ট করে
আপনার ইচ্ছা মত অবজেক্টটের আকৃতি প্রদান করতে পারবেন ।

গ্রুপ সিলেকশন টুল  ..

গ্রুপ বা গ্রুপের  ভিতরের কোন অবজেক্টকে সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয় । 

Tuesday, 26 November 2019

লেখা লেখি পর্ব দুই........

লেখা লেখি পর্ব দুই........


লেখা লেখি পর্ব দুই........ 


 টাইপ টুলের সাহায্যে টেক্সট এরিয়া তৈরি করা ........


  টাইপ টুল নির্বাচন করে আমরা যে কোন পয়েন্ট ক্লিক করে টেক্সট লেখা দেখেছি ।
  এভাবে না লিখে কোন নির্দিষ্ট এরিয়া  তৈরি করে তাতে ও টেক্সট লেখা যায় ।
  সেজন্য টাইপ টুল নির্বাচন করে মাউস দিয়ে ড্রাগ করে টেক্সট এরিয়া তৈরি করুন ।
  টেক্সট এরিয়া যদি অধিক পরিমানে টেক্সট টাইপ করা হয় যা ধারনের মধ্যে সংকুলান না
  হয় তাহলে টেক্সট এরিয়ার বেশি লেখা গুলো প্রর্দশিত হবে না এবং ধারকের ডান দিকে
  একটি ছোট প্লাস চিহ্ন দেখাবে । এক্ষেত্রে সিলেক্টশন টুল এর সাহায্যে ধারকটিকে
  সিলেক্টকরে সাইজিং হ্যান্ডেলে  ড্রাগ করে বড় করলে অপ্রর্দশিত  বেশি লেখা দেখা যাবে  ।

  টেক্সট ধারককে মুভ করা ..........

  টেক্সট ধারক তৈরি করে এর মধ্যে লেখা টাইপ করে অবজেক্টের মত টেক্সট এরিয়াকে মুভ করা যায় ।
1.সিলেক্টশন বা ডাইরেক্ট সিলেক্ট টুলের সাহায্যে টেক্সট ধারকটি সিলেক্ট করতে হবে ।
2.ধারককের ভিতর টেক্সটের উপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করে
ড্রাগ করে টেক্সটসহ মুভ করানো যায় ।

টেক্সট ধারককে রোটেট করা .........

টুল বক্সের রোটেট টুলের সাহায্যে অবজেক্টের মত টেক্সট ধারককে রোটেট করা যায় ।
1.ধারকটি সিলেক্ট করুন টুল বক্স থেকে রোটেট টুল নির্বাচন করুন ।
যে দিকে ড্রাগ করা হবে টেক্সট সেই দিকে যাবে । ধারককের ডান দিকে মাউস
পয়েন্টার নিয়ে নিচের দিকে ড্রাগ করুন ।

টেক্সট ধারককে  স্কেলিং করা .....

রোটেট করার মত টুল বক্স থেকে স্কেল টুল নির্বাচন করে টেক্সট ধারককে স্কেল করা যায় ।

লেখা রঙিন করা ....

1.লেখা নির্বাচন করতে হবে ।
2.কালার প্রর্দশিত না থাকলে Window>show> Color কালার নির্দেশ করতে হবে ।
3.কালার প্যানেল থেকে পছন্দনীয় রঙ নির্বাচন করতে হবে ।

প্যাটানের ব্যবহার  ..........


অবজেক্টের মত লেখার ফন্টকে ও প্যাটার্ন করা যায় ।
1.টুল বক্স থেকে টাইপ টুল নির্বাচন করুন ।
2.টাইপ সাইজ নির্দেশ দিয়ে 72 নির্বাচন করুন ।
3.ওয়ার্ক  এরিয়া ক্লিক করে সিআইবিএস টাইপ করুন ।
4.টুল বক্স থেকে সিলেক্ট টুল নির্বাচন করে লেখাটি সিলেক্ট করুন ।
5.Window>show Swatches  নির্দেশ দিয়ে Swatches
প্যানেল থেকে Wave pattern নির্বাচন করুন ।

আউট লাইনের রং পরিবর্তন ...........


