মানবতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মানবতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

করোনাভাইরাস: পাঁচটি দেশ ফিরিয়ে দেবার পর অবশেষে বন্দর পেলো জাহাজটি

করোনাভাইরাস: পাঁচটি দেশ ফিরিয়ে দেবার পর অবশেষে বন্দর পেলো জাহাজটি

দু হাজার যাত্রী সমেত একটি প্রমোদতরীকে অবশেষে ক্যাম্বোডিয়ার বন্দরে ভিড়তে দেয়া হয়েছে।
জাহাজটি দিনের পর দিন সাগরে ভেসে ছিলো, কোন বন্দরই এটিকে ভিড়তে দিচ্ছিল না, কারণ তাদের সন্দেহ ছিলো এই জাহাজের যাত্রীরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে।
'দ্য ওডিসি অব দ্যা এমএস ওয়েস্টারড্যামকে' পাঁচটি দেশের বন্দর থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিলো।
আরেকটি প্রমোদতরীকে জাপানে কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে কারণ এটিতে ২০০ সংক্রমিত যাত্রী রয়েছে।
কিন্তু ওয়েস্ট্যারড্যামের দুই সহস্রাধিক যাত্রী ও ক্রুর কেউই সংক্রমিত নন।
গত বুধবার প্রমোদতরীটি ব্যাংককের বন্দরে ভিড়তে গেলে এটিকে অনুমতি দেয়া হয়নি।থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ এটিকে এসকর্ট করে নিয়ে যায় এবং থাই উপসাগরে দিয়ে আসে।
পরে জাহাজটি দিক বদল করে ক্যাম্বোডিয়ার দিকে ধাবিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে জাহাজটি অবশেষে ক্যাম্বোডিয়ার সিহানুকভিল বন্দরে নোঙর করে।
আমেরিকান নাগরিক অ্যাঞ্জেলা জোনস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, "আমরা কতবার ভেবেছি, এই বুঝি বাড়ি যেতে পারবো, আর সেইসব মুহূর্তে আমাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে"।
"আজকের সকালটাতে যখন ডাঙার দেখা পেয়েছিলাম, সেটা ছিল একটি শ্বাসরুদ্ধকর মুহূর্ত। আমি ভাবছিলাম, এটা কি সত্যি!" বলছিলেন তিনি।
আমেরিকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হল্যান্ড আমেরিকা লাইন পরিচালনা করে দ্য ওয়েস্টারড্যামকে। এটি গত পয়লা ফেব্রুয়ারি হংকং থেকে যাত্রা শুরু করে।
এটিতে ১,৪৫৫ জন যাত্রী এবং ৮০২ জন ক্রু ছিল।
দুই সপ্তাহ ধরে সাগরে প্রমোদবিহার করার কথা ছিল জাহাজটির।
১৪ দিনের এই বিহার শেষ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানী ও খাদ্য সঙ্কট দেখা দেয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
থাইল্যান্ড ছাড়াও জাপান, তাইওয়ান, গুয়াম ও ফিলিপিন্স এর আগে বন্দরে ভিড়তে দেয়নি জাহাজটিকে।

