Showing posts with label নারীদের অধিকার. Show all posts
Showing posts with label নারীদের অধিকার. Show all posts

Tuesday, 19 November 2019

 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...
.
  নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর
  নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
  আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন,
  আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
  আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে,
  আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
  তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়।
  অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 6-9
  যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে
  অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ226
  আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর,
  তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি।
  এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 4
  তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়।
  তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে।
  তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
  যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে,
  তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে।
  এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর
 যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে।
 যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে।
 এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
  আল কোরআন সুরা মুজদালাহ আয়াত ঃ 2-4

Monday, 18 November 2019

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..


 মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..
মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ......
তোমাদের কারো যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কিছু ধন-সম্পদ ত্যাগ করে যায়,
তবে তার জন্য ওসীয়ত করা বিধিবদ্ধ করা হলো, পিতা-মাতা ও নিকটাত্নীয়দের
 জন্য ইনসাফের সাথে পরহেযগারদের জন্য এ নির্দেশ জরুরী।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সবকিছু শোনেন ও জানেন।
 যদি কেউ ওসীয়ত শোনার পর তাতে কোন রকম পরিবর্তন সাধন করে,
 তবে যারা পরিবর্তন করে তাদের উপর এর পাপ পতিত হবে।
 যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের
 এবং তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 180-182
আর যখন তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে তখন স্ত্রীদের ঘর থেকে বের না করে
এক বছর পর্যন্ত তাদের খরচের ব্যাপারে ওসিয়ত করে যাবে।
অতঃপর যদি সে স্ত্রীরা নিজে থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নারী যদি নিজের ব্যাপারে
 কোন উত্তম ব্যবস্থা করে, তবে তাতে তোমাদের উপর কোন পাপ নেই।
 আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।
আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 240
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে
এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত
সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
সম্পতি বন্টনের সময় যখন আত্নীয়-স্বজন, এতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়,
 তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও এবং তাদের সাথে কিছু সদালাপ করো
 তাদের ভয় করা উচিত, যারা নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-সন্ততি ছেড়ে
 গেলে তাদের জন্যে তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত কথা বলে।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ  7-9

আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ
একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান।
 অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক,
 তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়,
 তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে
 প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে।
 যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ।
 অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর,
 যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর।
 তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না।
 এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে।
 যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়;
 ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে।
 আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ,
 যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে
 এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে।
 আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর,
 যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে।
 এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 11,12

পিতা-মাতা এবং নিকটাত্নীয়গণ যা ত্যাগ করে যান সেসবের জন্যই আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি।
 আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও।
 আল্লাহ তা’আলা নিঃসন্দেহে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেন।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 33

হে, মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়,
তখন ওছিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্মপরায়ন দুজনকে সাক্ষী রেখো।
 তোমরা সফরে থাকলে এবং সে অবস্থায় তোমাদের মৃত্যু উপস্থিত হলে
 তোমরা তোমাদের ছাড়াও দু ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখো।
 যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে।
 অতঃপর উভয়েই আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, আমরা এ কসমের বিনিময়ে
 কোন উপকার গ্রহণ করতে চাই না, যদিও কোন আত্নীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না।
 এমতাবস্থায় কঠোর গোনাহগার হব।
 অতঃপর যদি জানা যায় যে, উভয় ওসি কোন গোনাহে জড়িত রয়েছে,
 তবে যাদের বিরুদ্ধে গোনাহ হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে মৃতু ব্যক্তির নিকটতম দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে।
 অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য
 এবং আমরা সীমা অতিক্রম করিনি। এমতাবস্থায় আমরা অবশ্যই অত্যাচারী হব।
আল কোর আন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ  106,107

আর যারা ঈমান এনেছে পরবর্তী পর্যায়ে এবং ঘর-বাড়ী ছেড়েছে
 এবং তোমাদের সাথে সম্মিলিত হয়ে জেহাদ করেছে, তারাও তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত।
 বস্তুতঃ যারা আত্নীয়, আল্লাহর বিধান মতে তারা পরস্পর বেশী হকদার।
 নিশ্চয়ই আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ে সক্ষম ও অবগত।
আল কোর আন সুরা আনফাল আয়াত ঃ 75
 স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?


  স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

 স্বামী স্ত্রীর অধিকার.....?

 তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।
 আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক।
 আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে।
 আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ223
 যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 130
 যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে,
 তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই। মীমাংসা উত্তম।
 মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে। যদি তোমরা উত্তম কাজ কর
 এবং খোদাভীরু হও, তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 128
 পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
 এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা
 এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।
 আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর।
 যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না
 । নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
 যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর,
 তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে।
 তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ34,35
 হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
 এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
 কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ,
 যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19
 আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ4
 তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও।
 তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে।
 যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে
 এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে।
 তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
 বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত,
 সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন,
 তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন।
 আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 6,7
 হে মুমিনগণ, তোমাদের কোন কোন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি তোমাদের দুশমন।
 অতএব তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। যদি মার্জনা কর,
 উপেক্ষা কর, এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়।
 আল কোরআন সুরা তাগাবুন আয়াত ঃ 14

Sunday, 17 November 2019

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...


 বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে।
 অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম,
 যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে।
 এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না,
 যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল,
 যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে,
 আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে।
 আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ221
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত।
আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে,
 তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়।
 আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
 আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে,
 তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী।
 আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
 তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে,
 না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে
 নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে।
 কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়,
 তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা।
 কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
 তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়,
 তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে,
 তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,
 তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই।
 যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে।
 আর এই হলো আল্লাহ কতৃêক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়,
 তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও
 । আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না।
 আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।
 আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর,
 যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে
 যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে,
 তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না।
 এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
 এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ228-232
আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে,
তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা।
 তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই।
 আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ234
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না,
তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন,
কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না,
 তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
 আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
    আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 3,4
হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
 এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
 কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন
 এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
 যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর
 এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না।
 তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?
 তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের কাছে গমন
 এবং নারীরা তোমাদের কাছে থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে।
 যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না।
 কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
 তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন,
 তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা,
 যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা,
 তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে।
 যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।
 তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে।
 নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
 এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ;
 তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম।
 এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে,
 তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়
 । অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর।
 তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও
 । নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না,
 সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে।
 আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন।
 তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর
 এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে,
 তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না।
 অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে,
 তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে।
 এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে।
 আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19-25
যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না,
তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
   আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 4
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
 তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 26
মুমিনগণ! তোমরা যখন মুমিন নারীদেরকে বিবাহ কর, অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
তখন তাদেরকে ইদ্দত পালনে বাধ্য করার অধিকার তোমাদের নাই।
অতঃপর তোমরা তাদেরকে কিছু দেবে এবং উত্তম পন্থায় বিদায় দেবে।
 আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 49
হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও,
তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো।
 তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো।
 তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং
 তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে,  সে নিজেরই অনিষ্ট করে।
 সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।
 অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে
 অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য
 থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে।
 তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে,
 তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।
 এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন।
 যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট।
 আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।
 তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস।
 আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে।
 গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।
 এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।
  আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 1-5

Friday, 15 November 2019

স্বামী স্ত্রীর অধিকার

স্বামী স্ত্রীর অধিকার



স্বামী স্ত্রীর অধিার ঃ
  রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। 
  তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। 
  আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে,
  সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন।
  অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর এবং 
  যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর।
  আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়।
  অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর,
  ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা।
  অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 187
  তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র।
  তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।
  আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক।
  আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে।
  আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ223
  আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
  তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 4
  হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয় 
  এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও; 
  কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
  অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এ
  মন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
    আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা 
এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।
আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর
এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের
জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ34;35
 যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে,
 তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই।
 মীমাংসা উত্তম। মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে। 
 যদি তোমরা উত্তম কাজ কর এবং খোদাভীরু হও, 
 তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন। 
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ128
যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা 
প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ130
 তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও।
 তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। 
 যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে
 এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। 
 তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
 বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে।
 যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে।
 আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয়
 করার আদেশ কাউকে করেন না।আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন।
   আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 6,7
 

Sunday, 3 November 2019

যৌবন বিজ্ঞান....

যৌবন বিজ্ঞান....