টাইপ করলে লেখার স্টোক বা আউটলাইন থাকে না ।
টুল বক্সে লক্ষ্য করে দেখতে পারেন স্টোক নান হয়ে থাকে পিল রং কাল ।
লেখা নির্বাচন করে লেখা রঙ করলে এক্ষেত্রে ও লেখার পিল নির্বাচিত রঙ হবে ।
কিন্তু স্টোক নান থাকে । লেখা নির্বাচন করে ডিফল্ট সাদা এবং স্টোক কাল রঙ হবে ।
এভাবে লেখা নির্বাচন করে পিল হিসাবে যে রঙ নির্বাচন করা হবে এবং স্টোক
হিসাবে যে রঙ নির্বাচন করা হবে লেখা ও আউটলাইন সে রঙের হবে ।

 টেক্সট এডিট করা .......

.
 1. লেখা এডিট করতে চাইলে সিলেক্ট করে নিতে হবে ।
 2.লেখার মাঝে কোন অক্ষর মুছতে চাইলে অথবা নতুন কোন লেখা টাইপ করেতে
 চাইলে টুল বক্স থেকে টাইপ টুল নির্বাচন করে মাউস পয়েন্টার লেখার মাঝে
 নিয়ে ক্লিক করে ইনসার্সন পয়েন্ট এনে করতে হবে ।
 3. ব্যাকস্পেস কি , ডিলেট কি চেপে অথবা Edit>Clear নির্দেশ  দিয়ে মুছা যায় ।
 4.লেখা কপি করার জন্য সিলেক্ট করে Ctrl +C   কপি হয়ে যাবে ।
5.লেখা মুভ করার জন্য Edit>Cut নির্দেশ দিতে হবে অথবা Ctrl+x   চেপে কাট করে যেখানেই
মুভ করা দরকার সেখানে ইনসার্সন রেখে Ctrl+V দিতে হবে ।

টেক্সট  wrap......

লেখার উপরে কোন অবজেক্ট ড্রয়িং করলে অথবা আনলে তা লেখাকে ঢেকে ফেলে ।
অবজেক্টটি লেখার মাঝে লেখা না ঢেকে স্হাপিত হওয়ার জন্য  নির্দেশ দিতে হবে ।
1.নিশ্চিত হতে হবে যে অবজেক্টটি টেক্সটির উপরে আছে ।
2.সিলেক্টশন টুলের সাহায্যে অবজেক্ট এবং Shift  কি চেপে ধরে
টেক্সট একত্রে নির্বাচন করতে হবে ।
3.Type>wrap> Make নির্দেশ অবজেক্টটি টেক্সটটে wrap হবে ।
5.টেক্সট এবং অবজেক্ট wrap মুক্ত করার জন্য Type>wrap>Release   নির্দেশ হবে ।


টেক্সট ধারককে রঙ দ্বারা পূর্ণ করা .....


1.সিলেক্টশন টুল অথবা ডাইরেক্ট সিলেক্টশন টুল নির্বাচন করে টেক্সট ক্লিক করুন ।
এ অবস্থায় কালার প্যানেল থেকে রঙ নির্বাচন করলে টেক্সটটের রঙ পরিবর্তন হবে
কিন্তু ধারক রঙে পূর্ণ হবে না ।
2.বাইরে ক্লিক করে ডিসিলেক্ট করুন ।
3. View মেনুতে ক্লিক করে Artwork নির্বাচন করুন অথবা Ctrl+y চাপুন  ।
4.এখন টুল বক্স থেকে ডাইরেক্ট সিলেক্ট টুল নির্বাচন করে টেক্সট বক্সের লাইনে
ক্লিক করে শূধূমাত্র টেক্সট ধারক  টেক্সট ছাড়া সিলেক্ট হবে ।
5.View Preview নির্দেশ দিন অথবা Ctrl++y চাপুন ।
6.টুল বক্সের  Default Fill and Stroke এ ক্লিক করুন ।


 Alignment কি বোর্ড থেকে শর্টকাট........


 Ctrl+shift+L=left align
 Ctrl+shift+R= right align
Ctrl+shift+C= center align
 Ctrl+shift+J=justify align
 Ctrl+shift+F=justify all lines
 

ফন্টকে গ্রাফিক অবজেক্টে রুপান্তর ......