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯

দুর্নীতি দমনে মুহাম্মদ সা:-এর শিক্ষা

দুর্নীতি দমনে মুহাম্মদ সা:-এর শিক্ষা

নীতির বিপরীত যে রীতি সেটিই দুর্নীতি। সার্বজনীন আইন লঙ্ঘন করা শ্বাশত নীতিকে আপন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আপন বিবেককে জিম্মি করে কোনো কাজ করাই দুর্নীতির আওতাভুক্ত। এটির প্রথম বৈশিষ্ট্য হলোÑ ব্যক্তিস্বার্থ নীতিকে চরিতার্থ করা। দ্বিতীয়টি পরাধীনতা, তৃতীয়টি পক্ষপাত দোষে দুষ্ট, চতুর্থটি ব্যক্তি ঊর্ধ্বে নয় এমন লালসাবৃত্তিকে দুর্নীতি বলা যেতে পারে। এ দুর্নীতির বিভিন্ন পর্যায় আছে। যেমনÑ ব্যক্তির আপন রুচিরোধে গড়ে উঠা দুর্নীতি সামাজিক প্রভাবে দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুর্নীতি।
প্রিয় নবী সা: তার ইসলাম প্রচার ও প্রসার কল্পে যে প্রধান অন্তরায়টি উপলব্ধি করেন তাহলোÑ দুর্নীতির মতো পচনশীল রোগ। তিনি সমাজের সর্বস্তর থেকে এ জঘন্যতম অন্যায় ও গর্হিত পাপকে নির্মূল করার সংকল্প করেন। নবী সা: মুসলমানদের শুধু ধর্ম ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য দিয়েই ক্ষান্ত হলেন না, তারা যাতে সম্মানের সাথে দুনিয়ায় বেঁচে থাকে তার ও ব্যবস্থা করে গেলেন। মহানবীর অবদানের এখানেই শেষ নেই, তিনি সমাজ থেকে দুর্নীতি দুরীভূত করার জন্য সুষ্ঠু সমাজব্যবস্থা প্রবর্তন করলেন। বিচার ও ইনসাফকে দিলেন ধর্মের মর্যাদা এবং ন্যায়নীতি ও সাম্যের ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্রনীতি গড়ে তুললেন। নবীর সৃষ্ট নয়া সমাজে অভিজাত বা পুরোহিত বলে কোনো বিশিষ্ট সমাজ থাকল না। যোগ্যতা থাকলে আজাদকৃত দাস ও খলিফা হতে পারবে, এ ছিল নবী প্রদত্ত বিধান।
নবী সা: নারী জাতিকে দিলেন ইসলামী অধিকার। ইসলাম নারীর অধিকার নির্ধারণ করার ব্যাপারে তিনটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখেছে। প্রথমত, একমাত্র পারিবারিক শৃঙ্খলার জন্য নারীর উপরে পুরুষকে যে কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে, পুরুষ যেন এ ক্ষমতার অপব্যবহার করে নারীর উপর অত্যাচার অবিচার করতে না পারে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক যেন প্রভু ও দাসীর সম্পর্ক না হতে পারে। দ্বিতীয়ত, নারীকে তেমন সব সুযোগ দিতে হবে যার দ্বারা সে সমাজব্যবস্থার গণ্ডির মধ্যে স্বীয় স্বাভাবিক প্রতিভার পরিস্ফূটন করতে পারে। তৃতীয়ত, নারীর উন্নতি ও সাফল্যের উচ্চশিখরে আরোহন করা যেন সম্ভব হয়। কিন্তু তার উন্নতি সাফল্য যা কিছুই হবে তা নারী হিসেবেই হতে হবে। ক্রীতদাস-দাসীকে মুক্তিদানের পথ তিনি উন্মুক্ত করে দিলেন। ক্রীতদাসীদের রক্ষিতা রূপে ব্যবহার না করে তিনি তাদেরকে বিয়ে করতে মনিবদের নির্দেশ দিলেন। পুরুষদের জন্য বিয়ের সর্বমোট সংখ্যা ও তিনি সীমাবদ্ধ করে দিলেন নারীদের স্বার্থে।
আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে বান্দার হককে সংরক্ষণ করার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন।
‘তোমরা তোমাদের পরস্পরের ধন-মাল অবৈধ পন্থায় ভক্ষণ করবে না। তোমরা শাসকদের নিকট ঝুঁঁকে পড়ো না এ উদ্দেশ্যে যে, তোমরা জেনেশোনে লোকদের ধন, সম্পদের কিছু অংশ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করবে।’ অপর এক জায়গায় আল্লাহ বান্দাদের মধ্যে নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা কায়েম করার নির্দেশ দেন।
‘তোমরা যখন লোকদের মাঝে বিচার ফায়সালা করবে, তখন অবশ্যই সুবিচার করবে’। প্রিয় নবী এ নীতি কেবল মুসলিমদেরই নবী ছিলেন না, তিনি অমুসলিমদেরও নবী ছিলেন। তাই তাকে তাদের বিচারকার্য পরিচালনা করতে হতো। একদা কোনো একদল মুসলিম সম্প্রদায় মুশরিকদের মূর্তি আলয়ে ঢুকে একটা মূর্তির নাক ভেঙে ফেলে এই দেখে মুশরিকরা নবীর কাছে বিচার দায়ের করে। নবী সা: তার বিচারে ওই মুসলিম সম্প্রদায়কে ডেকে বিচার করলেন। মুশরিকদের মূর্তির নাক ভেঙেছে তিনি সেই মুসলিমের নাক নেয়ার হুকুম দেন। এতে মুশরিকরা নবীর এ বিচারে অভিভূত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন। এই ছিল নবীর সাম্যের নীতি, যে নীতি গোটা বিশ্ব ইসলামী আদর্শে উজ্জীবিত হয়েছিল। তাই সমাজ ও রাষ্ট্রে সুবিচার ও ন্যায়নীতির নিরাপত্তা বিধান কল্পে পবিত্র কুরআন এক বিরাট চ্যালেঞ্জ স্বরূপ।
আল্লাহ বলেন, ‘হে বিশ্বাসীরা তোমরা সবাই সুবিচার ও ন্যায়নীতি নিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াও আল্লাহর জন্য সাক্ষ্য দাতা হিসেবে; সে সুবিচার যদি তোমাদের নিজেদের বাবা-মা ও নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধেও হয়, যদি তারা ধনী বা গরিবও হয়। এদের অপেক্ষা আল্লাহই তো উত্তম, অতএব তোমরা নফসের খায়েশের অনুসরণ করতে গিয়ে অবিচার ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করো না।’
প্রিয় নবী দেখিয়ে দিয়ে গেছেন, আইন প্রয়োগে মানুষে মানুষে কোনো রূপ ভেদাভেদ করার নীতি ইসলামে আদৌ সমর্থিত নয়; না বংশের দিক থেকে না বর্ণ, ভাষা ও সম্পদ পরিমাণের ভিত্তিতে।’ নবী সা: এ ব্যাপারে পরিষ্কার ঘোষণা করেছেনÑ
‘তোমাদের মধ্যের পূর্ববর্তী জাতিগুলো ধ্বংস হয়েছে কেবল এ বিভেদ ও নীতির ফলে যে, তাদের সমাজের ভদ্র লোকেরা যখন চুরি করত, তখন তাদের কোনো শাস্তি দেয়া হতো না, পক্ষান্তরে তাদের দুর্বল লোকেরা যখন চুরি করত তখন তারা তাদের ওপর শাস্তির ব্যবস্থা করত। আল্লাহর শপথ মুহাম্মদ সা:-এর কন্যা ফাতেমাও যদি চুরি করে তার হাতও কেটে দেয়া হবে’ (হাদিস)।
চুরি, ব্যভিচার, মদ, জুয়া, অন্যায় ও স্বজনপ্রীতি ইত্যাদি সমাজ থেকে নির্মূল করার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা দিলেন আমাদের প্রিয় নবী সা:। সুদ ও ঘুষকে হারাম করলেন। কেননা, সুদ ও ঘুষ সমাজজীবনকে করে ফেলে কলুষিত ও পাপাসক্ত। ঘুষ তাকে বলে, যা কোনো বস্তুর বিনিময় পাওয়ার শর্তে দেয়া হয়। নবী করিম সা: এই ঘুষ গ্রহণ ও প্রদান করতে নিষেধ করেছেন। কেননা, ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ স্বার্থ উদ্ধার করা বা কারো হক নষ্ট করা অথবা কারো প্রতি জুলুম করার উদ্দেশ্য হয়। এ ক্ষেত্রে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন (বাকার ২৭৫ নং আয়াত) ‘আল্লাহ তায়ালা সুদকে ধ্বংস করে দিয়েছেন পরে তার পরিবর্তে জাকাতকে বৃদ্ধি করেছেন। আর আল্লাহ তার কোনো আইন অমান্যকারী ও পাপাচারীকে ভালোবাসেন না’। এ আয়াতগুলো দ্বারা শিক্ষা লাভ করে নবী সা: তার অধঃপতিত সমাজকে এক সুশ্রী জীবনদান, নির্মল চরিত্র গঠন ও উন্নত রুচিবোধে গড়ে তোলেন। অথচ আশ্চর্যের কথা এই যে, প্রিয় নবী এ অসাধ্য সাধন করেছিলেন মাত্র ১০ বছর সময়ের মধ্যে, যে সময় একটি সাধারণ পরিবারের মানোন্নয়নের পক্ষেও যথেষ্ট নয়। ১০ বছরে তিনি একটি নিকৃষ্টতম মানবীয় উপাদানকে ঢালাই ছাঁটাই করে এক উন্নত জাতিতে পরিণত করলেন। যারা হজরতের তিরোধানের পর মাত্র ৮০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর যাবতীয় সমৃদ্ধ দেশকে পদানত করেছিল এবং পৃথিবীর ভেতর বৃহত্তম সাম্রাজ্য গড়তে সমর্থ হয়েছিল যা রোমক জাতি আট শত বছরেও করতে পারেনি। প্রিয় নবী ঘুণে ধরা অসভ্য ও বর্বর সমাজকে একটি আদর্শ ও কুসংস্কারমুক্ত সমাজে রূপান্তরিত করার জন্য দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুললেন। তিনি অত্যন্ত হেকমতের সাথে সমাজের দুর্নীতি উচ্ছেদ করে আরব জাতিকে উদ্ধার করলেন, তার ফলে সারা বিশ্ব মানব মুক্তির পথ খুঁজে পেল, শান্তি পেল। মহান আল্লাহ তার কিতাবে সূরা মায়িদার ২৮ নং আয়াতে উল্লেখ করেছেনÑ
অর্থাৎ- ‘চোর পুরুষ বা নারী যে কেহই হোক, তার দু’হাত কেটে ফেলো’। আলোচ্য আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা যায়, এই আয়াতের আইনগত বা বিচার শর্ত প্রয়াগ কেবল ইসলামী শাসনব্যবস্থার বলবৎ হবে নচেৎ হবে না। কেননা চোর যদি কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হয়, তার যদি জীবিকার ব্যবস্থা করা হয় রাষ্ট্র কর্তৃক, তখন যদি চুরি করে সেই অবস্থায় তার কাছে ১০ দেরহাম পরিমাণ অর্থ থাকে, ইসলামী রাষ্ট্রে তার বিচার উপরোক্ত আয়াতের অর্থ অনুযায়ী হবে; নচেৎ নয়। বস্তুত পক্ষে ইসলামী রাষ্ট্রেই কেবল সব মানুষের ন্যায্য বিচার ও অধিকার সুনিশ্চিত পাওয়ার আশা করা যায়।
ঠিক তেমনিভাবে ব্যভিচারের মতো একটা সামাজিক দুর্নীতি, যার শাস্তির বিধান কুরআন পাকে আছেÑ (সূরা নূর, ২ নং আয়াত) ‘ব্যভিচারী পুরুষ ও মেয়েলোক তাদের প্রত্যেককে ১০০ করে দোররা মারো। প্রিয় নবী সা: এমনিভাবে কুরআনের আলোকে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে জঘন্যতম পাপ, দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ, ব্যভিচারকে নির্মূল করে সত্যিকার ইসলামী ভাবধারা ও সংস্কৃতির দিকে মনোনিবেশ করার জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও তা রক্ষা ও বলন্দ করে গেছেন।

শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯

নির্যাতনের খবর জেনেও সৌদি আরবে যেতে আগ্রহী অনেক নারী: 'আমাদের স্বামীরা কি আমাদের অত্যাচার করে না?'

নির্যাতনের খবর জেনেও সৌদি আরবে যেতে আগ্রহী অনেক নারী: 'আমাদের স্বামীরা কি আমাদের অত্যাচার করে না?'

অত্যাচার নির্যাতনের মুখে সৌদি আরব থেকে হাজারো নারীর ফিরে আসার কাহিনী এমনকি মৃত্যুর খবর জানার পরেও বাংলাদেশের বহু নারীর গন্তব্য এখনো সৌদি শ্রমবাজার।
যারা নির্যাতিত হয়ে ফিরে এসেছেন তারা সবাই চান, সৌদি আরবে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করা হোক। কিন্তু বিদেশ যেতে ইচ্ছুক নারীরা বন্ধ করাটাকে সমাধান মনে করছেন না। তারা চাইছেন নিরাপদ অভিবাসন।
ঢাকার একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বিদেশ যাবার আগে এক মাসের প্রশিক্ষণে আছেন এরকম অনেকে।
আরবি ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান, গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহার শিখছেন অনেকে। ক্লাসরুমে জিজ্ঞেস করলে দেখা যায় ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নারী যেতে চাইছেন সৌদি আরবে। এর মধ্যে কেউ কেউ আছেন - যারা আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এখন আবার যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সাবিনা নামের একজন সৌদি আরবে চার বছর কাজ করে এসেছেন। বেতন এবং কাজের পরিবেশ ভাল পেয়েছিলেন বলেই আবার যাচ্ছেন। সৌদি আরবই তার পছন্দের দেশ।
অন্যদিকে কোনও প্রশিক্ষণ ছাড়াই দালালের মাধ্যমে সৌদি গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরেছেন ময়না। তিনমাসের মাথায় আবার তিনি বিদেশ যেতে চাইছেন। তবে সৌদি আরবে যাবেন না কখনোই। তার দাবি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সৌদিতে যেন কোনও নারীকে পাঠানো না হয়।
বিদেশে যেতে ইচ্ছুক এসব নারীর সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায় বেশিরভাগই স্বল্প-শিক্ষিত ও হতদরিদ্র পরিবার থেকে আসা। অভাব-অনটনের সংসারে উন্নত ভবিষ্যতে স্বপ্ন নিয়ে তারা পরিবার-পরিজন ছেড়ে বিদেশ যেতে চান।
তাসলিমা ইসলাম নামের একজন বলছিলেন, "সমস্ত দেশ খোলা থাকুক, আমরা বাঁচতে চাই, খাবার চাই, পরনের কাপড় চাই, নিজের একটা অধিকার চাই।"
তাসলিমারও সৌদি আরবে কাজের অভিজ্ঞতা আছে। তিনি মনে করেন, সৌদিতে বাংলাদেশি দূতাবাসকে আরো তৎপর হতে হবে।
সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যারা আসেন তাদের একটা বড় অংশেরই সৌদি আরবে যাবার আগ্রহ। এর মধ্যে অনেকেই জানান তাদের আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীরা তাদের নিয়ে যাচ্ছেন, ভরসা দিচ্ছেন।
সৌদি আরবে যেতে নারীদের কোনও টাকা লাগে না, পুরো খরচ বহন করে নিয়োগকারী। নির্যাতিত হয়ে ফেরত আসা সবাই নারী পাঠানোতে আপত্তি করলেও যারা বিদেশ যেতে ইচ্ছুক তাদের একটা বড় অংশ আর রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোও চান, সৌদি আরবে নারী পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু থাকুক।
সৌদি যেতে ইচ্ছুক শিমু আক্তারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এত অত্যাচার নির্যাতনের খবর আসছে, তারপরেও কেন সৌদি যেতে চান তিনি?
এর উত্তরে শিমু বলেন, "হ্যাঁ, আমরা শুনতেছি কিন্তু আমাদের স্বামীরা কি আমাদের অত্যাচার করে না? কেউ কি নিজের দেশ ছাইড়া, ছেলেমেয়ে রাইখা বিনা কারণে বিদেশ যায়? আমরা বন্ধ হোক এটাও চাই না, আবার ওইখানে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হই - এটাও চাই না।"
বিদেশগামী মেয়েদের নিয়ে কাজ করছেন খালেদা সরকার। তিনি বলছিলেন, বাংলাদেশের স্বল্প শিক্ষিত হত-দরিদ্র পরিবার থেকেই মেয়েরা মূলত সৌদি যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, পরিবারে সম্পর্কের জটিলতা, আর্থিক সংকট এবং কর্মসংস্থানের অভাবেই নারীরা বিদেশে যাবার ঝুঁকি নিচ্ছে।
"এটা কখনোই বন্ধ হবে না, বরং আমাদেরকে দেখতে হবে মানুষের অধিকার, মানবাধিকার এবং তাদের নিরাপত্তার জায়াগুলোকে আরো বলিষ্ঠ করতে হবে।"
এদিকে বাংলাদেশ থেকে এপর্যন্ত সোয়া ৩ লাখ ৩২ হাজার ২০৪ জন নারী সৌদি আরবে গিয়েছেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশনের তথ্যে চলতি বছরে এ সংখ্যা ৫৩ হাজার ৭শ ৬২ জন। এরমধ্যে কেউ কেউ ফিরে এসেছেন ভয়ংকর নির্যাতনের অভিজ্ঞতা নিয়ে।
গত চার বছরে লাশ হয়ে ফিরেছেন ১৫৭ জন নারী। চলতি বছরের গত এগার মাসে সৌদি থেকে ৫৩ জন বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীর মৃতদেহ এসেছে।
এ অবস্থায় এখনো যারা যাচ্ছেন তাদের শেখানো হয় বিপদে পড়লে তারা কোথায় যাবে, কী করবে।
শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপাধ্যক্ষ শাহেল আরা বলেন, "আমরা ওদেরকে দূতাবাসের ফোন নাম্বার, যোগাযোগ করার মত কিছু নম্বর এবং মেসেজ ওদের দেই। এমনভাবে ওদের শেখানো হয় যাতে বিদেশে গিয়ে ওরা বিপদগ্রস্ত না হয়। আমরা চাই না ওখানে গিয়ে তারা ক্রীতদাস হয়ে যাক।"
নারী শ্রমিকদের নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা বলছেন, নিরাপদ অভিবাসন নারীর অধিকার। তবে সৌদিতে গৃহকর্মী নির্যাতনের বিষয়টি উদ্বেগজনক আর এক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়।
বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, "তাদের সৌদি ভাষা যতোটুকু শেখানো হয় সেটা যথেষ্ট নয়। কারণ সেখানে কথ্য ভাষা ব্যবহৃত হয়। প্রশিক্ষণের মান আরো বৃদ্ধি করতে হবে। এক মাসের জায়গায় তিন মাস প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। আবাসিক করতে হবে। নারীকে শুধু আরবি ভাষা, হাঁড়িপাতিলের ব্যবহার না, তাকে সংকট মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত করতে হবে। এছাড়া দুদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। কেউ যদি ভায়োলেশন করে তাহলে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করতে হবে।"