যৌবন বিজ্ঞান.....
 হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, 
 যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর।
 এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 27
 মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে
 এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
 এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে।
 নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ30
 ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে
 এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে।
 তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে
 এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে
 এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা
 , ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ,
 ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত 
 কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের 
 গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
 মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, 
 যাতে তোমরা সফলকাম হও।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ31
 যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে
 যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন।
 তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়,
 তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে,
 তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন,
 তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে
 তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না
 । যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর
 জোর-জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ33
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, 
 অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়,
 তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও 
 অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও। 
 আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি
 করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না।
 আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।
 আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না।
 আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে
 এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর
 নাযিল করা হয়েছে যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। 
 আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ231
 আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত।
 আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে,
 তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়।
 আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে
 নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
 আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে,
 তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী।
 আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।
 আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ228
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও 
 এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে, 
 তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে
 নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না।
 এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও 
 কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
 এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা।
 আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ232

প্রেম বিজ্ঞান

প্রেম বিজ্ঞান



প্রেম বিজ্ঞান.....
 আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে সে নারীর বিয়ের পয়গাম দাও,
 কিংবা নিজেদের মনে গোপন রাখ, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই, 
 আল্লাহ জানেন যে, তোমরা অবশ্যই সে নারীদের কথা উল্লেখ করবে।
 কিন্তু তাদের সাথে বিয়ে করার গোপন প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখো না। 
 অবশ্য শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী কোন কথা সাব্যস্ত করে নেবে।
 আর নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্তি পর্যায়ে না যাওয়া 
 অবধি বিয়ে করার কোন ইচ্ছা করো না। আর একথা জেনে রেখো যে,
 তোমাদের মনে যে কথা রয়েছে, আল্লাহর তা জানা আছে। 
 কাজেই তাঁকে ভয় করতে থাক। 
 আর জেনে রেখো যে, আল্লাহ ক্ষমাকারী ও ধৈর্য্যশীল।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ235
 আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
 তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।
 অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন
 যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা।
 আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী।
 আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না।
 নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ
 সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ237
 বলুন আমার নামায আমার কোরবানী আমার জীবন
 আমার মরণ সারা জাহানের রব আল্লাহর জন্য ।
 আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ162
 আর সে যে মহিলার ঘরে ছিল, ঐ মহিলা তাকে ফুসলাতে লাগল
 এবং দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল। সে মহিলা বললঃ শুন! তোমাকে বলছি,
 এদিকে আস, সে বললঃ আল্লাহ রক্ষা করুন; তোমার স্বামী আমার মালিক।
 তিনি আমাকে সযত্নে থাকতে দিয়েছেন।
 নিশ্চয় সীমা লংঘনকারীগণ সফল হয় না।
 আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ23
 নিশ্চয় মহিলা তার বিষয়ে চিন্তা করেছিল এবং সেও মহিলার বিষয়ে চিন্তা করত।
 যদি না সে স্বীয় পালনকর্তার মহিমা অবলোকন করত।
 এমনিবাবে হয়েছে, যাতে আমি তার কাছ থেকে মন্দ বিষয় ও নিলজ্জ বিষয় সরিয়ে দেই।
 নিশ্চয় সে আমার মনোনীত বান্দাদের একজন।
  আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ24
আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না।
নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ
 কিন্তু সে নয়-আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন।
 নিশ্চয় আমার পালনকর্তা ক্ষমাশীল, দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ53
  নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই সব লোকদের ভাল বাসেন
  যারা আল্লাহর পথে সারি বদ্ধ ভাবে যুদ্ধ করে
  সুদৃঢ় সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ।
   আল কোরআন সুরা সফ আয়াত ঃ 4
   আর তার আরেকটি নিদর্শন হচ্ছে তোমাদের মধ্যে
   হতে সংগীনি সৃষ্টি করেছেন যেন তোমরা তাদের কাছে
   শান্তি পেতে পার এবং পারস্পারিক ভালবাসা ও দয়া
   সৃষ্টি করেছেন এতে চিন্তাশীলদের জন্য বহু নিদর্শন আছে ।
   আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ21
   ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে
   এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে
   এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ3
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ26
সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট।
তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।
এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা সবর করে এবং
এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।
  আল কোরআন সুরা হা-মীম আয়াত ঃ 34,35

Sunday, 27 October 2019

   ইসলামের দৃষ্টিতে  নারীদের অর্থ উর্পাজন

ইসলামের দৃষ্টিতে নারীদের অর্থ উর্পাজন

নারীদের অর্থ উর্পাজন

আর তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো না এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহ তা’
আলা তোমাদের একের উপর অপরের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। 
পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার অংশ। 
আর আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর।
 নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত।
                                         {আল কোরআন সুরা নিসা আয়াতঃ 32}

Wednesday, 9 October 2019

ইসলাম ধর্মে বিবাহ করার পূর্বে স্ত্রীকে দেনমোহর { টাকা } দিতে হয় ।

ইসলাম ধর্মে বিবাহ করার পূর্বে স্ত্রীকে দেনমোহর { টাকা } দিতে হয় ।



আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।

 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
And give the women (on marriage) their dower as a
 free gift; but if they, of their own good pleasure, 
remit any part of it to you, Take it and enjoy it with right good cheer.
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত : 4


Saturday, 5 October 2019

 স্বামী মৃত্যুর পর সেই কি আবার বিবাহ করতে পারবে ?