  1.টুল বক্স থেকে  Type tool নির্বাচন করুন ।
  2.type>size নির্দেশ দিয়ে 72 নির্বাচন করুন ।
  3.View মেনুতে ক্লিক করে  Actual size নির্দেশ দিন ।
  4.ওয়ার্ক এরিয়া ক্লিক করে কিবোর্ড থেকে  A টাইপ করুন ।
  5.টুল বক্স থেকে Selection tool নির্বাচন করে অক্ষরটি সিলেক্ট করুন ।
  6.Type>Create Outlines নির্দেশ দিন অথবা Ctrl+Shift+O চাপুন ।
  7.টুল বস্কের  Default Fill and স্টোক টুলে ক্লিক করুন অথবা D চাপুন ।
  8.অক্ষরটি অ্যাংকার পয়েন্ট বিশিষ্ট আউটলাইনে পরিবতির্ত হয়ে গ্রাফিক
অবজেক্টে রুপান্তরিত হবে । বাইরে কোথাও ক্লিক করে   Direct Select tool
নির্বাচন করে অবজেক্টের আউটলাইনে ক্লিক করে অ্যাংকার পয়েন্ট গুলো প্রর্দশিত হবে ।

Monday, 25 November 2019

ইলাস্ট্রেটরে লেখালেখি ।

ইলাস্ট্রেটরে লেখালেখি ।

 ইলাস্ট্রেটরে লেখালেখি ।
ইলাস্ট্রেটরে বিভিন্নভাবে লেখালেখি করার ব্যবস্থা রয়েছে ।
 লেখালেখি করার জন্য ছয় ধরনের টুল রয়েছে ।
 তাছাড়া টাইপ মেনু বিভিন্ন অপশন নির্বাচন করে লেখা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করা যায় ।
  টুল বক্সে টাইপ টুল এ ক্লিক করে অথবা T চেপে টাইপ টুল নির্বাচন করে
  ওয়ার্ক এরিয়ার যে কোন স্থানে ক্লিক করে কি বোর্ড থেকে টাইপ করে টেক্স লেখা যায় ।
  টুল বক্সের র্ভাটিক্যাল টাইপ টুল নির্বাচন করে মাউস দিয়ে টাইপ টুলে  ক্লিক করে
  মাউস চেপে ধরে অথবা T Shift+ টি চেপে ভাটিক্যাল লেখা যায় ।
 

  লেখা স্থানান্তর করা       ?

 ডিরেক্ট সিলেক্টশন টুল অথবা সিলেক্টশন টুল নির্বাচন করে লেখাতে ক্লিক করে
 লেখা নির্বাচন করে ড্রাগ করে লেখা স্থানান্তরিত করা যায় ।

 লেখার আকার পরিবর্তন ?

 সিলেক্টশন টুল কাল অ্যারো এর সার্হায্যে লেখা নির্বাচন করুন ।

সাইজিং  হ্যান্ডেল  নির্বাচিত লেখার চার কোনায় এবং চার পাশে বর্গকার বক্স ।
এ মাউস পয়েন্টার নিয়ে ড্রাগ করে লেখার আকার পরিবর্তন করা যায় ।


বিভিন্ন ফন্টের ব্যবহার ?

বিভিন্ন টাইপ টুল নির্বাচন করে কিবোর্ড থেকে টাইপ করে বিভিন্ন ফন্ট লেখা যায় ।
টাইপ ফন্ট র্নিদেশ দিয়ে টাইপ মেনু থেকে অথবা  CTRL+T চেপে প্রর্দশিত ক্যারোষ্টার
প্যালেট থেকে ড্রপ ডাউন বাটনে ক্লিক করে ফন্ট নির্বাচন করা যায় ।
মেনুস্থ কোন ফন্ট পছন্দ না হলে মোর নির্বাচন করে অপর্দশিত ফন্ট নির্বাচন করা য়ায় ।

ফন্ট সাইজ ?

ফন্টের সাইজ কত হবে তা নির্ধারনের জন্য ।
টাইপ সাইজ নির্দেশ দিয়ে  ফন্ট সাইজ নির্বাচন করুন ।
অথবা টাইপ  নির্দেশ দিয়ে প্রর্দশিত  ক্যারোষ্টার ডায়ালক বক্সের ফন্ট এর
নিচের টেক্স বক্সে টাইপ করে অথবা বাটনে ক্লিক করে ফন্টের সাইজ নির্বাচন করা যায় ।

লেখাকে পাথে প্রবাহিত করা ?
টুল বক্সের পেন টুল ব্যবহার করে পাথ তৈরি করুন , টুল বক্সের টাইপ টুল ক্লিক করে
 T চেপে টুলটি নির্বাচন করে পাথের উপরের মাথায় ক্লিক করুন ।
 ইনসার্সন পয়েন্টটি পাথে চলে আসবে । তাই টাইপ  48 পি টি নির্বাচন করুন ।


 বৃত্তের লাইনের উপর দিয়ে এবং ভিতর দিয়ে লেখা ?

