Showing posts with label Microsoft Office. Show all posts
Showing posts with label Microsoft Office. Show all posts

Sunday, 29 September 2019

Microsoft Office, এগার  পর্ব

Microsoft Office, এগার পর্ব


এগার পর্ব

Print Preview & Print

1. Print Preview : ডকুমেন্ট দেওয়ার আগে ,Print Preview দেখে নিতে হয় ।
কারন ডকুমেন্টটের কোন কিছু লিখলে তা Print Preview দেখা যায় ।
Print Preview থেকে বাহির হওয়ার জন্য Close বা Esc কী চাপতে হবে ।
Quic Access tool bar : Print Preview
Key Borad : Ctrl + F2
2.Print : কাজ শেষ ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে হলে, এই অপশনের সাহায্য নিতে হবে ।
Menu : Print
Key Borad : Ctrl + P
3. Name : একটি কম্পিউটারে একাধিক প্রিন্টার থাকতে পারে ,
কোন প্রিন্টারে প্রিন্ট হবে Name গিয়ে সেই প্রিন্টার সিলেক্ট করতে হবে ।
4.ALL : ডকুমেন্টে থাকা সব গুলো পেইজ প্রিন্ট হবে ।
5.Current page : যে পেইজে র্কাসর আছে সেই পেইজ প্রিন্ট হবে ।
6.Pages : একটি ডকুমেন্টে একাধিক পেইজ থাকলে।
পেইজ নাম্বার অনুযায়ী প্রিন্ট হবে ।
যেমন একটি ডকুমেন্টে দশটি পেইজ আছে ,সখানে আপনি ২,৩,৭,৯, নাম্বার
পেইজ প্রিন্ট দিতে চান তাহলে page গিয়ে ২,৩,৭,৯ লিখে প্রিন্ট দিতে হবে ।
আবার উক্ত ডকুমেন্টে থাকা আপনি 2-5 লিখে প্রিন্ট দিলে 2,3,4,5 নং পেইজ প্রিন্ট হবে ।
7.Number of Copies : আপনি কত কপি প্রিন্ট চান সিলেক্ট করুন ।
8.Odd Paper : বিজোড পেইজ প্রিন্ট হবে ।
9.Even : জোড পেইজ প্রিন্ট হবে ।
10. Properties : যে প্রিন্টারে প্রিন্ট হবে সে প্রিন্টারের অপশন Properties এ থাকে ।

Microsoft Office, দশ পর্ব

Microsoft Office, দশ পর্ব


দশ পর্ব

Document View,show /Hide and Zoom

Document View

1.Print Layout : আমরা সাধারনত বেশির ভাগ
ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য টাইপ করি ।
সে ক্ষেত্রে টাইপ করার সময় প্রিন্ট লে-আউট ভিউতে টাইপ করি ।
2.Full Screen Reading : এটি পডার জন্য ।
3.web Layout : ভিউতে টাইপ দেখানোর জন্য ।

Show /Hide

1.Ruler : হরিজন্টাল রুলার এবং ভ্যাটিকেল রুলার শো এবং হাইট করার জন্য ।
2.Gridlines :র্গাটলাইন শো এবং হাইট করার জন্য ।

Zoom

1.Zoom : ডকুমেন্ট লেখা এবং দেখার সুবির্ধাথে জুম করা হয় ।
জুম এ ক্লিক করে আপনার ইচ্ছামতো জুম করুন ।
এর চাকা গুরিয়ে জুম কমানো এবং বাডানো যাবে ।
2.One page :ডকুমেন্ট স্ক্রিনে একটি পেইজ দেখা যাবে ।
3.Two Pages : ডকুমেন্ট স্ক্রিনে দুইটি পেইজ দেখা যাবে ।
4.Page width :ডকুমেন্ট ফুল স্ক্রিন রাখার জন্য ।

