ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০

পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল

পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল

পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল

বাংলাদেশের আকাশে বুধবার কোথাও ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার পবিত্র রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আগামী শুক্রবার থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হবে এবং ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।
বুধবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররমস্থ সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আনিস মাহমুদ।
সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু: আ. হামিদ জমাদ্দার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওয়াকফ উপ-প্রশাসক (প্রশাসন,ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. হুমায়ুন কবির সরকার, ঢাকা জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার হাসান মারুফ, উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহঃ সাইফুল্লাহ, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. মাহমুদুর রহমান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবদুল মান্নান, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর ৬৪ জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৪৭টি কেন্দ্র এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এমতাবস্থায়, বৃহস্পতিবার পবিত্র রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী শুক্রবার থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হবে। ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

 মৃত্যুর পর পূণরায় জীবিত হওয়ার প্রমাণ সর্ম্পকে ?

মৃত্যুর পর পূণরায় জীবিত হওয়ার প্রমাণ সর্ম্পকে ?


 মৃত্যুর পর পূণরায় জীবিত হওয়ার প্রমাণ সর্ম্পকে ? 

তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়ীঘরগুলো ভেঙ্গে ছাদের উপর পড়ে ছিল? বলল, কেমন করে আল্লাহ মরনের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন একশ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কত কাল এভাবে ছিলে? বলল আমি ছিলাম, একদিন কংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো একশ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায় নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দেই এবং সেগুলোর উপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দেই। অতঃপর যখন তার উপর এ অবস্থা প্রকাশিত হল, তখন বলে উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 259,260সেসমস্ত লোক, যারা আনুগত্য অবলম্বন করে এ রসূলের, যিনি উম্মী নবী, যাঁর সম্পর্কে তারা নিজেদের কাছে রক্ষিত তওরাত ও ইঞ্জিলে লেখা দেখতে পায়, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেন সৎকর্মের, বারণ করেন অসৎকর্ম থেকে; তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ এবং তাদের উপর থেকে সে বোঝা নামিয়ে দেন এবং বন্দীত্ব অপসারণ করেন যা তাদের উপর বিদ্যমান ছিল। সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 57তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে। কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল।আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 38,39নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন রহস্য আল্লাহর কাছেই রয়েছে। কিয়ামতের ব্যাপারটি তো এমন, যেমন চোখের পলক অথবা তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান।আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 77এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?তারা কি দেখেনি যে, যে আল্লাহ আসমান ও যমিন সৃজিত করেছেন, তিনি তাদের মত মানুষও পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম? তিনি তাদের জন্যে স্থির করেছেন একটি নির্দিষ্ট কাল, এতে কোন সন্দেহ নেই; অতঃপর জালেমরা অস্বীকার ছাড়া কিছু করেনি। আল কোরআন সুরা বনী ইরাঈল আয়াত ঃ 98,99সেদিন তারা কি চমৎকার শুনবে এবং দেখবে, যেদিন তারা আমার কাছে আগমন করবে। কিন্তু আজ জালেমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে রয়েছে।আল কোরআন সুরা মারইয়ম   আয়াত ঃ38মানুষ কি স্মরণ করে না যে, আমি তাকে ইতি পূর্বে সৃষ্টি করেছি এবং সে তখন কিছুই ছিল না।
নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে কেউ নেই যে, দয়াময় আল্লাহর কাছে দাস হয়ে উপস্থিত হবে না।
আল কোরআন সুরা মারইয়ম   আয়াত ঃ93
তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বহির্গত করেন জীবিত থেকে মৃতকে বহির্গত করেন, এবং ভূমির মৃত্যুর পর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এভাবে তোমরা উত্থিত হবে।
আল কোরআন সুরা রুম   আয়াত ঃ 19
তিনিই প্রথমবার সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি সৃষ্টি করবেন। এটা তাঁর জন্যে সহজ। আকাশ ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁরই এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
আল কোরআন সুরা রুম   আয়াত ঃ 27
অতএব, আল্লাহর রহমতের ফল দেখে নাও, কিভাবে তিনি মৃত্তিকার মৃত্যুর পর তাকে জীবিত করেন। নিশ্চয় তিনি মৃতদেরকে জীবিত করবেন এবং তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
আল কোরআন সুরা রুম   আয়াত ঃ 50
সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভূত কথা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে কে জীবিত করবে অস্থিসমূহকে যখন সেগুলো পচে গলে যাবে?
আল কোরআন সুরা ইয়াসিন  আয়াত ঃ 78
অতএব পবিত্র তিনি, যাঁর হাতে সবকিছুর রাজত্ব এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
আল কোরআন সুরা ইয়াসিন  আয়াত ঃ 83
আমি আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোন কিছু অযথা সৃষ্টি করিনি। এটা কাফেরদের ধারণা। অতএব, কাফেরদের জন্যে রয়েছে দূর্ভোগ অর্থাৎ জাহান্নাম।
আমি কি বিশ্বাসী ও সৎকর্মীদেরকে পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কাফেরদের সমতুল্য করে দেব? না খোদাভীরুদেরকে পাপাচারীদের সম্মান করে দেব।
আল কোরআন সুরা ছোয়াদ   আয়াত ঃ 27,28

 আল কোরআন সুরা মারইয়ম   আয়াত ঃ 67

ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?

ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?


 ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?
তোমাদের আশার উপর ও ভিত্তি নয় এবং আহলে-কিতাবদের আশার উপরও না।
যে কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তার শাস্তি পাবে
এবং সে আল্লাহ ছাড়া নিজের কোন সমর্থক বা সাহায্যকারী পাবে না।
যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়,
তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণ ও নষ্ট হবে না।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 123,124
  আপনি জিজ্ঞেস করুনঃ সর্ববৃহৎ সাক্ষ্যদাতা কে ?
  বলে দিনঃ আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী।
  আমার প্রতি এ কোরআন অবর্তীর্ণ হয়েছে-যাতে আমি তোমাদেরকে
  এবং যাদের কাছে এ কোরআন পৌঁছে সবাইকে ভীতি প্রদর্শন করি।
  তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সাথে অন্যান্য উপাস্যও রয়েছে ?
  আপনি বলে দিনঃ আমি এরূপ সাক্ষ্য দেব না। বলে দিনঃ তিনিই একমাত্র উপাস্য;
  আমি অবশ্যই তোমাদের শিরক থেকে মুক্ত।
  আল কোরআন সুরা আন আম   আয়াত ঃ 19
  আর তাদেরকে বিতাড়িত করবেন না,
 যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে।
 তাদের হিসাব বিন্দুমাত্রও আপনার দায়িত্বে নয়
 এবং আপনার হিসাব বিন্দুমাত্রও তাদের দায়িত্বে নয় যে,
 আপনি তাদেরকে বিতাড়িত করবেন।
 নতুবা আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবেন।
 আর এভাবেই আমি কিছু লোককে কিছু লোক দ্বারা পরীক্ষায় ফেলেছি যাতে তারা বলে যে,
 এদেরকেই কি আমাদের সবার মধ্য থেকে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহ দান করেছেন?
 আল্লাহ কি কৃতজ্ঞদের সম্পর্কে সুপরিজ্ঞাত নন ?
   আল কোরআন সুরা আন আম   আয়াত ঃ 52,53
 বলে দাও, হে মানব মন্ডলী। তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহ প্রেরিত রসূল,
 সমগ্র আসমান ও যমীনে তার রাজত্ব। একমাত্র তাঁকে ছাড়া আর কারো উপাসনা নয়।
 তিনি জীবন ও মৃত্যু দান করেন।
 সুতরাং তোমরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন করো আল্লাহর উপর তাঁর প্রেরিত উম্মী নবীর উপর,
 যিনি বিশ্বাস রাখেন আল্লাহর এবং তাঁর সমস্ত কালামের উপর।
 তাঁর অনুসরণ কর যাতে সরল পথপ্রাপ্ত হতে পার। 
    আল কোরআন সুরা আরাফ   আয়াত ঃ 158
যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমাণদার,
পুরুষ হোক কিংবা নারী আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব
এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব যা তারা করত।
আল কোরআন সুরা নাহল   আয়াত ঃ97
আল্লাহ বলবেনঃ আমার সামনে বাকবিতন্ডা করো না
আমি তো পূর্বেই তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ভয় প্রদর্শন করেছিলাম।
আমার কাছে কথা রদবদল হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই।
আল কোরআন সুরা কাফ  আয়াত ঃ 28,29
পরম কল্যাণময় তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফয়সালার গ্রন্থ অবর্তীণ করেছেন,
যাতে সে বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হয়,।
 আল কোরআন সুরা ফুরকান  আয়াত ঃ 1
 আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি;
 কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।
  আল কোরআন সুরা সাবা   আয়াত ঃ 28

বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯

পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে  .

পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে .



পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে  ..
আর তোমরা যেখান থেকেই বেরিয়ে আস এবং যেখানেই অবস্থান কর, সেদিকেই মুখ ফেরাও,
  যাতে করে মানুষের জন্য তোমাদের সাথে ঝগড়া করার অবকাশ না থাকে।
  অবশ্য যারা অবিবেচক, তাদের কথা আলাদা। কাজেই তাদের আপত্তিতে ভীত হয়ো না।
  আমাকেই ভয় কর। যাতে আমি তোমাদের জন্যে আমার অনুগ্রহ
  সমূহ পূর্ণ করে দেই এবং তাতে যেন তোমরা সরলপথ প্রাপ্ত হও।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 150
   সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে।
  আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 238
   হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 43
  যখন তোমরা কোন দেশ সফর কর, তখন নামাযে কিছুটা হ্রাস করলে তোমাদের কোন গোনাহ নেই,
  যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, কাফেররা তোমাদেরকে উত্ত্যক্ত করবে।
  নিশ্চয় কাফেররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 101
  হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর
  এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও,
  অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর
  , অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও
  -অর্থাৎ, স্বীয় মুখ-মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল।
  আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান
  এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান-যাতে তোমরা কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ কর।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 6
   বলুনঃ আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন,
   সব সুন্দর নাম তাঁরই। আপনি নিজের নামায আদায়কালে
   স্বর উচ্চগ্রাসে নিয়ে গিয়ে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না।
   এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 110
  সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন
  এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 78
  আমিই আল্লাহ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। অতএব আমার এবাদত কর
  এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর।
  আল কোরআন সুরা ত্বোহা আয়াত ঃ 14
  যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র;
  আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 2
 অতএব, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা স্মরণ কর সন্ধ্যায় ও সকালে,
 এবং অপরাহ্ণে ও মধ্যাহ্ণে। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে, তাঁরই প্রশংসা।
  আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ 17,18

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯

 কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে ..

কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে ..


কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে .....
  অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের দরুন আমি তাদের উপর অভিসম্পাত করেছি
  এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয়
  এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তা থেকে উপকার লাভ করার বিষয়টি বিস্মৃত হয়েছে।
  আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন,
  তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া। অতএব, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং মার্জনা করুন।
  আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 13
  আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে
  এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে
  বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে
  এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
  আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ  125
  বলুনঃ প্রত্যেকেই নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে। অতঃপর আপনার পালনকর্তা
  বিশেষ রূপে জানেন, কে সর্বাপেক্ষা নির্ভূল পথে আছে।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 84
  আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
  বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য।
  সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?
  অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে
  পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না,
  তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।
  তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর ।
  আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে
  একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।
  আল কোরআন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ  107-111
  আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে দিয়েছি,
  যা তারা পালন করে। অতএব তারা যেন এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক না করে।
  আপনি তাদেরকে পালনকর্তার দিকে আহবান করুন। নিশ্চয় আপনি সরল পথেই আছেন।
  তারা যদি আপনার সাথে বিতর্ক করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, সে সর্ম্পকে আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।
  আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 67,68
  রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে
  এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
  আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 63
  আমি তো কেবল এই নগরীর প্রভুর এবাদত করতে
  আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন। এবং
  সব কিছু তাঁরই। আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই।
  এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে,
   সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন,
         আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী।
  আল কোরআন সুরা নমল আয়াত ঃ 91,92
  তারা দুইবার পুরস্কৃত হবে তাদের সবরের কারণে।
  তারা মন্দের জওয়াবে ভাল করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
  তারা যখন অবাঞ্চিত বাজে কথাবার্তা শ্রবণ করে, তখন তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়
  এবং বলে, আমাদের জন্যে আমাদের কাজ এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ।
  তোমাদের প্রতি সালাম। আমরা অজ্ঞদের সাথে জড়িত হতে চাই না।
  আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 54,55
  তোমরা কিতাবধারীদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়; তবে তাদের সাথে নয়,
  যারা তাদের মধ্যে বে-ইনসাফ। এবং বল, আমাদের প্রতি ও তোমাদের
  প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি।
  আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তাঁরই আজ্ঞাবহ।
  আল কোরআন সুরা আনকাবুত আয়াত ঃ 46
  এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
  তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
  এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
  বলুন, আমাদের অপরাধের জন্যে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না
  এবং তোমরা যা কিছু কর, সে সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসিত হব না।
  বলুন, আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর
  তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞ।
  বলুন, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে অংশীদাররূপে সংযুক্ত করেছ,
  তাদেরকে এনে আমাকে দেখাও। বরং তিনিই আল্লাহ, পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়।
  আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 24-27
  আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং
  যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি তাঁর এবাদত করব না?
  আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্যান্যদেরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করব? করুণাময় যদি
  আমাকে কষ্টে নিপতিত করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ
  আমার কোনই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না।
  এরূপ করলে আমি প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হব।
  আমি নিশ্চিতভাবে তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব আমার কাছ থেকে শুনে নাও।
  আল কোরআন সুরা ইয়াসিন আয়াত ঃ 22-25
  এরপর তাদের পরে আমি বহু সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
  কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট কালের অগ্রে যেতে পারে না। এবং পশ্চাতেও থকাতে পারে না।
  এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
  তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
  এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
  আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 42-44
  
কোরআনের দোয়া সমূহ সর্ম্পকে .....

কোরআনের দোয়া সমূহ সর্ম্পকে .....


কোরআনের দোয়া সমূহ সর্ম্পকে .....
   وِمِنْهُم مَّن يَقُولُ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
  আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলে-হে পরওয়ারদেগার!
  আমাদিগকে দুনয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর
  এবং আমাদিগকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 201
   آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْم
  ُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لاَ ن
  ُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ وَقَالُواْ سَمِعْن
  َا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে
তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি,
 তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি।
 তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা।
 তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি।
 আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা।
 তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
   لاَ يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا
 مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا
 لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
 رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ
 عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَ
 ا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَ
 ارْحَمْنَآ أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না,
সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে।
 হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি,
 তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা!
 এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না,
 যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ!
 এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই।
 আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর।
 তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 285,286
  تُولِجُ اللَّيْلَ فِي الْنَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَتُخْ
  رِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الَمَيَّتَ مِنَ الْحَيِّ وَتَرْزُقُ مَن تَشَاء بِغَيْرِ حِسَابٍ
  তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও।
  আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন এবং
  মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর। আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।
  لاَّ يَتَّخِذِ الْمُؤْمِنُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاء مِن دُوْنِ الْمُؤْمِنِينَ وَمَ
  ن يَفْعَلْ ذَلِكَ فَلَيْسَ مِنَ اللّهِ فِي شَيْءٍ إِلاَّ أَن تَتَّقُواْ مِنْهُمْ تُقَاةً وَيُحَذِّرُكُمُ اللّهُ نَفْسَهُ وَإِلَى اللّهِ الْمَصِيرُ
  মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।
  যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না।
  তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর,
  তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’
  আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।
  আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 26,27
  الَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
  যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের
  গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
  আল কোরআন সুরা আর ইমরান আয়াত ঃ 16
 