1. টুল বক্সের Ellpse  একটি বৃত্ত আকুন ।
2. টুল বক্সের path টাইপ  টুল নির্বাচন করে যেখান থেকে লেখা শুরু করতে চান
মাউস পয়েন্টার নিয়ে বৃত্তের লাইনে ক্লিক করুন ।
3.লাইনে ইনসার্সন পয়েন্টটি আসবে ।এখন টাইপ করলে লেখা বৃত্তের উপরে হবে ।
4.লেখাকে বৃত্তের লাইনের ভিতরে নিয়ে যেতে চাইলে Direct Selection টুল নির্বাচন আইবিম আসবে ।
আইবিম ক্লিক করে ড্রাগ করিয়ে বৃত্তের ভিতরে মুভ করলে লেখা মুভ হবে ।

  বাংলা টাইপিং ......?

  প্রথমে টাইপিং ক্লিক করুন ,তারপর কার্সরটি ফন্ট বরাবর নিয়ে গেলে মোর এ  অনেক গুলো
  ল্যাংগুয়েজ দেখাবে , সেখান থেকে যে সব ল্যাংগুয়েজ এর পরে mj থাকবে
  সেটা ক্লিক করুন । তারপর কিবোর্ড থেকে  CTRL এক সাথে চেপে  ALT +B ক্লিক করুন ।
  

Sunday, 24 November 2019

 লোগো ডিজাইনের তাত্বিক ধারনা ।

লোগো ডিজাইনের তাত্বিক ধারনা ।




এবারের লোগো ডিজাইনের কতিপয় তাত্বিক আলোচনা করবো ।
লোগো ডিজাইনের মোট সাতটি বিষয়ে নিয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে ।
1.  কমিউনিকেশন 
2. সিম্পলিসিটি 
3.কালার 
4.ফাংশন 
5.ফ্যাশন 
6.এপ্লিকেশন 
7.গ্রো

1.  কমিউনিকেশন লোগো কি এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ..
লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনসিডারেশনের
বিষয় হলো কমিউনিকেশন বা যোগায়োগ ।
একটি লোগো প্রথম দর্শনেই তার কোম্পানির সঙ্গে এর টাগের্ট
একটি যোগসূত্র করতে হবে এমনিভাবে যে, কোন লোগোকে ডিজান করতে হবে ।
লোগো ডিজাইনের মধ্য দিয়েই কোম্পানির সমঙ্গে যুক্ত ক্লায়েন্টরা ধারনা নিবে
এই কোম্পানির সঙ্গে তারা কি উদ্দেশ্যে যুক্ত হবে ।
যেমন ধরা যাক একটি ব্যাংক বা ইনভেষ্টমেন্ট কোম্পানির লোগো ।
এই লোগোটি এমন হতে হবে যেন যে কোন ব্যাক্তি লোগোটি দেখে
তাদের আস্থা বা বিশ্বাসের জাযগাটি পেতে পারে ।
কেননা ব্যাংক বা ইনভেষ্টমেন্ট কোম্পানিতে মানুষ তার অর্থ লগ্নি করে ।
   