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?

ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?


 ইসলামে সকলের মর্যাদা সমান হওয়া সর্ম্পকে ?
তোমাদের আশার উপর ও ভিত্তি নয় এবং আহলে-কিতাবদের আশার উপরও না।
যে কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তার শাস্তি পাবে
এবং সে আল্লাহ ছাড়া নিজের কোন সমর্থক বা সাহায্যকারী পাবে না।
যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়,
তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণ ও নষ্ট হবে না।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 123,124
  আপনি জিজ্ঞেস করুনঃ সর্ববৃহৎ সাক্ষ্যদাতা কে ?
  বলে দিনঃ আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী।
  আমার প্রতি এ কোরআন অবর্তীর্ণ হয়েছে-যাতে আমি তোমাদেরকে
  এবং যাদের কাছে এ কোরআন পৌঁছে সবাইকে ভীতি প্রদর্শন করি।
  তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সাথে অন্যান্য উপাস্যও রয়েছে ?
  আপনি বলে দিনঃ আমি এরূপ সাক্ষ্য দেব না। বলে দিনঃ তিনিই একমাত্র উপাস্য;
  আমি অবশ্যই তোমাদের শিরক থেকে মুক্ত।
  আল কোরআন সুরা আন আম   আয়াত ঃ 19
  আর তাদেরকে বিতাড়িত করবেন না,
 যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে।
 তাদের হিসাব বিন্দুমাত্রও আপনার দায়িত্বে নয়
 এবং আপনার হিসাব বিন্দুমাত্রও তাদের দায়িত্বে নয় যে,
 আপনি তাদেরকে বিতাড়িত করবেন।
 নতুবা আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবেন।
 আর এভাবেই আমি কিছু লোককে কিছু লোক দ্বারা পরীক্ষায় ফেলেছি যাতে তারা বলে যে,
 এদেরকেই কি আমাদের সবার মধ্য থেকে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহ দান করেছেন?
 আল্লাহ কি কৃতজ্ঞদের সম্পর্কে সুপরিজ্ঞাত নন ?
   আল কোরআন সুরা আন আম   আয়াত ঃ 52,53
 বলে দাও, হে মানব মন্ডলী। তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহ প্রেরিত রসূল,
 সমগ্র আসমান ও যমীনে তার রাজত্ব। একমাত্র তাঁকে ছাড়া আর কারো উপাসনা নয়।
 তিনি জীবন ও মৃত্যু দান করেন।
 সুতরাং তোমরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন করো আল্লাহর উপর তাঁর প্রেরিত উম্মী নবীর উপর,
 যিনি বিশ্বাস রাখেন আল্লাহর এবং তাঁর সমস্ত কালামের উপর।
 তাঁর অনুসরণ কর যাতে সরল পথপ্রাপ্ত হতে পার। 
    আল কোরআন সুরা আরাফ   আয়াত ঃ 158
যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমাণদার,
পুরুষ হোক কিংবা নারী আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব
এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব যা তারা করত।
আল কোরআন সুরা নাহল   আয়াত ঃ97
আল্লাহ বলবেনঃ আমার সামনে বাকবিতন্ডা করো না
আমি তো পূর্বেই তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ভয় প্রদর্শন করেছিলাম।
আমার কাছে কথা রদবদল হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই।
আল কোরআন সুরা কাফ  আয়াত ঃ 28,29
পরম কল্যাণময় তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফয়সালার গ্রন্থ অবর্তীণ করেছেন,
যাতে সে বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হয়,।
 আল কোরআন সুরা ফুরকান  আয়াত ঃ 1
 আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি;
 কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।
  আল কোরআন সুরা সাবা   আয়াত ঃ 28

বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯

পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে  .

পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে .



পবিরত্রা নামাজ ও মসজিদ সর্ম্পকে  ..
আর তোমরা যেখান থেকেই বেরিয়ে আস এবং যেখানেই অবস্থান কর, সেদিকেই মুখ ফেরাও,
  যাতে করে মানুষের জন্য তোমাদের সাথে ঝগড়া করার অবকাশ না থাকে।
  অবশ্য যারা অবিবেচক, তাদের কথা আলাদা। কাজেই তাদের আপত্তিতে ভীত হয়ো না।
  আমাকেই ভয় কর। যাতে আমি তোমাদের জন্যে আমার অনুগ্রহ
  সমূহ পূর্ণ করে দেই এবং তাতে যেন তোমরা সরলপথ প্রাপ্ত হও।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 150
   সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে।
  আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 238
   হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 43
  যখন তোমরা কোন দেশ সফর কর, তখন নামাযে কিছুটা হ্রাস করলে তোমাদের কোন গোনাহ নেই,
  যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, কাফেররা তোমাদেরকে উত্ত্যক্ত করবে।
  নিশ্চয় কাফেররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 101
  হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর
  এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও,
  অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর
  , অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও
  -অর্থাৎ, স্বীয় মুখ-মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল।
  আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান
  এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান-যাতে তোমরা কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ কর।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 6
   বলুনঃ আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন,
   সব সুন্দর নাম তাঁরই। আপনি নিজের নামায আদায়কালে
   স্বর উচ্চগ্রাসে নিয়ে গিয়ে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না।
   এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 110
  সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন
  এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 78
  আমিই আল্লাহ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। অতএব আমার এবাদত কর
  এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর।
  আল কোরআন সুরা ত্বোহা আয়াত ঃ 14
  যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র;
  আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 2
 অতএব, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা স্মরণ কর সন্ধ্যায় ও সকালে,
 এবং অপরাহ্ণে ও মধ্যাহ্ণে। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে, তাঁরই প্রশংসা।
  আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ 17,18

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯

 কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে ..

কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে ..


কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে .....
  অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের দরুন আমি তাদের উপর অভিসম্পাত করেছি
  এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয়
  এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তা থেকে উপকার লাভ করার বিষয়টি বিস্মৃত হয়েছে।
  আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন,
  তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া। অতএব, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং মার্জনা করুন।
  আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 13
  আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে
  এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে
  বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে
  এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
  আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ  125
  বলুনঃ প্রত্যেকেই নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে। অতঃপর আপনার পালনকর্তা
  বিশেষ রূপে জানেন, কে সর্বাপেক্ষা নির্ভূল পথে আছে।
  আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 84
  আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
  বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য।
  সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?
  অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে
  পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না,
  তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।
  তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর ।
  আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে
  একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।
  আল কোরআন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ  107-111
  আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে দিয়েছি,
  যা তারা পালন করে। অতএব তারা যেন এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক না করে।
  আপনি তাদেরকে পালনকর্তার দিকে আহবান করুন। নিশ্চয় আপনি সরল পথেই আছেন।
  তারা যদি আপনার সাথে বিতর্ক করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, সে সর্ম্পকে আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।
  আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 67,68
  রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে
  এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
  আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 63
  আমি তো কেবল এই নগরীর প্রভুর এবাদত করতে
  আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন। এবং
  সব কিছু তাঁরই। আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই।
  এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে,
   সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন,
         আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী।
  আল কোরআন সুরা নমল আয়াত ঃ 91,92
  তারা দুইবার পুরস্কৃত হবে তাদের সবরের কারণে।
  তারা মন্দের জওয়াবে ভাল করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
  তারা যখন অবাঞ্চিত বাজে কথাবার্তা শ্রবণ করে, তখন তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়
  এবং বলে, আমাদের জন্যে আমাদের কাজ এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ।
  তোমাদের প্রতি সালাম। আমরা অজ্ঞদের সাথে জড়িত হতে চাই না।
  আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 54,55
  তোমরা কিতাবধারীদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়; তবে তাদের সাথে নয়,
  যারা তাদের মধ্যে বে-ইনসাফ। এবং বল, আমাদের প্রতি ও তোমাদের
  প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি।
  আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তাঁরই আজ্ঞাবহ।
  আল কোরআন সুরা আনকাবুত আয়াত ঃ 46
  এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
  তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
  এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
  বলুন, আমাদের অপরাধের জন্যে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না
  এবং তোমরা যা কিছু কর, সে সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসিত হব না।
  বলুন, আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর
  তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞ।
  বলুন, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে অংশীদাররূপে সংযুক্ত করেছ,
  তাদেরকে এনে আমাকে দেখাও। বরং তিনিই আল্লাহ, পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়।
  আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 24-27
  আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং
  যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি তাঁর এবাদত করব না?
  আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্যান্যদেরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করব? করুণাময় যদি
  আমাকে কষ্টে নিপতিত করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ
  আমার কোনই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না।
  এরূপ করলে আমি প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হব।
  আমি নিশ্চিতভাবে তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব আমার কাছ থেকে শুনে নাও।
  আল কোরআন সুরা ইয়াসিন আয়াত ঃ 22-25
  এরপর তাদের পরে আমি বহু সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
  কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট কালের অগ্রে যেতে পারে না। এবং পশ্চাতেও থকাতে পারে না।
  এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
  তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
  এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
  আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 42-44
  
মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ....

মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ....

মহানবী সাঃ এর আনুগত্য এর মাধ্যমে সব কিছুর কল্যাণ নিহিত ......
  বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর,
  যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং
  তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন।
  আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 31
  বস্তুতঃ আমি একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি,
  যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তাঁদের আদেশ-নিষেধ মান্য করা হয়।
  আর সেসব লোক যখন নিজেদের অনিষ্ট সাধন করেছিল,
  তখন যদি আপনার কাছে আসত অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত
  এবং রসূলও যদি তাদেরকে ক্ষমা করিয়ে দিতেন।
  অবশ্যই তারা আল্লাহকে ক্ষমাকারী, মেহেরবানরূপে পেত।
  অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না,
  যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে।
  অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে
  কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 64, 65
  হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।
তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন করবেন এবং
তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন।
 যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে,
 সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 70,71
পর্দা সর্ম্পকে

পর্দা সর্ম্পকে


পর্দা সর্ম্পকে ..........
  হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না,
  যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর।
  এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
  যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না।
  যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে।
  এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর,
  আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন।
  যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ
  করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই  এবং আল্লাহ জানেন
  তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর।
  মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
  এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
  ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে
  এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান,
  তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে
  এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র,
  স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ,
  তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে,
     তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
    মুমিনগণ,   তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 27-31
   মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি
   তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে,
   দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর।
          এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়।
      এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই।
      তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়,
         এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন।
            আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
            আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ58
  হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা
  খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না।
  তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে
  আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না।
  নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন;
  কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না।
  তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।
  এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ।
  আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়।
  আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
  তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।
  নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র,
  সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই।
  নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 53-55
  যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়,
  তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ58
  
 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...

 ইলা ও যিহার সর্ম্পকে ...
.
  নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর
  নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
  আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন,
  আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
  আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে,
  আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
  তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়।
  অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 6-9
  যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে
  অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ226
  আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর,
  তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি।
  এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন।
  আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 4
  তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়।
  তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে।
  তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
  যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে,
  তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে।
  এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর
 যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে।
 যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে।
 এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
  আল কোরআন সুরা মুজদালাহ আয়াত ঃ 2-4

সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..

মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..


 মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ..
মীসাস ওসীয়ত সর্ম্পকে ......
তোমাদের কারো যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কিছু ধন-সম্পদ ত্যাগ করে যায়,
তবে তার জন্য ওসীয়ত করা বিধিবদ্ধ করা হলো, পিতা-মাতা ও নিকটাত্নীয়দের
 জন্য ইনসাফের সাথে পরহেযগারদের জন্য এ নির্দেশ জরুরী।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সবকিছু শোনেন ও জানেন।
 যদি কেউ ওসীয়ত শোনার পর তাতে কোন রকম পরিবর্তন সাধন করে,
 তবে যারা পরিবর্তন করে তাদের উপর এর পাপ পতিত হবে।
 যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের
 এবং তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না।
 নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 180-182
আর যখন তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে তখন স্ত্রীদের ঘর থেকে বের না করে
এক বছর পর্যন্ত তাদের খরচের ব্যাপারে ওসিয়ত করে যাবে।
অতঃপর যদি সে স্ত্রীরা নিজে থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নারী যদি নিজের ব্যাপারে
 কোন উত্তম ব্যবস্থা করে, তবে তাতে তোমাদের উপর কোন পাপ নেই।
 আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।
আল কোর আন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 240
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে
এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত
সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
সম্পতি বন্টনের সময় যখন আত্নীয়-স্বজন, এতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়,
 তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও এবং তাদের সাথে কিছু সদালাপ করো
 তাদের ভয় করা উচিত, যারা নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-সন্ততি ছেড়ে
 গেলে তাদের জন্যে তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত কথা বলে।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ  7-9

আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ
একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান।
 অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক,
 তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়,
 তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে
 প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে।
 যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ।
 অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর,
 যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর।
 তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না।
 এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে।
 যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়;
 ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে।
 আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ,
 যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর।
 যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে
 এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে।
 আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর,
 যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে।
 এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 11,12

পিতা-মাতা এবং নিকটাত্নীয়গণ যা ত্যাগ করে যান সেসবের জন্যই আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি।
 আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও।
 আল্লাহ তা’আলা নিঃসন্দেহে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেন।
আল কোর আন সুরা নিসা আয়াত ঃ 33

হে, মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়,
তখন ওছিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্মপরায়ন দুজনকে সাক্ষী রেখো।
 তোমরা সফরে থাকলে এবং সে অবস্থায় তোমাদের মৃত্যু উপস্থিত হলে
 তোমরা তোমাদের ছাড়াও দু ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখো।
 যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে।
 অতঃপর উভয়েই আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, আমরা এ কসমের বিনিময়ে
 কোন উপকার গ্রহণ করতে চাই না, যদিও কোন আত্নীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না।
 এমতাবস্থায় কঠোর গোনাহগার হব।
 অতঃপর যদি জানা যায় যে, উভয় ওসি কোন গোনাহে জড়িত রয়েছে,
 তবে যাদের বিরুদ্ধে গোনাহ হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে মৃতু ব্যক্তির নিকটতম দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে।
 অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য
 এবং আমরা সীমা অতিক্রম করিনি। এমতাবস্থায় আমরা অবশ্যই অত্যাচারী হব।
আল কোর আন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ  106,107

আর যারা ঈমান এনেছে পরবর্তী পর্যায়ে এবং ঘর-বাড়ী ছেড়েছে
 এবং তোমাদের সাথে সম্মিলিত হয়ে জেহাদ করেছে, তারাও তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত।
 বস্তুতঃ যারা আত্নীয়, আল্লাহর বিধান মতে তারা পরস্পর বেশী হকদার।
 নিশ্চয়ই আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ে সক্ষম ও অবগত।
আল কোর আন সুরা আনফাল আয়াত ঃ 75

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯

 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা

সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা


 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা  
 সাদাকাত এবং যাকাতের বর্ণনা ?..........
যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত,
 যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।
যারা স্বীয় ধন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে না
 এবং কষ্টও দেয় না, তাদেরই জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে পুরস্কার
 এবং তাদের কোন আশংকা নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।
 নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ঐ দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম,
 যার পরে কষ্ট দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলা সম্পদশালী, সহিঞ্চু।
 হে ঈমানদারগণ!তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে
 এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মত
 যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না।
 অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল।
 অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল।
 তারা ঐ বস্তুর কোন সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে।
 আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।
 যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে
 এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত,
 যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়; অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে।
 যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 261-265
কস্মিণকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না, যদি তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে তোমরা ব্যয় না কর।
 আর তোমরা যদি কিছু ব্যয় করবে আল্লাহ তা জানেন।
    আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 92
যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে
 আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন।
 আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 134
তিনিই উদ্যান সমূহ সৃষ্টি করেছে-তাও, যা মাচার উপর তুলে দেয়া হয়,
 এবং যা মাচার উপর তোলা হয় না এবং খর্জুর বৃক্ষ ও শস্যক্ষেত্র যেসবের স্বাদবিশিষ্ট
 এবং যয়তুন ও আনার সৃষ্টি করেছেন-একে অন্যের সাদৃশ্যশীল এবং সাদৃশ্যহীন।
 এগুলোর ফল খাও, যখন ফলন্ত হয় এবং হক দান কর কর্তনের সময়ে এবং অপব্যয় করো না।
 নিশ্চয় তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না।
  আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ141
যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদে হক
এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে
 এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
 আল কোরআন সুরা তওবা আয়াত ঃ  60
নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
  আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 56
মানুষের ধন-সম্পদে তোমাদের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে,
 এই আশায় তোমরা সুদে যা কিছু দাও, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না।
 পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যারা দিয়ে থাকে,
 অতএব, তারাই দ্বিগুণ লাভ করে।
   আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ39
এবং তারা যখন ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না কৃপণতাও করে না এবং তাদের পন্থা হয় এতদুভয়ের মধ্যবর্তী।
    আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 67

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...

বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...


 বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
বিবাহ ,তালাক, ইদ্দত এবং মোহর সর্ম্পকে বর্ণনা ?...
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে।
 অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম,
 যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে।
 এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না,
 যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল,
 যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে,
 আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে।
 আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
 আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ221
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত।
আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে,
 তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়।
 আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
 আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে,
 তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী।
 আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
 তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে,
 না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে
 নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে।
 কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না,
 তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়,
 তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা।
 কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
 তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়,
 তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে,
 তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,
 তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই।
 যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে।
 আর এই হলো আল্লাহ কতৃêক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়,
 তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও
 । আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না।
 আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।
 আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর,
 যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে
 যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
 আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে,
 তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না।
 এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
 এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ228-232
আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে,
তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা।
 তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই।
 আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।
   আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ234
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না,
তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন,
কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না,
 তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
 আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
 তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
    আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 3,4
হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
 এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
 কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
 অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন
 এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
 যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর
 এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না।
 তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?
 তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের কাছে গমন
 এবং নারীরা তোমাদের কাছে থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে।
 যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না।
 কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
 তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন,
 তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা,
 যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা,
 তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে।
 যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।
 তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে।
 নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
 এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ;
 তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম।
 এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে,
 তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়
 । অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর।
 তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও
 । নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
 আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না,
 সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে।
 আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন।
 তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর
 এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে,
 তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না।
 অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে,
 তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে।
 এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে।
 আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19-25
যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না,
তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
   আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 4
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
 তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
 তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
    আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 26
মুমিনগণ! তোমরা যখন মুমিন নারীদেরকে বিবাহ কর, অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
তখন তাদেরকে ইদ্দত পালনে বাধ্য করার অধিকার তোমাদের নাই।
অতঃপর তোমরা তাদেরকে কিছু দেবে এবং উত্তম পন্থায় বিদায় দেবে।
 আল কোরআন সুরা আহযাব আয়াত ঃ 49
হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও,
তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো।
 তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো।
 তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং
 তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়।
 এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে,  সে নিজেরই অনিষ্ট করে।
 সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।
 অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে
 অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য
 থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে।
 তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে,
 তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।
 এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন।
 যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট।
 আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।
 তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস।
 আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে।
 গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।
 এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন।
 যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।
  আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 1-5

হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

হত্যার বিধান সর্ম্পকে ?......

মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। 
যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে 
এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়।
 অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়,
 তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, 
 তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে।
 অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ
 মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। 
 আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
 যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে মুসলমানকে হত্যা করে,
 তার শাস্তি জাহান্নাম, তাতেই সে চিরকাল থাকবে।
 আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন 
 এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
 আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 92,93
সে প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হারাম করেছেন; কিন্তু ন্যায়ভাবে।
যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয়, আমি তার উত্তরাধিকারীকে ক্ষমতা দান করি।
অতএব, সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন না করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত।
  আল কোরআন সুরা বনীঈসরাইল আয়াত ঃ33
এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না,
আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না
এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে।
   আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 68
মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............

মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............



 মানত সর্ম্পকে বর্ণনা ?............

তোমরা যে খয়রাত বা সদ্ব্যয় কর কিংবা কোন মানত কর,
 আল্লাহ নিশ্চয়ই সেসব কিছুই জানেন। অন্যায়কারীদের কোন সাহায্যকারী নেই
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 270
এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে
 এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।
    আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 29
তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
আল কোরআন সুরা দাহর আয়াত ঃ 7
 মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............

মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............



  মৃত্যু দন্ডের বিধান ?............

হে মুমিনরা ! নিহতদের ব্যপারে কিছাছ ফরজ করা হল,
স্বাধীন ব্যাক্তির পরির্বতে স্বাধীন ব্যাক্তি ,
গোলামরে পরির্বতে গোলাম ,
নারীর পরির্বতে নারী ,কিন্তু তার ভাইয়ের পক্ষ হতে
 কিছুটা ক্ষমা করা হলে , যথাযয় বিধি পালন করা
 এবং সততার সাথে তার পাও না আদায় করা
 বিধেয় ,এটা রবের পক্ষ হতে লাঘব স্বরুপ ,
 এরপর ও যে, সীমালঘংন করে তার জন্য রয়েছে পীড়াদায়ক আজাব ।
হে বুদ্ধিমানগণ! কেসাসের মধ্যে তোমাদের জন্যে জীবন রয়েছে, যাতে তোমরা সাবধান হতে পার।
    আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 178,179
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ,
চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান,
 দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম।
 অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়।
 যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।
 আল কোরআন সুরা মায়িদা আয়াত ঃ 45
শপথ ও উহার কাফপারা সর্ম্পকে ?.

শপথ ও উহার কাফপারা সর্ম্পকে ?.

শপথ ও উহার কাফপারা সর্ম্পকে ?.

আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে;
কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ।
 অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে;
 মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক।
 অথবা, তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে।
 যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে।
 এটা কাফফরা তোমাদের শপথের, যখন শপথ করবে।
 তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন,
 যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 89
আল্লাহ তোমাদের জন্যে কসম থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
 আল্লাহ তোমাদের মালিক। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
   আল কোরআন সুরা  আত তাহরীম আয়াত ঃ 2
মহানবী সাঃ এর আগমন সর্ম্পকে নবীদের বর্ণনা ?.....

মহানবী সাঃ এর আগমন সর্ম্পকে নবীদের বর্ণনা ?.....


মহানবী সাঃ এর আগমন সর্ম্পকে নবীদের বর্ণনা ?.....

.
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল!
 আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী
 এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা,
 যিনি আমার পরে আগমন করবেন।তাঁর নাম আহমদ।
 অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল,
 তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু।
 যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহুত হয়েও আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে;
 তার চাইতে অধিক যালেম আর কে? আল্লাহ যালেম সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।
 তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়।
 আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে
 তিনি তাঁর রসূলকে পথ নির্দেশ ও সত্যধর্ম নিয়ে প্রেরণ করেছেন,
 যাতে একে সবধর্মের উপর প্রবল করে দেন যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।
 মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব,
 যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে?
 তা এই যে, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে
 এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে।
 এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ।
 তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন
 , যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে। এটা মহাসাফল্য।
 এবং আরও একটি অনুগ্রহ দিবেন, যা তোমরা পছন্দ কর।
 আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আসন্ন বিজয়। মুমিনদেরকে এর সুসংবাদ দান করুন।
 মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে-মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল,
 আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী।
 অতঃপর বনী-ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল কাফের হয়ে গেল।
 যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।
আল কোরআন সুরা ছফ আয়াত ঃ 6-14
তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তার আয়াতসমূহ,
তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত।ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।
  আল কোরআন সুরা জুমাআহ আয়াত ঃ 2

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯

সদ্য ব্যবহার বিধান সর্ম্পকে ?

সদ্য ব্যবহার বিধান সর্ম্পকে ?


সদ্য ব্যবহার বিধান সর্ম্পকে ?
আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে।
পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী,
অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও।
নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ36
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের
 এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের।
 তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ
 ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও
 কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক।
 আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।
  আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 59
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন
 এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন।
 তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
  আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 90
যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর
 এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে,
 তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে,
 আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব,
 অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ  126
  আত্নীয়-স্বজনকে তার হক দান কর এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। এবং কিছুতেই অপব্যয় করো না।
    আল কোরআন সুরা বনীইসরাঈল আয়াত ঃ26
এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায় অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময়
তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল।
 আল কোরআন সুরা বনীইসরাঈল আয়াত ঃ 28
 হে ইয়াহইয়া দৃঢ়তার সাথে এই গ্রন্থ ধারণ কর। আমি তাকে শৈশবেই বিচারবুদ্ধি দান করেছিলাম।
 এবং নিজের পক্ষ থেকে আগ্রহ ও পবিত্রতা দিয়েছি। সে ছিল পরহেযগার।
 পিতা-মাতার অনুগত এবং সে উদ্ধত, নাফরমান ছিল না।
   আল কোরআন সুরা মারইয়াম আয়াত ঃ 12-14
 আমি মানুষকে পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি।
 যদি তারা তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়,
 যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না।
 আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন।
 অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে।
     আল কোরআন সুরা আনকাবুত আয়াত ঃ 8
আত্নীয়-স্বজনকে তাদের প্রাপ্য দিন এবং মিসকীন ও মুসাফিরদেরও।
এটা তাদের জন্যে উত্তম, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। তারাই সফলকাম।
 আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ 38
আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি।
 তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়।
 নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।
 অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। 
 পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়কে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে,
 যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না
 এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে।
 যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে।
 অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে
 এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদেরকে জ্ঞাত করবো।
আল কোরআন সুরা লোকমান আয়াত ঃ 14,15

বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !

প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !


                                                প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !







প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !

এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি।
তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন,
আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’
জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’
 অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, ত
 াহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে
 যারা ছিল তারা লড়াই করতো না।
 কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
 অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের।
 আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো,
 কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ253
বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী।
তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও
এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর।
 তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
 তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও।
 আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন
 এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর।
 আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 26,27
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে।
 বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব।
 পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, ত া
 থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 145
অতঃপর তোমাদের উপর শোকের পর শান্তি অবতীর্ণ করলেন,
যা ছিল তন্দ্রার মত। সে তন্দ্রায় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঝিমোচ্ছিল
 আর কেউ কেউ প্রাণের ভয়ে ভাবছিল। আল্লাহ সম্পর্কে তাদের মিথ্যা ধারণা হচ্ছিল মুর্খদের মত।
 তারা বলছিল আমাদের হাতে কি কিছুই করার নেই?
 তুমি বল, সবকিছুই আল্লাহর হাতে। তারা যা কিছু মনে লুকিয়ে রাখে-তোমার নিকট প্রকাশ করে না সে সবও।
 তারা বলে আমাদের হাতে যদি কিছু করার থাকতো, তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না।
 তুমি বল, তোমরা যদি নিজেদের ঘরেও থাকতে তবুও তারা অবশ্যই বেরিয়ে আসত
 নিজেদের অবস্থান থেকে যাদের মৃত্যু লিখে দেয়া হয়েছে।
 তোমাদের বুকে যা রয়েছে তার পরীক্ষা করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা,
 আর তোমাদের অন্তরে যা কিছু রয়েছে তা পরিষ্কার করা ছিল তাঁর কাম্য।
 আল্লাহ মনের গোপন বিষয় জানেন।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 154
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই।
 যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।
 বস্তুতঃ তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে, এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে।
 আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে, বলে দাও,
 এসবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। পক্ষান্তরে তাদের পরিণতি কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা করে না।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 78
আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্ট দেন, তবে তিনি ব্যতীত তা অপসারণকারী কেউ নেই।
 পক্ষান্তরে যদি তোমার মঙ্গল করেন, তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
 তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 17,18
আর যদি তাদের বিমুখতা আপনার পক্ষে কষ্টকর হয়, তবে আপনি যদি ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ
অথবা আকাশে কোন সিড়ি অনুসন্ধান করতে সমর্থ হন, অতঃপর তাদের কাছে কোন
 একটি মোজেযা আনতে পারেন, তবে নিয়ে আসুন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে
 সবাইকে সরল পথে সমবেত করতে পারতেন।
 অতএব, আপনি নির্বোধদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 35
যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 39
অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন
 এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক
 সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে।
 এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না।
 আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 125
যাকে আল্লাহ পথ দেখাবেন, সেই পথপ্রাপ্ত হবে।
 আর যাকে তিনি পথ ভ্রষ্ট করবেন, সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত।
 আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ।
 তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না,
 আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না।
 তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর।
 তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।
আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 178, 179
নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে
 ছয় দিনে, অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
 তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ সুপারিশ করতে পাবে না
 তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা।
 অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা কর না ?
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ3
তুমি বল, আমি আমার নিজের ক্ষতি কিংবা লাভেরও মালিক নই,
কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই একেকটি ওয়াদা রয়েছে,
 যখন তাদের সে ওয়াদা এসে পৌঁছে যাবে, তখন না
 একদন্ড পেছনে সরতে পারবে, না সামনে ফসকাতে পারবে,।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 49
সুতরাং কোন জনপদ কেন এমন হল না যা ঈমান এনেছে অতঃপর তার সে ঈমান গ্রহণ হয়েছে কল্যাণকর?
 অবশ্য ইউনুসের সম্প্রদায়ের কথা আলাদা। তারা যখন ঈমান আনে তখন আমি তুলে নেই তাদের উপর
 থেকে অপমানজনক আযাব-পার্থিব জীবনে এবং তাদের কে কল্যাণ পৌছাই এক নিধারিত সময় পর্যন্ত।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ98
সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র তোমার সত্তা হে আল্লাহ’।
 আর শুভেচ্ছা হল সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 10
আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন।
 পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
আল কোরআন সুরা ইব্রাহিম আয়াত ঃ 27
সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে।
 তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 9
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন
এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন।
 তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 90
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি,
 যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য।
 তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়।
 অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি।
 আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে।
 আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 35
যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে।
 এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না
 এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে দেন।
 আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
আল কোরআন সুরা নুর  আয়াত ঃ39
আপনার পালনকর্তা যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং পছন্দ করেন।
তাদের কোন ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পবিত্র এবং তারা যাকে শরীক করে, তা থেকে উর্ধ্বে।
আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 68
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন
 এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন।
 আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি।
 এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।
আল কোরআন সুরা সাজদা আয়াত ঃ 12
যখন তাদের কাছে রসূলগণ এসেছিলেন সম্মুখ দিক থেকে
 এবং পিছন দিক থেকে এ কথা বলতে যে, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারও পূজা করো না।
 তারা বলেছিল, আমাদের পালনকর্তা ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন,
 অতএব, আমরা তোমাদের আনীত বিষয় অমান্য করলাম।
আল কোরআন সুরা সাজদা  আয়াত ঃ 14
অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল।
 আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।
আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 53
অহংকার করে এ বিষয়ে অর্থহীন গল্প-গুজব করে যেতে।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 67
ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে?
 নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে।
 শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে।
 আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব।
 এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।
 তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।
আল কোরআন সুরা আশুরা আয়াত ঃ 49,50
অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।
আল কোরআন সুরা রহমান আয়াত ঃ 49,50
অতঃপর তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে।
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 41
অতঃপর তুমি তোমার পালনকর্তার কোন অনুগ্রহকে মিথ্যা বলবে?
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 55
পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর কোন বিপদ আসে না;
কিন্তু তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
আল কোরআন সুরা হাদীদ আয়াত ঃ 22