স্বামী মৃত্যুর পর সেই কি আবার বিবাহ করতে পারবে ?

   وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে, তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।
If any of you die and leave widows behind, they shall wait concerning themselves four months and ten days: When they have fulfilled their term, there is no blame on you if they dispose of themselves in a just and reasonable manner. And Allah is well acquainted with what ye do.
(235
وَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُم بِهِ مِنْ خِطْبَةِ النِّسَاء أَوْ أَكْنَنتُمْ فِي أَنفُسِكُمْ عَلِمَ اللّهُ أَنَّكُمْ سَتَذْكُرُونَهُنَّ وَلَـكِن لاَّ تُوَاعِدُوهُنَّ سِرًّا إِلاَّ أَن تَقُولُواْ قَوْلاً مَّعْرُوفًا وَلاَ تَعْزِمُواْ عُقْدَةَ النِّكَاحِ حَتَّىَ يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ يَعْلَمُ مَا فِي أَنفُسِكُمْ فَاحْذَرُوهُ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ غَفُورٌ حَلِيمٌ
আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে সে নারীর বিয়ের পয়গাম দাও, কিংবা নিজেদের মনে গোপন রাখ, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই, আল্লাহ জানেন যে, তোমরা অবশ্যই সে নারীদের কথা উল্লেখ করবে। কিন্তু তাদের সাথে বিয়ে করার গোপন প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখো না। অবশ্য শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী কোন কথা সাব্যস্ত করে নেবে। আর নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্তি পর্যায়ে না যাওয়া অবধি বিয়ে করার কোন ইচ্ছা করো না। আর একথা জেনে রেখো যে, তোমাদের মনে যে কথা রয়েছে, আল্লাহর তা জানা আছে। কাজেই তাঁকে ভয় করতে থাক। আর জেনে রেখো যে, আল্লাহ ক্ষমাকারী ও ধৈর্য্যশীল।
There is no blame on you if ye make an offer of betrothal or hold it in your hearts. Allah knows that ye cherish them in your hearts: But do not make a secret contract with them except in terms Honourable, nor resolve on the tie of marriage till the term prescribed is fulfilled. And know that Allah Knoweth what is in your hearts, and take heed of Him; and know that Allah is Oft-forgiving, Most Forbearing.
(236
لاَّ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن طَلَّقْتُمُ النِّسَاء مَا لَمْ تَمَسُّوهُنُّ أَوْ تَفْرِضُواْ لَهُنَّ فَرِيضَةً وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى الْمُوسِعِ قَدَرُهُ وَعَلَى الْمُقْتِرِ قَدْرُهُ مَتَاعًا بِالْمَعْرُوفِ حَقًّا عَلَى الْمُحْسِنِينَ
স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করার আগে এবং কোন মোহর সাব্যস্ত করার পূর্বেও যদি তালাক দিয়ে দাও, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই। তবে তাদেরকে কিছু খরচ দেবে। আর সামর্থ্যবানদের জন্য তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী এবং কম সামর্থ্যবানদের জন্য তাদের সাধ্য অনুযায়ী। যে খরচ প্রচলিত রয়েছে তা সৎকর্মশীলদের উপর দায়িত্ব।
There is no blame on you if ye divorce women before consummation or the fixation of their dower; but bestow on them (A suitable gift), the wealthy according to his means, and the poor according to his means;- A gift of a reasonable amount is due from those who wish to do the right thing.
(237
وَإِن طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِن قَبْلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ لَهُنَّ فَرِيضَةً فَنِصْفُ مَا فَرَضْتُمْ إَلاَّ أَن يَعْفُونَ أَوْ يَعْفُوَ الَّذِي بِيَدِهِ عُقْدَةُ النِّكَاحِ وَأَن تَعْفُواْ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَى وَلاَ تَنسَوُاْ الْفَضْلَ بَيْنَكُمْ إِنَّ اللّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে। অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা। আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী। আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না। নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
And if ye divorce them before consummation, but after the fixation of a dower for them, then the half of the dower (Is due to them), unless they remit it or (the man's half) is remitted by him in whose hands is the marriage tie; and the remission (of the man's half) is the nearest to righteousness. And do not forget Liberality between yourselves. For Allah sees well all that ye do

আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত : 134,235,136,237
তালাক পাপ্ত নারীকে পুনরায় বিবাহ করা যাবে ?