 2. সিম্পলিসিটি লোগো কি এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ..
 বিখ্যাত দার্শনিক প্লেটো ডিজাইনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উক্তি করেছেন ।
এটি হলো "Beauty of the style and Grace depent on Simplity"
 লোগো ডিজাইনের এই গুরুত্বপূর্ণ টিপসটি মাথায় রাখতে হবে ।
 একটি ভালো লোগো ডিজান সর্বদা কোম্পানির সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আকর্ষণ হতে পারে ।
একটি কোম্পানির অনেক গুলো বিষয় থাকতে পারে , তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফোকাশ করতে হবে,
সেটি খুজে বের করতে হবে ।যেমন কোন কোম্পানির এমন প্রোডাক্ট থাকতে পারে যা তরুন ,
এবং বৃদ্ধ উভয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট উৎপাদন করতে পারে ।
এখন লোগো ডিজান করার সময় ঠিক করতে হবে যে, কোন অডিয়েন্সকে টাগের্ট করলে
কোম্পানির জন্য বেশি লাভবান হবে । যেমন ধরা যাক নাইক কোম্পানির লোগো ।
নাইক কোম্পানি তরুন ,বৃদ্ধ সবার জন্য জুতা উৎপাদন করে ।
কিন্তু  এর লোগো ডিজাইনের সময় তারুণ্য ও গতির প্রতীককে বেশি গুরুত্ব দিয়ে
লোগো তৈরি করেছে ,কেননা তরুনরাই তাদের টাগের্ট অডিয়েন্স ।
আপনার কোম্পানির সব চাইতে কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কি
ডিজাইনের আগে সেটিকে প্রথমে চিহ্নিত করুন ।
অতঃপর সিম্পলিসিটি সেটিকে টাগের্ট করে লোগো ডিজান করুন ।
ফলে এটি সহজে অডিয়েন্সর সাথে কমিউনিকেট করবে ।
 কোন লোগোকে দৃষ্টি আকর্ষণীয় করার জন্য এর উপর বিভিন্ন ধরনের ইফেক্ট যেমন কালার, গ্রো,
 ড্রপশ্যাডো প্রভৃতি যুক্ত করা হয় ।

3.কালার লোগো ডিজাইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক কালার ।
কোন লোগোর জন্য   পারফেক্ট কি কালার হবে ?
নউত্তর ও নিহীত আছে লোগো ডিজানটির ব্যাকগ্রাউন্ড এর উপর ।
তবে লোগো ডিজাইনের অনেক র্নিদেশনা আছে ,তার মধ্যে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
হলো লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে বেশি কালার ব্যবহার করা যাবে  না ।
ভাল কোন কোম্পানির লোগো খুব বেশি হলে সবোর্চ্চ তিনটি কালার ব্যবহার করে ।
 
 4.ফাংশন লোগো প্রাথমিক ফাংশন হচ্ছে কমিউনিকেট করা ।
এই ফাংশন ডিপেন্ড করে কোথায় এটি ব্যবহার করা হবে তার উপর ।
যেমন কোন লোগো মিড়িয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে তখন এর ফাংশন হবে ভিন্ন ।
আবার যখন কোন লোগো ওয়েব এর উপর ব্যবহার করা হবে তখন এর ফাংশন হবে ভিন্ন ।
এই ভিন্ন ভিন্ন জায়গার উপর ভিত্তি করে এর ডিজান ভিন্ন ভিন্ন হবে ।


  5.ফ্যাশন  যে কেউ ফ্যাশন পছন্দ করে তবে লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে 
   ফ্যাশন ব্যবহারের সর্তকতা থাকতে হবে ।
   এর কারন একটি লোগোকে র্মাকেটে দীর্ঘ দিন ঠিকে থাকতে হবে । 
 এ জন্য বেশী ফ্যাশনের লোগো ব্যবহার করা বিপদজনক ।
যেমন কোন ফন্ট ব্যবহার করা হয় যেটি বেশি স্টালিস এবং ফ্যাশনেবল ।
তবে সেটি খুব দ্রুত পুরোনো হয়ে যাবে । 


6.এপ্লিকেশন একটি ভাল লোগোর সাফল্য নির্ভর করে এর এপ্লিকেশন বা ব্যবহারের উপর ।
এ জন্য প্রতিটি কোম্পানিতে লোগো ব্যবহারের একটি গাইড লাইন থাকা উচিৎ ।
এই গাইড লাইন না থাকার কারণে অনেকে তাদের কোম্পানির মেঝ বা
 ফুটপ্রিন্টে ব্যবহার করে যেটি লোগোর জন্য মিসটেক হিসাবে বিবেচ্য হয়ে থাকে ।
 লোগো ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে এর এপ্লিকেশন বা প্রয়োগ নির্ধারন করা উচিৎ ।
 নতুবা লোগোটি এর ভারত্ব থেকে বিচ্যুত হবে ।