وَاخْتَارَ مُوسَى قَوْمَهُ سَبْعِينَ رَجُلاً لِّمِيقَاتِنَا فَلَمَّا أَخَذَتْهُمُ الرَّجْفَةُ قَالَ رَبِّ
 لَوْ شِئْتَ أَهْلَكْتَهُم مِّن قَبْلُ وَإِيَّايَ أَتُهْلِكُنَا بِمَا فَعَلَ السُّفَهَاء مِنَّا إِنْ
 هِيَ إِلاَّ فِتْنَتُكَ تُضِلُّ بِهَا مَن تَشَاء وَتَهْدِي مَن تَشَاء أَنتَ
 وَلِيُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ
 আর মূসা বেছে নিলেন নিজের সম্প্রদায় থেকে সত্তর জন লোক আমার প্রতিশ্রুত সময়ের জন্য।
 তারপর যখন তাদেরকে ভূমিকম্প পাকড়াও করল, তখন বললেন, হে আমার পরওয়ারদেগার,
 তুমি যদি ইচ্ছা করতে, তবে তাদেরকে আগেই ধ্বংস করে দিতে এবং আমাকেও।
 আমাদেরকে কি সে কর্মের কারণে ধ্বংস করছ, যা আমার সম্প্রদায়ের নির্বোধ লোকেরা করেছে?
 এসবই তোমার পরীক্ষা; তুমি যাকে ইচ্ছা এতে পথ ভ্রষ্ট করবে এবং যাকে ইচ্ছা সরলপথে রাখবে।
 তুমি যে আমাদের রক্ষক-সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং আমাদের উপর করুনা কর।
 তাছাড়া তুমিই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী।
 وَاكْتُبْ لَنَا فِي هَـذِهِ الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ إِنَّا هُدْنَـا إِلَيْكَ قَالَ عَذَابِي أ
 ُصِيبُ بِهِ مَنْ أَشَاء وَرَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ
 شَيْءٍ فَسَأَكْتُبُهَا لِلَّذِينَ يَتَّقُونَ وَيُؤْتُونَ الزَّكَـاةَ وَالَّذِينَ هُم بِآيَاتِنَا يُؤْمِنُونَ
 আর পৃথিবীতে এবং আখেরাতে আমাদের জন্য কল্যাণ লিখে দাও।
 আমরা তোমার দিকে প্রত্যাবর্তন করছি। আল্লাহ তা’আলা বললেন, আমার আযাব তারই উপর পরিব্যাপ্ত।
 সুতরাং তা তাদের জন্য লিখে দেব যারা ভয় রাখে, যাকাত দান করে
 এবং যারা আমার আয়তসমুহের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে।
  আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 155,156
  دِ افْتَرَيْنَا عَلَى اللّهِ كَذِبًا إِنْ عُدْنَا فِي مِلَّتِكُم بَعْدَ إِذْ
  نَجَّانَا اللّهُ مِنْهَا وَمَا يَكُونُ لَنَا أَن نَّعُودَ فِيهَا إِلاَّ أَن يَش
  َاء اللّهُ رَبُّنَا وَسِعَ رَبُّنَا كُلَّ شَيْءٍ عِلْمًا عَلَى اللّهِ تَوَكَّلْنَا رَبَّنَا
  افْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِالْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ
  আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি,
  অথচ তিনি আমাদেরকে এ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। আমাদের কাজ নয় এ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করা,
  কিন্তু আমাদের প্রতি পালক আল্লাহ যদি চান। আমাদের প্রতিপালক
  প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। আল্লাহর প্রতিই আমরা ভরসা করেছি।
  হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা।
  আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।
  আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ  89
  وَمَا تَنقِمُ مِنَّا إِلاَّ أَنْ آمَنَّا بِآيَاتِ رَبِّنَا لَمَّا جَاءتْنَا رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ
  বস্তুতঃ আমাদের সাথে তোমার শত্রুতা তো এ কারণেই যে, আমরা ঈমান এনেছি
  আমাদের পরওয়ারদেগারের নিদর্শনসমূহের প্রতি যখন তা আমাদের নিকট পৌঁছেছে।
  হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং
 আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর।
  আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 126
 
মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ....

মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ....

মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ......
  বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর,
  যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং
  তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন।
  আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 31
  বস্তুতঃ আমি একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি,
  যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তাঁদের আদেশ-নিষেধ মান্য করা হয়।
  আর সেসব লোক যখন নিজেদের অনিষ্ট সাধন করেছিল,
  তখন যদি আপনার কাছে আসত অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত
  এবং রসূলও যদি তাদেরকে ক্ষমা করিয়ে দিতেন।
  অবশ্যই তারা আল্লাহকে ক্ষমাকারী, মেহেরবানরূপে পেত।
  অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না,
  যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে।
  অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে
  কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 64, 65
  হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।
তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন করবেন এবং
তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন।
 যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে,
 সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 70,71
একে অপকে অভিশাপ প্রদান সর্ম্পকে

একে অপকে অভিশাপ প্রদান সর্ম্পকে

একে অপকে অভিশাপ প্রদান সর্ম্পকে .....
  এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং
  তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই,
  এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে
  চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।
  এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয়
  তবে তার উপর আল্লাহর লানত।
  এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয়
  যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী;
  এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয়
  তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ6-9
 হজ্জ ও কাবা শরীপ সর্ম্পকে ......

হজ্জ ও কাবা শরীপ সর্ম্পকে ......

 হজ্জ ও কাবা শরীপ সর্ম্পকে ......


আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ্ব ওমরাহ পরিপূর্ণ ভাবে পালন কর।
  যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য।
  আর তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মাথা মুন্ডন করবে না, যতক্ষণ না কোরবাণী যথাস্থানে পৌছে যাবে।
  যারা তোমাদের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বে কিংবা মাথায় যদি কোন কষ্ট থাকে,
  তাহলে তার পরিবর্তে রোজা করবে কিংবা খয়রাত দেবে অথবা কুরবানী করবে।
  আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ্ব ওমরাহ একত্রে একই সাথে পালন করতে চাও,
  তবে যাকিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য।
  বস্তুতঃ যারা কোরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জ্বের দিনগুলোর মধ্যে রোজা রাখবে
  তিনটি আর সাতটি রোযা রাখবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি রোযা পূর্ণ হয়ে যাবে।
  এ নির্দেশটি তাদের জন্য, যাদের পরিবার পরিজন
  মসজিদুল হারামের আশে-পাশে বসবাস করে না।
  আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক। সন্দেহাতীতভাবে জেনো যে, আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন।
  হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে,
  তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়।
  না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়।
  আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, আল্লাহ তো জানেন। আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও।
  নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। আর আমাকে ভয় করতে থাক,
  হে বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।
  তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষন করায় কোন পাপ নেই।
  অতঃপর যখন তওয়াফের জন্য ফিরে আসবে আরাফাত থেকে, তখন মাশ‘
  আরে-হারামের নিকটে আল্লাহকে স্মরণ কর। আর তাঁকে স্মরণ কর তেমনি করে,
  যেমন তোমাদিগকে হেদায়েত করা হয়েছে।
  আর নিশ্চয়ই ইতিপূর্বে তোমরা ছিলে অজ্ঞ।
  অতঃপর তওয়াফের জন্যে দ্রুতগতিতে সেখান থেকে ফিরে আস, যেখান থেকে সবাই ফিরে।
  আর আল্লাহর কাছেই মাগফেরাত কামনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাকারী, করুনাময়।
  আর অতঃপর যখন হজ্জ্বের যাবতীয় অনুষ্ঠানক্রিয়াদি সমাপ্ত করে সারবে,
  তখন স্মরণ করবে আল্লাহকে, যেমন করে তোমরা স্মরণ করতে নিজেদের বাপ-দাদাদেরকে;
  বরং তার চেয়েও বেশী স্মরণ করবে। তারপর অনেকে তো বলে যে পরওয়াদেগার!
  আমাদিগকে দুনিয়াতে দান কর। অথচ তার জন্যে পরকালে কোন অংশ নেই।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 196-200

নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শন গুলোর অন্যতম।
  সুতরাং যারা কা’বা ঘরে হজ্ব বা ওমরাহ পালন করে,
  তাদের পক্ষে এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই।
  বরং কেউ যদি স্বেচ্ছায় কিছু নেকীর কাজ করে, তবে আল্লাহ তা’আলার
  অবশ্যই তা অবগত হবেন এবং তার সে আমলের সঠিক মুল্য দেবেন।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ158
  নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্যে নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই হচ্ছে এ ঘর,
  যা মক্কায় অবস্থিত এবং সারা জাহানের মানুষের জন্য হেদায়েত ও বরকতময়।
  এতে রয়েছে মকামে ইব্রাহীমের মত প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে,
  লোক এর ভেতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে।
  আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য;
  যে লোকের সামর্থø রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। আর যে লোক তা মানে না।
  আল্লাহ সারা বিশ্বের কোন কিছুরই পরোয়া করেন না।
  আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 96-97
আল্লাহ সম্মানিত গৃহ কাবাকে মানুষের স্থীতিশীলতার কারণ করেছেন
  এবং সম্মানিত মাসসমূকে, হারাম কোরবানীর জন্তুকে ও যাদের গলায় আবরণ রয়েছে।
  এর কারণ এই যে, যাতে তোমরা জেনে নাও যে, আল্লাহ নভোমন্ডল
  ও ভুমন্ডলের সব কিছু জানেন এবং আল্লাহ সর্ব বিষয়ে মহাজ্ঞানী।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা  আয়াত ঃ 97
  যারা কুফর করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়,
  যাকে আমি প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে
  এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচছা করে,
  আমি তাদেরকে যন্ত্রানাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।
  যখন আমি ইব্রাহীমকে বায়তুল্লাহর স্থান ঠিক করে দিয়েছিলাম যে,
  আমার সাথে কাউকে শরীক করো না এবং আমার গৃহকে পবিত্র রাখ তাওয়াফকারীদের জন্যে,
  নামাযে দন্ডায়মানদের জন্যে এবং রকু সেজদাকারীদের জন্যে।
  এবং মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর।
  তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং
  সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে।
  যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থান পর্যন্ত পৌছে এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে
  আল্লাহর নাম স্মরণ করে তাঁর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময়।
  অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর এবং দুঃস্থ-অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।
  এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়,
  তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।
   আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 25-29
  