তালাক পাপ্ত নারীকে পুনরায় বিবাহ করা যাবে ?

وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلاَثَةَ قُرُوَءٍ وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ إِن كُنَّ يُؤْمِنَّ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَبُعُولَتُهُنَّ أَحَقُّ بِرَدِّهِنَّ فِي ذَلِكَ إِنْ أَرَادُواْ إِصْلاَحًا وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ وَاللّهُ عَزِيزٌ حَكُيمٌ
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
Divorced women shall wait concerning themselves for three monthly periods. Nor is it lawful for them to hide what Allah Hath created in their wombs, if they have faith in Allah and the Last Day. And their husbands have the better right to take them back in that period, if they wish for reconciliation. And women shall have rights similar to the rights against them, according to what is equitable; but men have a degree (of advantage) over them. And Allah is Exalted in Power, Wise.
(229
الطَّلاَقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ وَلاَ يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُواْ مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلاَّ أَن يَخَافَا أَلاَّ يُقِيمَا حُدُودَ اللّهِ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلاَّ يُقِيمَا حُدُودَ اللّهِ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ تِلْكَ حُدُودُ اللّهِ فَلاَ تَعْتَدُوهَا وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللّهِ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
A divorce is only permissible twice: after that, the parties should either hold Together on equitable terms, or separate with kindness. It is not lawful for you, (Men), to take back any of your gifts (from your wives), except when both parties fear that they would be unable to keep the limits ordained by Allah. If ye (judges) do indeed fear that they would be unable to keep the limits ordained by Allah, there is no blame on either of them if she give something for her freedom. These are the limits ordained by Allah. so do not transgress them if any do transgress the limits ordained by Allah, such persons wrong (Themselves as well as others).
(230
فَإِن طَلَّقَهَا فَلاَ تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىَ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ فَإِن طَلَّقَهَا فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللّهِ وَتِلْكَ حُدُودُ اللّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কতৃêক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
So if a husband divorces his wife (irrevocably), He cannot, after that, re-marry her until after she has married another husband and He has divorced her. In that case there is no blame on either of them if they re-unite, provided they feel that they can keep the limits ordained by Allah. Such are the limits ordained by Allah, which He makes plain to those who understand.
আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত : 228, 229, 230
 অন্য র্ধমের নারীদের বিবাহ করা যাবে না ।

অন্য র্ধমের নারীদের বিবাহ করা যাবে না ।




আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
Do not marry unbelieving women (idolaters), until they believe: A slave woman who believes is better than an unbelieving woman, even though she allures you. Nor marry (your girls) to unbelievers until they believe: A man slave who believes is better than an unbeliever, even though he allures you. Unbelievers do (but) beckon you to the Fire. But Allah beckons by His Grace to the Garden (of bliss) and forgiveness, and makes His Signs clear to mankind: That they may celebrate His praise.
আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত : 221
যাদেরকে বিবাহ করা যাবে না !

যাদেরকে বিবাহ করা যাবে না !

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
Prohibited to you (For marriage) are:- Your mothers, daughters, sisters; father's sisters, Mother's sisters; brother's daughters, sister's daughters; foster-mothers (Who gave you suck), foster-sisters; your wives' mothers; your step-daughters under your guardianship, born of your wives to whom ye have gone in,- no prohibition if ye have not gone in;- (Those who have been) wives of your sons proceeding from your loins; and two sisters in wedlock at one and the same time, except for what is past; for Allah is Oft-forgiving, Most Merciful;-
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত :23

Friday, 4 October 2019

  ইসলাম র্ধমে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ

ইসলাম র্ধমে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ

যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে, তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই। মীমাংসা উত্তম। মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে। যদি তোমরা উত্তম কাজ কর এবং খোদাভীরু হও, তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।
If a wife fears cruelty or desertion on her husband's part, there is no blame on them if they arrange an amicable settlement between themselves; and such settlement is best; even though men's souls are swayed by greed. But if ye do good and practise self-restraint, Allah is well-acquainted with all that ye do.
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত : 128
যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
But if they disagree (and must part), Allah will provide abundance for all from His all-reaching bounty: for Allah is He that careth for all and is Wise.
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত :130 
 তালাক পাপ্ত স্ত্রীর প্রতি আচরন