7.গ্রোথ  একটি লোগো ব্রান্ড হিসাবে পরিচিত পাবার জন্য এর গ্রোথ গুরুত্বপূর্ণ ।
এই গ্রোথ শুধু মাত্র লোগোর উপর নির্ভর করে না বরং ডিজান এর একটি অংশ ।
লোগোর গ্রোথের জন্য কোম্পানির মাকের্ট ডিলিং এর গুডইল, এর প্রোডাক্টের গুডইলি বিষয় গুলো গুরুত্বপূর্ণ ।
সুতারাং একটি লোগো কেবল ভাল ডিজাইনের জন্যই ব্রান্ডে পরিনত হবে না ।
এর সাথে কোম্পানির সামগ্রিক পারফরমেন্স সম্পৃক্ত থাকে ।
                                লেখক
ওমর ফারুক

Friday, 22 November 2019

কালার মুড সর্ম্পকে ধারণা !

কালার মুড সর্ম্পকে ধারণা !


কালার মুড সর্ম্পকে ধারণা ! 

গ্রাফিক্সের  কাজ করার জন্য আরেকটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হচ্ছে কালার মুড ।
  গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে সাধারনত দুটি কালার মুড অধিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।
  একটি হল RGB মোড অপরটি CMKY মোড ।
এদের মধ্যে  RGB মোডটি ব্যবহার করা হয় ডিজিটাল মিড়িয়ার জন্য ।
CMKY মোডটি ব্যবহার করা হয় প্রিন্ট মিড়িয়ার জন্য ।
সাধারনভাবে আমরা যখন কোরেলড্রতে গ্রাফিক্সের জন্য
ডকুমেন্ট তৈরি করবো আমাদের আগে ঠিক করে নিতে হবে
ডকুমেন্টটি প্রিন্ট মিড়িয়া হবে নাকি ডিজিটাল মিড়িয়া ব্যবহার করা হবে ।
প্রিন্ট মিড়িয়া হলে  CMKY সিলেক্ট করে নিতে হবে
আর ডিজিটাল মিড়িয়া হলে  RGB সিলেক্ট করে নিতে হবে ।
1. RGB কালার মোড বলতে কি বুঝায় ?
 ডিজিটাল মিড়িয়ার জন্য সচরাচর লাইট ব্যবহার করা হয় ।
 এখানে সকল কালার রেড লাইট ,গ্রীন লাইট , ব্লু লাইটের
 সমন্বয়ে উপস্থাপিত  হয় । রেড ,গ্রীন , ব্লু লাইটের
 মান শূণ্য হলে কোন লাইট না থাকায় অন্ধকার বোঝাবে ।
 এর অর্থ হলো এই তিন লাইটের শূণ্য মানের দ্বারা কাল রং বোঝাবে ।
 আবার এই তিনটি একশত ভাগ হলে এর অর্থ হবে সাদা রং ।
2. CMKY কালার মোড বলতে কি বুঝায় ?

একই ভাবে CMKY মোডে চারটি কালার তথা
সায়ান , ম্যাজেন্টা , ব্ল্যাক,  ইয়োলো কালার ব্যবহার করা হয় ।
এই চারটি  একশত ভাগ হলে এর অর্থ হবে সাদা রং
এবং শূণ্য ভাগ মানে কাল রং বুঝিয়ে থাকে ।

Wednesday, 17 July 2019

পর্ব এক গ্রাফিক ডিজান ইলাস্ট্রেটর

পর্ব এক গ্রাফিক ডিজান ইলাস্ট্রেটর


পর্ব এক গ্রাফিক ডিজান ইলাস্ট্রেটর

ওমর ফারুক




আপার কম্পিউটারে যদি ইলাস্ট্রেটর এপ্লিকেশনটি ভালোভাবে ইন্টল করা থাকে
তাহলে অন্যান্যা প্রোগ্রাম চালু করার ন্যায় ইলাস্ট্রেটর চালু করতে পারেন ।

ইলাস্ট্রেটর উইন্ডো পরিচিতি

ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম চালু করে উইন্ডো আসে।

1.menu Bar

উইন্ডোর উপরে File,Edit,Object, Type,Select,Filter,
Effect,View,
Windows,Help ইত্যাদি লেখা বারকে মেনুবার বলে ।
ইলাস্ট্রেটরের নতুন সংষ্করণ গুলোতে মেনুবারে দশটি মেনুর নাম থাকে ।
যেমন File হলো একটি ফাইল মেনুর নাম ।
মেনুর নামে ক্লিক করলে অথবা Alt
কি চেপে আন্ডার লাইন অক্ষর চাপলে
মেনু ওপেন হয় । মেনুতে বিভিন্ন কমান্ড থাকে ।
2.

