বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯

পর্দা সর্ম্পকে

পর্দা সর্ম্পকে


পর্দা সর্ম্পকে ..........
  হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না,
  যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর।
  এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
  যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না।
  যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে।
  এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর,
  আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন।
  যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ
  করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই  এবং আল্লাহ জানেন
  তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর।
  মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
  এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
  ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে
  এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান,
  তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে
  এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র,
  স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ,
  তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে,
     তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
    মুমিনগণ,   তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 27-31
   মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি
   তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে,
   দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর।
          এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়।
      এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই।
      তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়,
         এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন।
            আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
            আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ58
  হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা
  খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না।
  তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে
  আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না।
  নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন;
  কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না।
  তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।
  এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ।
  আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়।
  আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
  তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।
  নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র,
  সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই।
  নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 53-55
  যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়,
  তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ58
  

বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !

প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !


                                                প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !







প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !

এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি।
তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন,
আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’
জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’
 অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, ত
 াহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে
 যারা ছিল তারা লড়াই করতো না।
 কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
 অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের।
 আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো,
 কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ253
বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী।
তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও
এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর।
 তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
 তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও।
 আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন
 এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর।
 আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 26,27
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে।
 বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব।
 পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, ত া
 থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 145
অতঃপর তোমাদের উপর শোকের পর শান্তি অবতীর্ণ করলেন,
যা ছিল তন্দ্রার মত। সে তন্দ্রায় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঝিমোচ্ছিল
 আর কেউ কেউ প্রাণের ভয়ে ভাবছিল। আল্লাহ সম্পর্কে তাদের মিথ্যা ধারণা হচ্ছিল মুর্খদের মত।
 তারা বলছিল আমাদের হাতে কি কিছুই করার নেই?
 তুমি বল, সবকিছুই আল্লাহর হাতে। তারা যা কিছু মনে লুকিয়ে রাখে-তোমার নিকট প্রকাশ করে না সে সবও।
 তারা বলে আমাদের হাতে যদি কিছু করার থাকতো, তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না।
 তুমি বল, তোমরা যদি নিজেদের ঘরেও থাকতে তবুও তারা অবশ্যই বেরিয়ে আসত
 নিজেদের অবস্থান থেকে যাদের মৃত্যু লিখে দেয়া হয়েছে।
 তোমাদের বুকে যা রয়েছে তার পরীক্ষা করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা,
 আর তোমাদের অন্তরে যা কিছু রয়েছে তা পরিষ্কার করা ছিল তাঁর কাম্য।
 আল্লাহ মনের গোপন বিষয় জানেন।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 154
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই।
 যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।
 বস্তুতঃ তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে, এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে।
 আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে, বলে দাও,
 এসবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। পক্ষান্তরে তাদের পরিণতি কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা করে না।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 78
আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্ট দেন, তবে তিনি ব্যতীত তা অপসারণকারী কেউ নেই।
 পক্ষান্তরে যদি তোমার মঙ্গল করেন, তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
 তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 17,18
আর যদি তাদের বিমুখতা আপনার পক্ষে কষ্টকর হয়, তবে আপনি যদি ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ
অথবা আকাশে কোন সিড়ি অনুসন্ধান করতে সমর্থ হন, অতঃপর তাদের কাছে কোন
 একটি মোজেযা আনতে পারেন, তবে নিয়ে আসুন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে
 সবাইকে সরল পথে সমবেত করতে পারতেন।
 অতএব, আপনি নির্বোধদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 35
যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 39
অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন
 এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক
 সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে।
 এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না।
 আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 125
যাকে আল্লাহ পথ দেখাবেন, সেই পথপ্রাপ্ত হবে।
 আর যাকে তিনি পথ ভ্রষ্ট করবেন, সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত।
 আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ।
 তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না,
 আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না।
 তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর।
 তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।
আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 178, 179
নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে
 ছয় দিনে, অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
 তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ সুপারিশ করতে পাবে না
 তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা।
 অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা কর না ?
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ3
তুমি বল, আমি আমার নিজের ক্ষতি কিংবা লাভেরও মালিক নই,
কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই একেকটি ওয়াদা রয়েছে,
 যখন তাদের সে ওয়াদা এসে পৌঁছে যাবে, তখন না
 একদন্ড পেছনে সরতে পারবে, না সামনে ফসকাতে পারবে,।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 49
সুতরাং কোন জনপদ কেন এমন হল না যা ঈমান এনেছে অতঃপর তার সে ঈমান গ্রহণ হয়েছে কল্যাণকর?
 অবশ্য ইউনুসের সম্প্রদায়ের কথা আলাদা। তারা যখন ঈমান আনে তখন আমি তুলে নেই তাদের উপর
 থেকে অপমানজনক আযাব-পার্থিব জীবনে এবং তাদের কে কল্যাণ পৌছাই এক নিধারিত সময় পর্যন্ত।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ98
সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র তোমার সত্তা হে আল্লাহ’।
 আর শুভেচ্ছা হল সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 10
আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন।
 পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
আল কোরআন সুরা ইব্রাহিম আয়াত ঃ 27
সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে।
 তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 9
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন
এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন।
 তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 90
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি,
 যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য।
 তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়।
 অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি।
 আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে।
 আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 35
যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে।
 এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না
 এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে দেন।
 আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
আল কোরআন সুরা নুর  আয়াত ঃ39
আপনার পালনকর্তা যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং পছন্দ করেন।
তাদের কোন ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পবিত্র এবং তারা যাকে শরীক করে, তা থেকে উর্ধ্বে।
আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 68
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন
 এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন।
 আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি।
 এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।
আল কোরআন সুরা সাজদা আয়াত ঃ 12
যখন তাদের কাছে রসূলগণ এসেছিলেন সম্মুখ দিক থেকে
 এবং পিছন দিক থেকে এ কথা বলতে যে, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারও পূজা করো না।
 তারা বলেছিল, আমাদের পালনকর্তা ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন,
 অতএব, আমরা তোমাদের আনীত বিষয় অমান্য করলাম।
আল কোরআন সুরা সাজদা  আয়াত ঃ 14
অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল।
 আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।
আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 53
অহংকার করে এ বিষয়ে অর্থহীন গল্প-গুজব করে যেতে।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 67
ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে?
 নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে।
 শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে।
 আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব।
 এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।
 তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।
আল কোরআন সুরা আশুরা আয়াত ঃ 49,50
অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।
আল কোরআন সুরা রহমান আয়াত ঃ 49,50
অতঃপর তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে।
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 41
অতঃপর তুমি তোমার পালনকর্তার কোন অনুগ্রহকে মিথ্যা বলবে?
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 55
পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর কোন বিপদ আসে না;
কিন্তু তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
আল কোরআন সুরা হাদীদ আয়াত ঃ 22

সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯

 মহান আল্লাহর জ্ঞান সব কিছুকে পরিবেষ্টন কারী ?

মহান আল্লাহর জ্ঞান সব কিছুকে পরিবেষ্টন কারী ?



  মহান আল্লাহর জ্ঞান সব কিছুকে পরিবেষ্টন কারী ?
  আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। 
  তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।
  আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, 
  যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে
  যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে 
  তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।
  তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।
  আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়।
  তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 255
   নাযিল করেছেন তাওরত ও ইঞ্জিল, এ কিতাবের পূর্বে,
   মানুষের হেদায়েতের জন্যে এবং অবতীর্ণ করেছেন মীমাংসা।
   নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করে,
   তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।
   আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশীল, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
    আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ  4
 মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।
 যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না।
 তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, 
 তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা 
 তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। 
 এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।
  আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 29
  তিনিই আল্লাহ নভোমন্ডলে এবং ভূমন্ডলে।
  তিনি তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় জানেন
  এবং তোমরা যা কর তাও অবগত।
   আল কোরআন সুরা আান আম আয়াত ঃ 3
তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। 
এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না।
 স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। 
 কোন পাতা ঝরে না; কিন্তু তিনি তা জানেন।
 কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং 
 কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; 
 কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে।
 আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 59
বস্তুতঃ যে কোন অবস্থাতেই তুমি থাক এবং
 কোরআনের যে কোন অংশ থেকেই পাঠ করা কিংবা
 যে কোন কাজই তোমরা কর অথচ আমি তোমাদের নিকটে উপস্থিত থাকি
 যখন তোমরা তাতে আত্ননিয়োগ কর।
 আর তোমার পরওয়ারদেগার থেকে গোপন থাকে না একটি কনাও,
 না যমীনের এবং না আসমানের।
 না এর চেয়ে ক্ষুদ্র কোন কিছু আছে, না বড় যা এই প্রকৃষ্ট কিতাবে নেই।
 আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 61
বং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র রয়েছে-একটি অপরটির সাথে সংলগ্ন
 এবং আঙ্গুরের বাগান আছে আর শস্য ও খজ্জêুর রয়েছে-একটির মূল অপরটির সাথে মিলিত 
 এবং কতক মিলিত নয়। এগুলো কে একই পানি দ্বারা সেচ করা হয়।
 আর আমি স্বাদে একটিকে অপরটির চাইতে উৎকৃষ্টতর করে দেই।
 এগুলোর মধ্যে নিদর্শণ রয়েছে তাদের জন্য যারা চিন্তা ভাবনা করে।
 আল কোরআন সুরা রা আদ আয়াত ঃ 8
তোমাদের মধ্যে কেউ গোপনে কথা বলুক বা তা সশব্দে প্রকাশ করুক,
রাতের অন্ধকারে সে আত্নগোপন করুক বা প্রকাশ্য দিবালোকে বিচরণ করুক, সবাই তাঁর নিকট সমান।
 আল কোরআন সুরা রাআদ আয়াত ঃ 10 
 জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না
 তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।
  আল কোরআন সুরা ইব্রাহিম আয়াত ঃ 42
আমি জেনে রেখেছি তোমাদের অগ্রগামীদেরকে এবং আমি জেনে রেখেছি পশ্চাদগামীদেরকে।
 আল কোরআন সুরা হিজর আয়াত ঃ  24
যদি তুমি উচ্চকন্ঠেও কথা বল, তিনি তো গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয়বস্তু জানেন।
 আল কোরআন সুরা ত্বোহা আয়াত ঃ  7
নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই কেয়ামতের জ্ঞান রয়েছে।
 তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং গর্ভাশয়ে যা থাকে,
 তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকল্য সে কি উপার্জন করবে
 এবং কেউ জানে না কোন দেশে সে মৃত্যুবরণ করবে।
 আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
 আল কোরআন সুরা লোকমান আয়াত ঃ 34
তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়,
 যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় এবং যা আকাশে উত্থিত হয়। 
 তিনি পরম দয়ালু ক্ষমাশীল।
 কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। 
 বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে।
 তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় 
 অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
 আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 2,3
আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে,
 অতঃপর বীর্য থেকে, তারপর করেছেন তোমাদেরকে যুগল।
 কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং সন্তান প্রসব করে না;
 কিন্তু তাঁর জ্ঞাতসারে। কোন বয়স্ক ব্যক্তি বয়স পায় না।
 এবং তার বয়স হ্রাস পায় না; কিন্তু তা লিখিত আছে কিতাবে।
 নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
 আল কোরআন সুরা ফাতির আয়াত ঃ  11
 যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন,
 তবে ভুপৃষ্ঠে চলমানকাউকে ছেড়ে দিতেন না।
 কিন্তু তিনি এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন।
 অতঃপর যখন সে নির্দিষ্ট মেয়াদ এসে যাবে
 তখন আল্লাহর সব বান্দা তাঁর দৃষ্টিতে থাকবে।
  আল কোরআন সুরা ফাতির আয়াত ঃ 45
কেয়ামতের জ্ঞান একমাত্র তাঁরই জানা।
তাঁর জ্ঞানের বাইরে কোন ফল আবরণমুক্ত হয় না।
এবং কোন নারী গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব করে না।
 যেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, আমার শরীকরা কোথায়?
 সেদিন তারা বলবে, আমরা আপনাকে বলে দিয়েছি যে, আমাদের কেউ এটা স্বীকার করে না।
 আল কোরআন সুরা হা-মীম সাজদা আয়াত ঃ 47
যারা বড় বড় গোনাহ ও অশ্লীলকার্য থেকে বেঁচে থাকে
ছোটখাট অপরাধ করলেও নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার ক্ষমা সুদূর বিস্তৃত।
 তিনি তোমাদের সম্পর্কে ভাল জানেন, যখন তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মৃত্তিকা থেকে
 এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে কচি শিশু ছিলে।
 অতএব তোমরা আত্নপ্রশংসা করো না। তিনি ভাল জানেন কে সংযমী।
 আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 32
তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়দিনে,
অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন।
 তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয়
 এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়।
 তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক।
 তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।
 আল কোরআন সুরা হাদিদ আয়াত ঃ 4
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
 আল কোরআন সুরা জ্বীন আয়াত ঃ  26 
দুনিয়ার সূচনা এবং হযরত আদম আঃ  ও সকল প্রাণীর সৃষ্টি সর্ম্পকে ?

দুনিয়ার সূচনা এবং হযরত আদম আঃ ও সকল প্রাণীর সৃষ্টি সর্ম্পকে ?




দুনিয়ার সূচনা এবং হযরত আদম আঃ  ও সকল প্রাণীর সৃষ্টি সর্ম্পকে ?
আমি তোমার নিকট উত্তম কাহিনী বর্ণনা করেছি,
 যেমতে আমি এ কোরআন তোমার নিকট অবতীর্ণ করেছি।
 তুমি এর আগে অবশ্যই এ ব্যাপারে অনবহিতদের অন্তর্ভূক্ত ছিলে।
 আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ3
আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি।
এবং জিনকে এর আগে লু এর আগুনের দ্বারা সৃজিত করেছি।
   আল কোরআন সুরা হিজর আয়াত ঃ 26,27
   আল্লাহ প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
   তাদের কতক বুকে ভয় দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে ভর দিয়ে চলে
   এবং কতক চার পায়ে ভর দিয়ে চলে; আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন।
   নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 45
বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে
এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।
তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন,
তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার
খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ,
অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে
আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।
আল কোরআন সুরা হা-মীম সাজদা আয়াত ঃ 9-11
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন
এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
  আল কোরআন নাযিআত আয়াত ঃ 29
  তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
  আল কোরআন নাযিআত আয়াত ঃ33