পর্দা সর্ম্পকে

পর্দা সর্ম্পকে


পর্দা সর্ম্পকে ..........
  হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না,
  যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর।
  এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
  যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না।
  যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে।
  এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর,
  আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন।
  যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ
  করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই  এবং আল্লাহ জানেন
  তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর।
  মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
  এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
  ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে
  এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান,
  তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে
  এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র,
  স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ,
  তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে,
     তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
    মুমিনগণ,   তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 27-31
   মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি
   তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে,
   দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর।
          এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়।
      এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই।
      তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়,
         এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন।
            আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
            আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ58
  হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা
  খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না।
  তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে
  আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না।
  নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন;
  কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না।
  তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।
  এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ।
  আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়।
  আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
  তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।
  নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র,
  সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই।
  নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 53-55
  যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়,
  তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ58
  
 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...
.
  নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর
  নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
  আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন,
  আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
  আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে,
  আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
  তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়।
  অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 6-9
  যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে
  অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ226
  আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর,
  তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি।
  এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 4
  তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়।
  তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে।
  তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
  যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে,
  তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে।
  এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর
 যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে।
 যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে।
 এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
  আল কোরআন সুরা মুজদালাহ আয়াত ঃ 2-4

সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..


 মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..
মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ......
তোমাদের কারো যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কিছু ধন-সম্পদ ত্যাগ করে যায়,
তবে তার জন্য ওসীয়ত করা বিধিবদ্ধ করা হলো, পিতা-মাতা ও নিকটাত্নীয়দের
 জন্য ইনসাফের সাথে পরহেযগারদের জন্য এ নির্দেশ জরুরী।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সবকিছু শোনেন ও জানেন।
 যদি কেউ ওসীয়ত শোনার পর তাতে কোন রকম পরিবর্তন সাধন করে,
 তবে যারা পরিবর্তন করে তাদের উপর এর পাপ পতিত হবে।
 যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের
 এবং তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 180-182
আর যখন তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে তখন স্ত্রীদের ঘর থেকে বের না করে
এক বছর পর্যন্ত তাদের খরচের ব্যাপারে ওসিয়ত করে যাবে।
অতঃপর যদি সে স্ত্রীরা নিজে থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নারী যদি নিজের ব্যাপারে
 কোন উত্তম ব্যবস্থা করে, তবে তাতে তোমাদের উপর কোন পাপ নেই।
 আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।
আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 240
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে
এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত
সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
সম্পতি বন্টনের সময় যখন আত্নীয়-স্বজন, এতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়,
 তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও এবং তাদের সাথে কিছু সদালাপ করো
 তাদের ভয় করা উচিত, যারা নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-সন্ততি ছেড়ে
 গেলে তাদের জন্যে তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত কথা বলে।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ  7-9

আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ
একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান।
 অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক,
 তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়,
 তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে
 প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে।
 যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ।
 অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর,
 যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর।
 তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না।
 এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে।
 যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়;
 ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে।
 আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ,
 যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে
 এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে।
 আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর,
 যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে।
 এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 11,12

পিতা-মাতা এবং নিকটাত্নীয়গণ যা ত্যাগ করে যান সেসবের জন্যই আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি।
 আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও।
 আল্লাহ তা’আলা নিঃসন্দেহে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেন।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 33

হে, মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়,
তখন ওছিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্মপরায়ন দুজনকে সাক্ষী রেখো।
 তোমরা সফরে থাকলে এবং সে অবস্থায় তোমাদের মৃত্যু উপস্থিত হলে
 তোমরা তোমাদের ছাড়াও দু ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখো।
 যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে।
 অতঃপর উভয়েই আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, আমরা এ কসমের বিনিময়ে
 কোন উপকার গ্রহণ করতে চাই না, যদিও কোন আত্নীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না।
 এমতাবস্থায় কঠোর গোনাহগার হব।
 অতঃপর যদি জানা যায় যে, উভয় ওসি কোন গোনাহে জড়িত রয়েছে,
 তবে যাদের বিরুদ্ধে গোনাহ হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে মৃতু ব্যক্তির নিকটতম দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে।
 অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য
 এবং আমরা সীমা অতিক্রম করিনি। এমতাবস্থায় আমরা অবশ্যই অত্যাচারী হব।
আল কোর আন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ  106,107