Document Window

মেনু বারের নিচে ডকুমেন্ট উইন্ডো ।
এর টাইটেল বারে ইলাস্ট্রেটর ফাইলের নাম এবং
ব্রাকেট প্র্র্র্রদনে শতকরা হার সংখ্যা দেখা যায় ।
র্আট ওয়াক সেভ না করা অবস্থায় টাইটেল বারে
Untitled art লেখা প্রর্দিশত হয় ।
3.

ToolBox

উইন্ডোর বাম পাশে বিভিন্ন আইকন সংবলিত টুল
সমূহ নিয়ে প্রর্দিশত বক্সকে টুলবক্স বলা হয় ।
টুলবক্সের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে র্আট করা হয় ।

Page Border

স্ক্রীনের কেন্দ্র বরাবর আয়াতকার ডটডট চিহ্নিত লাইনকে পেজ বডার বলে ।
4.

Art Borad

স্ক্রীনের কেন্দ্র বরাবর সলিড লাইনের আয়াতকার বক্সকে র্আট বোড বলে ।
আট বোডে আট করা হয় ।
5.

Print Area


র্আট বোডে পেইজ বডারের ভিতরের এরিয়াকে প্রিন্ট এরিয়া বলা হয় ।
এই এরিয়াক অবজেক্ট প্রিন্ট হয় ।
6.

Scratch area

র্আট বোডের এরিয়াকে Scratch area এরিয়া বল বলা হয় ।
এ এরিয়া র্আট ওয়াক তৈরির জন্য বিভিন্ন অংশ তৈরি করা যায় ।
এডিট করা যায় এবং সংরক্ষন করা যায় ।
এখানে সংরক্ষিত উপাদান সমূহ দৃশ্যমান থাকে ।
তবে এগুলো প্রিন্ট হয় না ।
স্ক্র্যাচ এরিয়ায় বিভিন্ন অঃশ ড্রয়িং করে র্আট
বোডে এনে র্আট ওয়াক তৈরি করা যায় ।

Status Bar

এখানে বিভিন্ন অবস্থায় যেমন টুল
ব্যবহার করা হয়েছে তা প্রর্দশিত হয়।
এখানে ক্লিক করে প্রদশিত মেনু থেকে যা নিবাচন করা হয়,,
সে সর্ম্পকিত র্তথ্য প্রদর্শিত হবে ।
7.

Scrollbar

উইন্ডোর ডান দিকে র্ভর্টিক্যাল
এবং নিচের ডান অংশের হরিজন্টাল
স্ক্রলবার ব্যবহার করে র্আট ওয়াকে স্ক্রীন বড ছোট করা যায় ।

Palette

ইলাস্ট্রেটরে কাজ করার ক্ষেত্রে প্যালেট একটি গুরুত্ব পূর্ণ ব্যাপার ।
সাধারনত প্যালেট উইন্ডোর মাধ্যমে
ইলাস্ট্রেটরে বিভিন্ন অবজেক্ট এডিট করা হয় ।
সাধারনত এই প্যালেট গুলো উইন্ডো মেনু হতে নির্দেশ প্রদান করে ওপেন করা যায় ।
যেমন অবজেক্টকে কালার করাসহ এর কালার মোড নির্বাচনের জন্য
কালার প্যালেট রয়েছে ।
মনে রাখতে হবে প্যালেট খোলা রেখেই
আমরা যে কোন কাজ করতে পারি ।