পর্দাথ বিজ্ঞান

পর্দাথ বিজ্ঞান



পর্দাথ বিজ্ঞান ....
 তিনি সকল যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের
 জন্য নৌযান ও জন্তু সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা আহরণ কর ।
  আল কোর আন সুরা যুখরুফ আয়াত ঃ 12
  আর যিনি আকাশ হতে পরিমিত বৃষ্টি বর্ষণ করে,
  তারপর আমি সে পানির সার্হায্যে মৃত ভূমিকে জীবিত করি,
 এ ভাবে তোমরা ও উপস্থিত হবে ।
  আল কোর আন সুরা যুখরুফ আয়াত ঃ 11
  আমি ভু-পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি
  এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি
    আল কোর আন সুরা হিজর আয়াত ঃ 19
আমি বৃষ্টিগর্ভ বায়ু পরিচালনা করি অতঃপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি,
এরপর তোমাদেরকে তা পান করাই। বস্তুতঃ তোমাদের কাছে এর ভান্ডার নেই।
আল কোর আন সুরা হিজর আয়াত ঃ 22
আর যখন ধারণাতীত হতে রিযিক দিবেন যে,
আল্লাহতে ভরসা করে তার জন্য তিনি যথেষ্ট
নিশ্চয়ই আল্লাহ তার নিজের ইচ্ছা পূরণ কারী ,
প্রত্যেক বস্তুর মাত্রা নিদিষ্ট স্থির করেছেন ।
আল কোর আন সুরা তালাক আয়াত ঃ 3

কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। 
বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে।
 তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে 
 ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, 
 না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
আল কোর আন সুরা সাবা আয়াত ঃ  3
তিনি জানেন যা কিছু প্রবেশ করে যমিনে ,
এবং যা কিছু তথা বের হয় এবং যা আকাশ হতে
পতিত হয় এবং যা কিছু সেখানে উস্থিত হয় ,
তিনি পরম দয়ালু  অত্যান্ত ক্ষমাশীল ।
আল কোর আন সুরা হিজর আয়াত ঃ 2

রসায়ন বিজ্ঞান.....

রসায়ন বিজ্ঞান.....



রসায়ন বিজ্ঞান.......
 কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী 
 ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম
 এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম।
 এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?
  আল কোর আন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ 30
  নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য রয়েছে চতু সম্পদ 
  জন্তুর মধ্যে ,তাদের উদর স্থিত গোবর ও রক্তের 
  মধ্যে হতে তোমাদেরকে পান করাই খাটি দুধ,
  যা, পান কারীকে তৃপ্তি করে ।
   আল কোর আন সুরা নাহল আয়াত ঃ 66
ীর্য পাত সর্ম্পকে তোমরা কি বেভেছ ।
তা কি তোমরা সৃষ্টি করেছ নাকি আমি সৃষ্টি করেছি   ।
 আল কোর আন সুরা ওয়াকিয়া আয়াত ঃ 59,60
গ্রহ গতি বিজ্ঞান

গ্রহ গতি বিজ্ঞান




গ্রহ গতি বিজ্ঞান .....
 আর তিনি রাত এবং দিন সূর্য ও চন্দ্র সৃষ্টি করেছেন,
 প্রত্যেকে আপন আপন কক্ষ পথে বিচরণ করে ।
 আল কোর আন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ 33
 সূর্যের সাধ্য নেই যে, সে চন্দ্রের নাগাল পায় ,
 রাত দিনকে অতিক্রম করে না,
 প্রত্যেকে আপন আপন কক্ষ পথে চলে ।
  আল কোর আন সুরা ইয়াসীন আয়াত ঃ 40
  নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ।
  তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।
  অতঃপর আরশের উপর অধিষ্টিত হয়েছেন।
  তিনি পরিয়ে দেন রাতের উপর দিনকে এমতাবস্থায় যে,
  দিন দৌড়ে রাতের পিছনে আসে। তিনি সৃষ্টি করেছেন সূর্য, চন্দ্র
  ও নক্ষত্র দৌড় স্বীয় আদেশের অনুগামী। শুনে রেখ,
  তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা।
  আল্লাহ, বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক।
   আল কোর আন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 54
   মহান সত্বাই আকাশ মন্ডলে নক্ষত্র পুঞ্জ সৃষ্টি করেছেন,
   এবং তাতে জ্যোর্তিময় চন্দ্র স্থাপন করেছেন । 
   আল কোর আন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ61 

রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯

জীব বিজ্ঞান

জীব বিজ্ঞান



জীব বিজ্ঞান.....
এবং আল্লাহ পানি হতে সকল জীব সৃষ্টি করেছেন ,
এদের কিছু পেটের ওপর ভর দিয়ে চলে আর 
কিছু দু পায়ের ওপর ভর দিয়ে চলাচল করে 
আর কিছু চলাচল করে চারি পায়ের ওপর ভর দিয়ে 
আল্লাহ  ইচ্ছা মত সৃষ্টি করেন , আল্লাহ সর্বশক্তিমান ।
আল কোর আন সুরা নুর আয়াত ঃ45
তিনি আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টা ,তিনি তোমাদের
জন্য তোমাদের মধ্যে জোড়া সৃষ্টি করলেন ,
চতু সম্পদ জন্তুর মধ্যেও জোড়া এ ভাবেই
তিনি বংশ বিস্তার করেন ,তার মত কেউ নেই  তিনি সব শুনেন দেখেন,
 আল কোর আন সুরা শুরা আয়াত ঃ 11
 তিনি তোমাদেরকে এক ব্যাক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন
 আর তা হতে তার স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন যেন তার
 কাছে সে শান্তি পায় , অতঃপর যখন সঙ্গম করে
 তখন সে লঘু গর্ভ ধারণ করে এবং অক্লেশে চলাফেরা করে ,
 যখন গর্ভভারী হয়  তখন উভয়েই তাদের রবকে
 ডাকে যদি আমাদেরকে সুসন্তান দাও তবে আমরা কৃতজ্ঞ হবো ।
 আল কোর আন সুরা আরাফ আয়াত ঃ189
 এবং তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল-পুরুষ ও নারী।
 একবিন্দু বীর্য থেকে যখন স্খলিত করা হয়।
আল কোর আন সুরা নাজম আয়াত ঃ  45,46

কৃষি বিজ্ঞান

কৃষি বিজ্ঞান




কৃষি বিজ্ঞান....
আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান
 এবং প্রবাহিত করি তাতে নির্ঝরিণী ।
যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত একে সৃষ্টি করে না।
অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না কেন?
আল কোর আন সুরা ইয়াসীন আয়াত ঃ 33,34
আপনি কি দেখেন না , আল্লাহ আকাশ হতে পানি 
বর্ষণ করেন যমিনে নদী সমূহ পূর্ণ করেদেন 
অতঃপর তা দিয়ে বিভিন্ন রং এর শস্য ফলিয়ে থাকেন 
পরে যখন শুকায়ে পীতবর্ণ দেখে থাকেন তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ 
খড়-কুটায় পরিনত করেন ! 
এতে  রয়েছে যারা জ্ঞানী তাদের জন্য উপদেশ  ।
আল কোর আন সুরা যুমার আয়াত ঃ 21
হে লোকসকল! যদি তোমরা পুনরুত্থানের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ হও,
 তবে (ভেবে দেখ-) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি।
 এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট
 ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্যে।
 আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে মাতৃগর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই,
 এরপর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি;
 তারপর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পণ কর।
 তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হয়
 এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে নিষ্কর্মা বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়,
 যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না।
 তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর
 আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায়
 এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।
আল কোর আন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 5

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান





গার্হস্থ্য বিজ্ঞান......
 নিশ্চয়ই পুনবাননেরা এমন পানি পান করবে,
 যাতে র্কাপুর মিশ্রিত থাকবে ।
 আল কোরআন সুরা দাহর আয়াত ঃ 5
 তাদেরকে পরিবেশন করা হবে রূপার পাত্রে এবং স্ফটিকের মত পানপাত্রে।
 আল কোরআন সুরা দাহর আয়াতঃ15
 রূপালী স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা তা পরিমাপ করে পূর্ণ করবে।
 আল কোরআন সুরা দাহর আয়াতঃ 16
 তাদের আবরণ হবে চিকন সবুজ রেশম ও মোটা সবুজ রেশম
 এবং তাদেরকে পরিধান করোনো হবে রৌপ্য নির্মিত কংকণ
 এবং তাদের পালনকর্তা তাদেরকে পান করাবেন ‘শরাবান-তহুরা’।
 আল কোরআন সুরা দাহর আয়াতঃ 21
 এবং ঐ বৃক্ষ সৃষ্টি করেছি, যা সিনাই পর্বতে জন্মায়
 এবং আহারকারীদের জন্যে তৈল ও ব্যঞ্জন উৎপন্ন করে।
 আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াতঃ 20


যৌবন বিজ্ঞান....

যৌবন বিজ্ঞান....



যৌবন বিজ্ঞান.....
 হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, 
 যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর।
 এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 27
 মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে
 এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
 এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে।
 নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ30
 ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে
 এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে।
 তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে
 এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে
 এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা
 , ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ,
 ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত 
 কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের 
 গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
 মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, 
 যাতে তোমরা সফলকাম হও।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ31
 যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে
 যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন।
 তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়,
 তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে,
 তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন,
 তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে
 তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না
 । যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর
 জোর-জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
 আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ33
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, 
 অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়,
 তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও 
 অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও। 
 আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি
 করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না।
 আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।
 আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না।
 আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে
 এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর
 নাযিল করা হয়েছে যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। 
 আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ231
 আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত।
 আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে,
 তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়।
 আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে
 নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
 আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে,
 তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী।
 আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।
 আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ228
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও 
 এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে, 
 তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে
 নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না।
 এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও 
 কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
 এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা।
 আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ232

ভূ- বিজ্ঞান.....

ভূ- বিজ্ঞান.....