তালাক পাপ্ত স্ত্রীর প্রতি আচরন

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।
Such of your women as have passed the age of monthly courses, for them the prescribed period, if ye have any doubts, is three months, and for those who have no courses (it is the same): for those who carry (life within their wombs), their period is until they deliver their burdens: and for those who fear Allah, He will make their path easy.
আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত : 4
তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
Let the women live (in 'iddat) in the same style as ye live, according to your means: Annoy them not, so as to restrict them. And if they carry (life in their wombs), then spend (your substance) on them until they deliver their burden: and if they suckle your (offspring), give them their recompense: and take mutual counsel together, according to what is just and reasonable. And if ye find yourselves in difficulties, let another woman suckle (the child) on the (father's) behalf.
আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত: 6

Wednesday, 2 January 2019

বিবাহের জন্য যেমন পাত্র তেমন পাত্রী

বিবাহের জন্য যেমন পাত্র তেমন পাত্রী



দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে ,
এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে,
 এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। 
তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন। তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। [ সুরা নুর ২৪:২৬ ]
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ;
 তাদের প্রত্যেককে একশ' করে বেত্রাঘাত কর।
 আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়,
 যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক।
 মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। [ সুরা নুর ২৪:২ ]
নারীর প্রতি অপবাদ

নারীর প্রতি অপবাদ



যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে 
অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না,
 তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না।
 এরাই না'ফারমান।সুরা নুর ২৪:৪ ]
এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে 
এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, 
এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে,
 সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী। 
সুরা নুর ২৪:৬ ]
এবং পঞ্চমবার বলবে যে, 
যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত।
 [ সুরা নুর ২৪:৭ ]
এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে,
 তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী;
 [ সুরা নুর ২৪:৮ ]
এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয় 
তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে। 
সুরা নুর ২৪:৯ 
যারা সতী-সাধ্বী, নিরীহ ঈমানদার নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, 
তারা ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি।
 [ সুরা নুর ২৪:২৩ ]
যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহবা, 
তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করত; 
সুরা নুর ২৪:২৪ ]
সেদিন আল্লাহ তাদের সমুচিত শাস্তি পুরোপুরি দেবেন 
এবং তারা জানতে পারবে যে, অল্লাহই সত্য, স্পষ্ট ব্যক্তকারী।
 [ সুরা নুর ২৪:২৫ 
স্বামীর সম্পর্ত্তিতে স্ত্রীর অধিার

স্বামীর সম্পর্ত্তিতে স্ত্রীর অধিার


আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, 
যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে।
 যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাং শ ঐ সম্পত্তির,
 যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর,
 যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাং শ হবে ঐ সম্পত্তির,
 যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। 
আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে,
 তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ,
 যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর
, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, 
তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে 
এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, 
তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে।
 আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর,
 যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে
, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর।
 আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
 [ সুরা নিসা ৪:১২ ]

Friday, 28 December 2018

ইসলাম ধর্মে নারীদের জোর করে বিবাহ করা যাবে না !

ইসলাম ধর্মে নারীদের জোর করে বিবাহ করা যাবে না !



হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা ,
তোমাদের জন্যে হালাল নয় এবং তাদেরকে আটক রেখো না ,
যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও; 
কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! 
নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর,
 তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ,
 যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন। [ সুরা নিসা ৪:১৯ ]
আলোচনা ঃ
- এক সময় নারীদের এমন এক অবস্থা ছিল,
 যেখানে বিবাহের ক্ষেতে নারীদের পছনন্দের অপছন্দের কোন দামই ছিল না’
 মা বাাবা ‘ সমাজ যাকে পছন্দ করতো তাকে বিবাহ করতে হতো ।
স্ত্রীর সাথে চাকরের মতো ব্যাবহার করতো ।
 সব সময় তাদের দোষ খুজে বেডাত ।
তাদেরকে মা বাবা সর্ম্পত্তি থেকে বঞ্চীত করা হতো ‘কিন্তু রাসুল (সাঃ) আরবের বুকে জর্ন্ম
 গ্রহণ করার পুরো  আরব সমাজের চেহারা পাল্টে গেল ।
কোন মেয়েকে জোর করে বিবাহ দেওয়া যাবে না,
  বিবাহের আগে তাদের অনুমতি  নিতে হবে ।
তাদের কে টাকা দিয়ে বিবাহ করতে হবে । 
বিবহের পর তাদের যদি ধন সম্পদ দাও ,
জোর করে সেই গুলো ফিরিয়ে নিতে পারবে না।
 তারা যদি ভূল বসত কোন অন্যায়
কাজ করে ফেলে ,তাদের সাথে কষ্ঠোর আচরন করতে পারবে না ।