ডায়ালক বক্স

ইলাস্ট্রেটরে বক্স প্যালেটের মতোই একটি ইন্টাফেস এলিমেন্ট ,
তবে এর সাথে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে ।
সাধারনত প্যালেট হচ্ছে ,একটি স্বাধীন উইন্ডো
এবং উইন্ডো মনেু হতে র্নিদিষ্ট প্যালেটের জন্য
নির্ধারিত কমান্ড দিয়ে যে কোন সময় যে কোন প্যালেট খোলা যায় ।
এমনকি ইলাস্ট্রেটর ওপেন করার পর কোন নতুন ডকুমেন্ট
না খুলেও প্যালেটকে পর্দায় প্রদর্শিত করা যাবে ।
অন্য দিকে ডায়ালক বক্স ইচ্ছে নির্দিষ্ট কমান্ড দেবার পর
সেই কমান্ডের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মানকে এডিটং এর জন্য ওপেন হয় ।
যে কোন প্যালেট খোলা রেখে আপনি ইলাস্ট্রেটরে কাজ করতে পারবেন ।
কিন্তু ডায়ালক বক্স খোলা রেখে কোন কাজ করতে পারবেন না ।
যতক্ষন না পর্যন্ত ওকে বা কেন সেল না করেন ।
ইলাস্ট্রেটর ডায়ালক বক্সের বিভিন্ন
ইন্টারফেস এলিমেন্ট বর্ণনা যুক্ত করা হলো ।
এক ড্রপউাউন মেনু
ডায়ালক বক্সের গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে ড্রপডাউন মেনু ।
র্নিদিষ্ট একটি অপশনের পাশে তীর চিহ্নে ক্লিক করলে ,
এই ধরনের ড্রপডাউন আসতে পারে ।

দুই ইনপুট বক্সকে

কোন অপশনের জন্য র্নিদিষ্ট মান টাইপ করে দেবার জন্য
ইলাস্ট্রেটর ডায়ালক ইনপুট রয়েছে ,

3.স্ক্রলার

ডায়ালক বক্সে এই ধরনের আাইটেম থাকে সাধারনত,
কোন মানকে দ্রুত বাডানো কমানো যায় ।

4 স্পিনার

ডায়ালক বক্সে বিভিন্ন আইটের
জন্য নিদিষ্ট মান দেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুততার ,
জন্য স্পিনার ব্যবহার করা হয় । উপরের তীর চিহ্নে ক্লিক করলে,
মান বৃদ্ধি পায় ,এবং নিচের তীর চিহ্নে ক্লিক করলে মান কমতে থাকে ।

5 রেড়িও বাটন ও চেক

ড্রপ শ্যাডো ডায়ালক বক্সে সব শেষ কালার ও
ডাকনেস অপশনের পাশের দুটি বৃত্তকার দুটি ঘর রয়েছে ।
এই অপশন গুলো র্কাযকর করার
জন্য নিদিষ্ট অপশনের ঘরটি ক্লিক করলে ,
ঘরটির মাঝে একটি বিন্দু বসে ,
র্অথাৎ ঘরটি সিলেক্ট হয়ে থাকে ।
ইলাস্ট্রেটরে ডায়ালক বক্সে এই ধরনের আর কিছু অপশন রয়েছে ।
ইলাস্ট্রেটরের প্রায় প্রতিটি ডায়ালক বক্সেই
প্রিভিউ নামের একটি করে চেক্স রয়েছে ।
এটি ইউজারকে নিদিষ্ট কমান্ডের জন্য মান দেবার
সাথে সাথে অবজেক্টের পরির্বতন লাইভ
ভাবে ডুকুমেন্ট প্রদর্শন করে ।
অর্থাৎ ড্রপশ্যাডো ডায়ালক
বক্সটির বাটনে চেক করে, আমরা যদি
এই ডায়ালক বক্সটির প্রিভিউ বাটনে চেক করি , আমরা যদি এই
ডায়ালক বক্সে কোন মানের পরির্বতন ঘটাই তবে
অবজেক্টের ওপর উপর যে প্রভাব পড়বে,
তা লাইভ ভাবে ডকুমেন্ট আপডেট হবে ।
আমরা ডকুমেন্ট ।তথা আমরা তখনই পরির্বতনটি দেখতে পাবো ।
তবে কেবল প্রিভিউয়ের জন্য চেক বক্স ব্যবহার হয় না ।

ডকুমেন্ট তৈরী করা

ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম শুরু করে ইলাস্ট্রেটর উইন্ডোতে আসুন

র্নিদেশ File > New দিন অথবা Ctrl+N কীদ্বয় এক সাথে চাপুন ।
একটি ডায়ালক পর্দায় প্রদির্শত হবে ।
এটি Ok করে দিন ফলে একটি নতুন ডুকুমেন্ট তৈরী হবে ।
টুলবক্স হতে রেক্ট্যাঙ্গল টুলটি সিলেক্ট করুন ।
র্আটবোডে ক্লিক এবং ড্রাগ করে একটি রেক্ট্যাঙ্গল তৈরি করুন ।