ভূ- বিজ্ঞান.....
 আর আমি যমিনে পর্বত সৃষ্টি করলাম যেন ঢেলতে
 না পারে এবং আমি তথায় তাদের চলার জন্য
 প্রশস্ত পথ নির্মান করে রেখেছি ।
 আল কোরআন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ30
 তিনি তোমাদের জন্য ভূমিকে করেছেন ব্যবহার যোগ্য
 তোমরা দিগন্তে বিচরণ কর রিযিক খাও তার কাছে যাবে ।
 আল কোরআন সুরা মুলক আয়াত ঃ15
 আর তিনি যমিনে পর্বত স্থাপন করেছেন যে,
 তোমাদের নিয়ে তা অবিচল থাকে আর নদ-নদী
 ও নানান রাস্তা যেন পথ পাও ।
 আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 15
প্রেম বিজ্ঞান

প্রেম বিজ্ঞান



প্রেম বিজ্ঞান.....
 আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে সে নারীর বিয়ের পয়গাম দাও,
 কিংবা নিজেদের মনে গোপন রাখ, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই, 
 আল্লাহ জানেন যে, তোমরা অবশ্যই সে নারীদের কথা উল্লেখ করবে।
 কিন্তু তাদের সাথে বিয়ে করার গোপন প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখো না। 
 অবশ্য শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী কোন কথা সাব্যস্ত করে নেবে।
 আর নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্তি পর্যায়ে না যাওয়া 
 অবধি বিয়ে করার কোন ইচ্ছা করো না। আর একথা জেনে রেখো যে,
 তোমাদের মনে যে কথা রয়েছে, আল্লাহর তা জানা আছে। 
 কাজেই তাঁকে ভয় করতে থাক। 
 আর জেনে রেখো যে, আল্লাহ ক্ষমাকারী ও ধৈর্য্যশীল।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ235
 আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
 তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।
 অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন
 যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা।
 আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী।
 আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না।
 নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ
 সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ237
 বলুন আমার নামায আমার কোরবানী আমার জীবন
 আমার মরণ সারা জাহানের রব আল্লাহর জন্য ।
 আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ162
 আর সে যে মহিলার ঘরে ছিল, ঐ মহিলা তাকে ফুসলাতে লাগল
 এবং দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল। সে মহিলা বললঃ শুন! তোমাকে বলছি,
 এদিকে আস, সে বললঃ আল্লাহ রক্ষা করুন; তোমার স্বামী আমার মালিক।
 তিনি আমাকে সযত্নে থাকতে দিয়েছেন।
 নিশ্চয় সীমা লংঘনকারীগণ সফল হয় না।
 আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ23
 নিশ্চয় মহিলা তার বিষয়ে চিন্তা করেছিল এবং সেও মহিলার বিষয়ে চিন্তা করত।
 যদি না সে স্বীয় পালনকর্তার মহিমা অবলোকন করত।
 এমনিবাবে হয়েছে, যাতে আমি তার কাছ থেকে মন্দ বিষয় ও নিলজ্জ বিষয় সরিয়ে দেই।
 নিশ্চয় সে আমার মনোনীত বান্দাদের একজন।
  আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ24
আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না।
নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ
 কিন্তু সে নয়-আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন।
 নিশ্চয় আমার পালনকর্তা ক্ষমাশীল, দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ53
  নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই সব লোকদের ভাল বাসেন
  যারা আল্লাহর পথে সারি বদ্ধ ভাবে যুদ্ধ করে
  সুদৃঢ় সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ।
   আল কোরআন সুরা সফ আয়াত ঃ 4
   আর তার আরেকটি নিদর্শন হচ্ছে তোমাদের মধ্যে
   হতে সংগীনি সৃষ্টি করেছেন যেন তোমরা তাদের কাছে
   শান্তি পেতে পার এবং পারস্পারিক ভালবাসা ও দয়া
   সৃষ্টি করেছেন এতে চিন্তাশীলদের জন্য বহু নিদর্শন আছে ।
   আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ21
   ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে
   এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে
   এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ3
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ26
সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট।
তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।
এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা সবর করে এবং
এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।
  আল কোরআন সুরা হা-মীম আয়াত ঃ 34,35

  হিসাব বিজ্ঞান......

হিসাব বিজ্ঞান......