Microsoft Office,  নয় পর্ব

Microsoft Office, নয় পর্ব


নয় পর্ব -

page Background and Broder Shading

Background

1.Watermark : ডকুমেন্টে লেখা এবং কোন ইমেজের
জলছাপ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
2. Page Color:ডকুমেন্টে পেইজ কালার হবে ,
কিন্তু এই কালার প্রিন্টে আসবে না ।
3. Broder and Shading : প্যারা বর্ডার ,ওয়ার্ড বর্ডার , পেইজ বর্ডার ,
প্যারা সেডিং, ওয়ার্ড সেডিং ,লাইন সেডিং ইত্যাদি করা হয় ।
প্যারা বর্ডার : যে প্যারাকে বর্ডার দিতে হবে ,
তাকে সিলেক্ট করে ,ডায়ালক বক্স গিয়ে
বক্স ক্লিক করলে প্যারা বর্ডার হবে ।
শ্যাডো অপশন ব্যবহার করলে প্যারা শ্যাডো হবে ।
স্টাইল : প্যারা বক্সকে বিভিন্ন স্টাইল করার জন্য ।
কালার : প্যারা বক্সকে বিভিন্ন কালার পরিবর্তন করার জন্য ।
4.Width : প্যারা বর্ডারকে মোটা এবং চিকন করার জন্য ।
5.Non : প্যারা বর্ডারকে তুলে দিতে ব্যবহার করা হয় ।

Page Broder

1. 1.Box : বক্স Shadow ,style Color ,Width,প্যারা বর্ডার এর মতোই ।
শুধু পার্থক্য ওখানে কাজটি
বর্ডার প্যারাতে হয়েছে , এখানে পেইজে হবে ।
6. Art : পেইজের চার পাশে বিভিন্ন আটের্র বর্ডার দেওয়ার জন্য ।
7.Option : ডকুমেন্টে যখন পেইজ বর্ডার দেওয়া হয় ।
তখন বর্ডারটি টেক্স থেকে দূরে থাকে ।
বর্ডারটি টেক্সটের কাছাকাছি রাখার জন্য
অপশন গিয়ে Measer From থেকে Text দিতে হবে ।
8.None : পেইজের বর্ডারকে তুলে দিতে ব্যবহার করা হয় ।
9. Apply to 10. Whole document : ডকুমেন্টে সব গুলো পেইজে বর্ডার হবে ।
11. This Select : ডকুমেন্টে সিলেক্ট করা পেইজ বর্ডার হবে ।

12.This Select Fist page Only : ডকুমেন্টে সিলেক্ট করা প্রথম পেইজ বর্ডার হবে ।
13.This Select All Except Fist Page : ডকুমেন্টের প্রথম পেইজ বাদ দিয়ে বাকি সব গুলো পেইজ বর্ডার দিতে হবে ।

Shading

1.Fil : যে ,কোন প্যারা ,টেক্স ,লাইন সিলেক্ট থাকা অবস্থায় ,
ফিল এ যে কালার সিলেক্ট করবেন ,
সেই কালার সেডিং হবে ।
2.pattems Style : এটি সেডিং এর স্টাইল , এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্টাইল সিলেক্ট করা যায় ।
3. Color : স্টাইল থাকা অবস্থায় বিভিন্ন কালারের সেডিং দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Friday, 27 September 2019

Microsoft Office, পর্ব আট

Microsoft Office, পর্ব আট


পর্ব আট

margin ,Orientation ,Size,Columns & Break

margin

1.Top : ডকুম্টের উপরের অংশ কত টুকু ফাঁকা থাকবে তা নির্ধারনের জন্য ।
2. Bottom : ডকুম্টের বামের অংশ ।
3. Right :ডকুম্টের ডানের অংশ ।
4. Left : ডকুম্টের নিচের অংশ ।

Orientation

1. Portait : ডকুম্টেটি লম্বালম্বি প্রিন্ট হবে ।
2.Landscrape :ডকুম্টেটি আডাআড়ি প্রিন্ট হবে ।

Size

1. Size : বলতে ডকুম্টেটি কোন পেইজ প্রিন্ট হবে তা বুঝায় ।
বেশির ভাগ এ4 সাইজ প্রিন্ট করতে হয় ।
তা ছাডা ও আরো অনেক পেইজ দেওয়া আছে ।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পেইজটি নির্ধারন করতে হবে ।
এখানে পেইজটি পাওয়া যাবে না ,
সেই পেইজটির হাইট এবং উইট মেপে নির্ধারন করতে হবে ।