আর যারা ঈমান এনেছে পরবর্তী পর্যায়ে এবং ঘর-বাড়ী ছেড়েছে
 এবং তোমাদের সাথে সম্মিলিত হয়ে জেহাদ করেছে, তারাও তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত।
 বস্তুতঃ যারা আত্নীয়, আল্লাহর বিধান মতে তারা পরস্পর বেশী হকদার।
 নিশ্চয়ই আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ে সক্ষম ও অবগত।
আল কোর আন সুরা আনফাল আয়াত ঃ 75
 স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?


  স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

 স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

 তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।
 আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক।
 আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে।
 আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ223
 যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 130
 যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে,
 তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই। মীমাংসা উত্তম।
 মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে। যদি তোমরা উত্তম কাজ কর
 এবং খোদাভীরু হও, তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 128
 পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
 এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা
 এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।
 আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর।
 যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না
 । নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
 যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর,
 তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে।
 তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ34,35
 হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
 এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
 কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ,
 যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19
 আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ4
 তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও।
 তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে।
 যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে
 এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে।
 তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
 বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত,
 সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন,
 তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন।
 আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 6,7
 হে মুমিনগণ, তোমাদের কোন কোন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি তোমাদের দুশমন।
 অতএব তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। যদি মার্জনা কর,
 উপেক্ষা কর, এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়।
 আল কোরআন সুরা তাগাবুন আয়াত ঃ 14

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯

 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা

সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা


 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা  
 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা ?..........
যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত,
 যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।
যারা স্বীয় ধন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে না
 এবং কষ্টও দেয় না, তাদেরই জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে পুরস্কার
 এবং তাদের কোন আশংকা নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।
 নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ঐ দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম,
 যার পরে কষ্ট দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলা সম্পদশালী, সহিঞ্চু।
 হে ঈমানদারগণ!তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে
 এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মত
 যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না।
 অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল।
 অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল।
 তারা ঐ বস্তুর কোন সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে।
 আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।
 যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে
 এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত,
 যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়; অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে।
 যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 261-265
কস্মিণকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না, যদি তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে তোমরা ব্যয় না কর।
 আর তোমরা যদি কিছু ব্যয় করবে আল্লাহ তা জানেন।
    আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 92
যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে
 আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন।
 আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 134
তিনিই উদ্যান সমূহ সৃষ্টি করেছে-তাও, যা মাচার উপর তুলে দেয়া হয়,
 এবং যা মাচার উপর তোলা হয় না এবং খর্জুর বৃক্ষ ও শস্যক্ষেত্র যেসবের স্বাদবিশিষ্ট
 এবং যয়তুন ও আনার সৃষ্টি করেছেন-একে অন্যের সাদৃশ্যশীল এবং সাদৃশ্যহীন।
 এগুলোর ফল খাও, যখন ফলন্ত হয় এবং হক দান কর কর্তনের সময়ে এবং অপব্যয় করো না।
 নিশ্চয় তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না।
  আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ141
যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদে হক
এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে
 এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
 আল কোরআন সুরা তওবা আয়াত ঃ  60
নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 56
মানুষের ধন-সম্পদে তোমাদের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে,
 এই আশায় তোমরা সুদে যা কিছু দাও, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না।
 পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যারা দিয়ে থাকে,
 অতএব, তারাই দ্বিগুণ লাভ করে।
   আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ39
এবং তারা যখন ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না কৃপণতাও করে না এবং তাদের পন্থা হয় এতদুভয়ের মধ্যবর্তী।
    আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 67

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...


 বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে।
 অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম,
 যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে।
 এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না,
 যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল,
 যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে,
 আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে।
 আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ221
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত।
আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে,
 তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়।
 আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
 আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে,
 তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী।
 আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
 তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে,
 না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে
 নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে।
 কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়,
 তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা।
 কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
 তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়,
 তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে,
 তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,
 তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই।
 যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে।
 আর এই হলো আল্লাহ কতৃêক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়,
 তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও
 । আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না।
 আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।
 আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর,
 যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে
 যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে,
 তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না।
 এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
 এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ228-232
আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে,
তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা।
 তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই।
 আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ234
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না,
তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন,
কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না,
 তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
 আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
    আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 3,4
হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
 এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
 কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন
 এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
 যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর
 এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না।
 তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?
 তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের কাছে গমন
 এবং নারীরা তোমাদের কাছে থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে।
 যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না।
 কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
 তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন,
 তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা,
 যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা,
 তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে।
 যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।
 তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে।
 নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
 এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ;
 তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম।
 এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে,
 তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়
 । অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর।
 তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও
 । নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না,
 সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে।
 আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন।
 তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর
 এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে,
 তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না।
 অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে,
 তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে।
 এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে।
 আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19-25
যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না,
তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
   আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 4
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
 তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 26
মুমিনগণ! তোমরা যখন মুমিন নারীদেরকে বিবাহ কর, অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
তখন তাদেরকে ইদ্দত পালনে বাধ্য করার অধিকার তোমাদের নাই।
অতঃপর তোমরা তাদেরকে কিছু দেবে এবং উত্তম পন্থায় বিদায় দেবে।
 আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 49
হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও,
তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো।
 তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো।
 তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং
 তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে,  সে নিজেরই অনিষ্ট করে।
 সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।
 অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে
 অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য
 থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে।
 তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে,
 তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।
 এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন।
 যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট।
 আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।
 তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস।
 আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে।
 গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।
 এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।
  আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 1-5