 
  হিসাব বিজ্ঞান......
তারা রবের বাণী পৌঁছিয়েছেন কি না তা জানার
জন্য তিনি তাদের সব কিছু আয়ত্বে রেখেছেন ,
সব কিছুর সংখ্যা তিনি অবগত আছেন ।
 আল কোরআন সুরা জ্বীন আয়াত ঃ 28
 আল্লাহ কি শ্রেষ্ঠ বিচারক নয় ।
  আল কোরআন সুরা ত্বীন আয়াত ঃ8
  অতঃপর তাদের হিসাব নেয়ার দায়িত্ব আমার ওপর ।
   আল কোরআন সুরা গাশিয়া আয়াত ঃ 26
   অতঃপর অণু পরিমান নেক আমলকারী
   ও তা অবলোকন করতে পারবে ।
   আর অণু পরিমান বদ কাজ করলেও তাও দেখতে পাবে ।
    আল কোরআন সুরা যিলযাল আয়াত ঃ 7,8
তিনি এমন সত্তা যিনি সূর্যকে করেছেন জ্যোর্তিময় 
আর চন্দ্রকে আলোকময় এবং এ জন্য মনযিল
যেন বছর গননা ও হিসাব জানতে পার 
আল্লাহ এটা যথার্থই সৃষ্টি করেছেন 
তিনি বর্ণনা করেন আয়াত সমূহ 
সেসব লোকদের জন্য যারা জ্ঞানবান  ।
 আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ5
 আর এতীমদের পরীক্ষা করে নেবে বিয়ের বয়স হওয়া পর্যন্ত,
 তাদের মধ্যে ভাল-মন্দ বিচারের জ্ঞান দেখতে পেলে 
 তাদের সম্পদ তাদেরকে দিয়ে দাও , বড় হয়ে ফেরত
 নেবে ভেবে অন্যায় ভাবে তাড়াতাড়ি ওটা খেয়ো না,
 যে, ধনী সে যেন এতীমদের মাল খরচ করা থেকে দুরে থাকে ,
 গরীব হলে সংগত পরিমান ভোগ করবে , তাদের 
 সম্পদ ফেরত দেয়ার সময় সাক্ষী রেখো ,
 অবশ্যই হিসাব গ্রহণে আল্লাহ  যথেষ্ট ।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 6

শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯

উদ্ভিদ বিজ্ঞান....

উদ্ভিদ বিজ্ঞান....



উদ্ভিদ বিজ্ঞান....
এবং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র রয়েছে-একটি অপরটির সাথে সংলগ্ন
 এবং আঙ্গুরের বাগান আছে আর শস্য ও খেজ্জুর রয়েছে-
 একটির মূল অপরটির সাথে মিলিত এবং কতক মিলিত নয়। 
 এগুলো কে একই পানি দ্বারা সেচ করা হয়।
 আর আমি স্বাদে একটিকে অপরটির চাইতে উৎকৃষ্টতর করে দেই। 
 এগুলোর মধ্যে নিদর্শণ রয়েছে তাদের জন্য যারা চিন্তা ভাবনা করে।
আল কোরআন সুরা রাআদ আয়াত ঃ4
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন 
এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন
 এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।
আল কোরআন সুরা ত্বোহা আয়াত ঃ53
আর যমিনকে বিস্তৃত করলেন ।
আল কোরআন সুরা নাযিয়াত আয়াত ঃ 30
তা থেকে বের করলেন পানি ও তৃণসমূহ ।
আল কোরআন সুরা নাযিয়াত আয়াত ঃ 31
ভ্রণ বিজ্ঞান ..

ভ্রণ বিজ্ঞান ..


ভ্রণ বিজ্ঞান .......
তিনি বীর্য হতে মানুষ সৃষ্টি করলেন অথচ
মানুষ এখন স্পষ্ট ঝড়াটে ।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 4
 মানুকে মিলিত বীর্য হতে সৃষ্টি করেছি, তাকে পরীক্ষা করার জন্য
আর এ জন্য তাকে শ্রবণ শক্তি ও দৃষ্টি সম্পন্ন করেছি  ।
আল কোরআন সুরা সাজদা আয়াত ঃ 8
আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।
অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি।
এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি,
 অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি, 
 এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি,
 অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত করেছি,
 অবশেষে তাকে নতুন রূপে দাঁড় করিয়েছি। 
 নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 12-14 


প্রজনন বিজ্ঞান....

প্রজনন বিজ্ঞান....

প্রজনন বিজ্ঞান....
তিনি বীর্য হতে মানুষ সৃষ্টি করলেন অথচ
মানুষ এখন স্পষ্ট ঝড়াটে ।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 4
তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে স্ববেগে নির্গত পানি হতে 
যা, পিট ও বুকের মধ্যে হতে নির্গত হয় ।
আল কোরআন সুরা ত্বোয়ারিক আয়াত ঃ 6,7
অথচ তিনি তোমাদেরকে পর্যযায় ক্রমে সৃষ্টি করেছেন ।
আল কোরআন সুরা নুহ আয়াত ঃ 14
মানুকে মিলিত বীর্য হতে সৃষ্টি করেছি, তাকে পরীক্ষা করার জন্য
আর এ জন্য তাকে শ্রবণ শক্তি ও দৃষ্টি সম্পন্ন করেছি  ।
আল কোরআন সুরা দাহর আয়াত ঃ2
মানুষ কি ভাবে যে, তাকে এমনিতে ছেড়ে দেওয়া হবে
? সে কি স্থলিত শক্র বিন্দু ছিল না ।
পরে সে জমাট রক্ত পিন্ডে পরিনত হয়েছিল 
তিনি তাকে মানব আকৃতি সৃষ্টি করলেন ।
অতঃপর তা হতে যুগল নর-নারী সৃষ্টি করলেন ।
আল কোরআন সুরা ক্বিয়ামাহ আয়াত ঃ 36-39
স্থাপত্য বিজ্ঞান....

স্থাপত্য বিজ্ঞান....