কেনাবেচা সর্ম্পকে ?.....

কেনাবেচা সর্ম্পকে ?.....


 কেনাবেচা সর্ম্পকে ?.....
কেনাবেচা সর্ম্পকে ?........
   হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর,
   তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে;
   লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন,
   তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয়
   এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে।
   অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়,
   তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে।
   যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা।
   ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়,
   তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়।
   তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।
   এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে
   এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়,
   পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই।
   তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না।
   যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়।
   আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন।
   আর তোমরা যদি প্রবাসে থাক এবং কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত।
   যদি একে অন্যকে বিশ্বাস করে, তবে যাকে বিশ্বাস করা হয়, তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা
   এবং স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় কর! তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না।
   যে কেউ তা গোপন করবে, তার অন্তর পাপপূর্ণ হবে। তোমরা যা করা, আল্লাহ সে সম্পর্কে খুব জ্ঞাত।
    আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ282,283
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি,
যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে,
তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’
আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।
 অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে
 এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল।
 আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে।
 তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ275
হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না।
কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ।
 আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না।
 নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 29
এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে,
 নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না।
 তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 37
অতঃপর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়
 এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
   আল কোরআন সুরা জুমা আয়াত ঃ 10

 রোযার মাসায়েল ও শবেকদর ?..........

রোযার মাসায়েল ও শবেকদর ?..........


  রোযার মাসায়েল ও শবেকদর ?..........
 রোযার মাসায়েল ও শবেকদর ?..........
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে,
 যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর,
 যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 183
রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে।
 তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে,
 তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন
 এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর
 এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর।
 আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়।
 অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর,
 ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা।
 অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ
 নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 187
আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
 আল কোরআন সুরা কদর আয়াত ঃ 1-5
হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। 
যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে 
এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়।
 অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়,
 তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, 
 তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে।
 অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ
 মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। 
 আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
 যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে মুসলমানকে হত্যা করে,
 তার শাস্তি জাহান্নাম, তাতেই সে চিরকাল থাকবে।
 আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন 
 এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 92,93
সে প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হারাম করেছেন; কিন্তু ন্যায়ভাবে।
যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয়, আমি তার উত্তরাধিকারীকে ক্ষমতা দান করি।
অতএব, সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন না করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত।
  আল কোরআন সুরা বনীঈসরাইল আয়াত ঃ33
এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না,
আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না
এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে।
   আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 68
মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............

মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............



 মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............

তোমরা যে খয়রাত বা সদ্ব্যয় কর কিংবা কোন মানত কর,
 আল্লাহ নিশ্চয়ই সেসব কিছুই জানেন। অন্যায়কারীদের কোন সাহায্যকারী নেই
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 270
এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে
 এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।
    আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 29
তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
আল কোরআন সুরা দাহর আয়াত ঃ 7
 মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............

মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............



  মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............

হে মুমিনরা ! নিহতদের ব্যপারে কিছাছ ফরজ করা হল,
স্বাধীন ব্যাক্তির পরির্বতে স্বাধীন ব্যাক্তি ,
গোলামরে পরির্বতে গোলাম ,
নারীর পরির্বতে নারী ,কিন্তু তার ভাইয়ের পক্ষ হতে
 কিছুটা ক্ষমা করা হলে , যথাযয় বিধি পালন করা
 এবং সততার সাথে তার পাও না আদায় করা
 বিধেয় ,এটা রবের পক্ষ হতে লাঘব স্বরুপ ,
 এরপর ও যে, সীমালঘংন করে তার জন্য রয়েছে পীড়াদায়ক আজাব ।
হে বুদ্ধিমানগণ! কেসাসের মধ্যে তোমাদের জন্যে জীবন রয়েছে, যাতে তোমরা সাবধান হতে পার।
    আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 178,179
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ,
চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান,
 দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম।
 অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়।
 যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।
 আল কোরআন সুরা মায়িদা আয়াত ঃ 45