স্থাপত্য বিজ্ঞান....
  তিনি সাত আসমানকে সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে,
  তুমি আল্লাহর এ সৃষ্টিতে কোন ত্রুটি দেখতে পাবেনা,
  সুতারং পুনরায় দৃষ্টি ফেরাও , কোন ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয় কি ?
  আল কোরআন সুরা মুলক আয়াত ঃ 3
তিনি খুঁটি ব্যতীত আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করেছেন; 
তোমরা তা দেখছ। তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা,
 যাতে পৃথিবী তোমাদেরকে নিয়ে ঢলে না পড়ে এবং 
 এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বপ্রকার জন্তু। 
 আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছি, 
 অতঃপর তাতে উদগত করেছি সর্বপ্রকার কল্যাণকর উদ্ভিদরাজি।  
আল কোরআন সুরা লোকমান আয়াত ঃ10
আমি পৃথিবীস্থ সব কিছুকে পৃথিবীর জন্যে শোভা করেছি, 
যাতে লোকদের পরীক্ষা করি যে, তাদের মধ্যে কে ভাল কাজ করে।
আল কোরআন সুরা কাফ আয়াত ঃ 7
আমি তোমাদের উপর সুপ্তপথ সৃষ্টি করেছি
এবং আমি সৃষ্টি সম্বন্ধে অনবধান নই।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 17
পানি বিজ্ঞান....

পানি বিজ্ঞান....

পানি বিজ্ঞান......
আপনি কি দেখেন না যে ,আল্লাহ মেঘ চালনা করেন ,
পরে তা একত্রে করেন , পরে তা স্তরীভূত করেন ,
আর আপনি কি দেখেন না যে, তা থেকে বৃষ্টি নির্গত হয় ।
আকাশ মন্ডলীর শিলা স্তুপ হতে তিনি শিলা বর্ষণ করেন ।
আর তা দিয়ে তিনি যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং
যার নিকট থেকে ইচ্ছা দূরে সরিয়ে দেন
তার বিদ্যুত ঝলক দৃষ্টিশক্তি হরণ করতে চায় ।
                                                                               আল কোরআন সুরা নুর আযাত ঃ43
বং আল্লাহ পানি হতে সকল জীব সৃষ্টি করেছেন 
এদের কিছু চলাচল করে দুই পায়ের উপর
ভর দিয়ে , কিছু পেটের উপর দিয়ে চলাচল  করে,
আল্লাহ ইচ্ছা মত সৃষ্টি করেন নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশক্তিমান ।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 45
আপনি কি দেখেনা আল্লাহ আকাশ হতে
বৃষ্টি বর্ষন করে, যমিনে নদী সমূহ পূর্ণ করে দেন
অতঃপর তা দিয়ে বিভিন্ন রং এর শস্য ফলিয়ে থাকেন ,
পরে যখন শুকায়ে পীতবর্ণ দেখে থাকেন ,তাকে
চূর্ণ -বিচূর্ণ খড় কুটায় পরিণত করেন ,
এতে রয়েছে যারা জ্ঞানী তাদের জন্য উপদেশ
আল কোরআন সুরা যুমা আয়াত : 21
  তোমরা কি পানি সর্ম্পকে ভেবেছ ,যে পানি 
  পান তোমরা করে থাক ! তোমরা কি মেঘ হতে 
  বর্ষণ করাও না আমি করাই ? আমি ।
  আল কোরআন সুরা ওয়াকিয়া আয়াত ঃ 68-70
  
নৃ -বিজ্ঞান....

নৃ -বিজ্ঞান....




নৃ -বিজ্ঞান....
 তিনিই তোমাদেরকে মাটির দ্বারা সৃষ্টি করেছেন,
 অতঃপর নির্দিষ্টকাল নির্ধারণ করেছেন।
 আর অপর নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে আছে। 
 তথাপি তোমরা সন্দেহ কর
  আল কোরআন সুরা সুরা আন আম আয়াত ঃ 2
  তারা কি দেখেনি যে, আমি তাদের পুর্বে কত
  সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছি, যাদেরকে আমি পৃথিবীতে
  এমন প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, যা তোমাদেরকে দেইনি।
  আমি আকাশকে তাদের উপর অনবরত বৃষ্টি বর্ষণ করতে দিয়েছি
  এবং তাদের তলদেশে নদী সৃষ্টি করে দিয়েছি,
  অতঃপর আমি তাদেরকে তাদের পাপের কারণে ধ্বংস করে দিয়েছি
  এবং তাদের পরে অন্য সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
আল কোরআন সুরা সুরা আন আম আয়াত ঃ6
নিশ্চয়ই আমি আমার রাসুলদের প্রেরণ করেছি প্রমাণ সহ ,
এবং তাদের দিয়েছি কিতাব ও তুলা দন্ড যেন,
তারা ইনসাফের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে ,
আর আমি লোহা ও দিয়েছি যাতে আছে মানুষের
জন্য মহাশক্তি ও বহু কল্যাণ এটা এজন্য প্রকাশ করে
দিবেন যেন ,কে দেখে , কে না দেখে আল্লাহ ও
তার রাসুলকে সাহার্য্য করে , আল্লাহ শক্তিমান পরাক্রমশালী ।
আল কোরআন সুরা সুরা হাদিদ আয়াত ঃ25