Columns

1.Columns : সংবাদ পত্র কিং বা ম্যাগাজিনে যেমন অনেক 1,2,3,4, কলাম থাকে ।
ঠিক তেমনি মাইক্রোসফট ওর্য়াডে লেখাকে সাজাতে কলাম ব্যবহার করা হয় ।
এই জন্য লেখাকে সিলেক্ট করে নিন
তার পর পেইজের লেআউটএ ক্লিক করুন ।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী 1,2,3. কলাম লেফট এবং রাইট এর উপর ক্লিক করুন ।
2.Apply to Whole document : এককটি ডকুম্টে যতগুলো পেইজ আছে,
সব গুলো পেইজে এ কলাম সেটিং হবে ।
3. This point Forward একটি ডকুম্টে প্রথম পেইজে কলাম হবে । এবং বাকি গুলো হবে না ।

Microsoft Office,  part -7

Microsoft Office, part -7

header and Footer ,text and Sybol

Header Footer

1.Header : অর্থ -শিরোনাম :পেইজের সবার উপরে , নিদির্ষ্ট কোন টেক্স
টাইপ করলে সয়ংক্রিয় ভাবে,প্রতিটি পেইজের উপরে চলে যাবে ।
2.Footer : পেইজের সবার নিচে , নিদির্ষ্ট কোন টেক্স
টাইপ করলে সয়ংক্রিয় ভাবে,প্রতিটি পেইজের নিচে চলে যাবে ।
3.page Number : প্রতিটি পেইজের অটো নাম্বারিং সেট করার জন্য ।

Tex

1.Tex Box : এটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় ,পেইজের উপর মাউস দ্বারা লেফট ,
বাটন চেপে ধরে উপরে নিচে করলে ,
একটি আর্ট বক্স হবে ,এবং এর ভিতর টেক্স লেখা যাবে ।
2.Quick parts : দ্রুত কোন কভার পেইজ তৈরি করার জন্য
বিড্লিং বুক অরগানাইজার ব্যবহার করা হয় ।
এর ভিতর অনেক ধররে পেইজ ডিজান আছে ।
যা আপনার রুচি অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন ।
3.Word Art :এটির দ্বারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয় ।
একটি টেক্সকে ওয়ার্ড র্আটে টাইপ করে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ছোট করা
টেক্সটের ভিতর গ্রাডিয়েন্ট করা ,টেক্সটের ভিতর কোন ইমেজ ইনর্সাট করা ,
টেক্সকে বিভিন্ন ইফেক্ট দেওয়া বিভিন্ন এ্যাংগেলে পরিনত করা ।
4.Drop Cap : এর মাধ্যমে একটি প্যাডার প্রথম লাইনের প্রথম শব্দ বড করা ।
5.Date and Time : খুবই দ্রুত পেইজে টাইপিং করার সময়
ও তারিখ সময় ইনর্সাট এর জন্য ব্যবহার করা হয় ।
তবে কম্পিউটারের সেটিং অনুযায়ী ইনর্সাট হবে ।

Sybol

1.Equation : গাণিতিক টেক্স টাইপ এর জন্য ব্যবহার করা হয় ,
এর মাধ্যমে বীজ গণিত টেক্স গুলো টাইপ করা যায় ।
2.Sybol : সাংকেতিক কোন সিম্বল ইনর্সাট করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Wednesday, 25 September 2019

Microsoft Office পর্ব ছয়

Microsoft Office পর্ব ছয়

পর্ব ছয়

Illustration: Picture,Clip Art,shapes smart Chart

1.Picture :এটির মাধ্যমে পিকচার ইনর্সাট করা হয়।
2.Brightness : ছবির ব্রাইটনেস বাডানো ও কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
3.Contrast :এটির মাধ্যমে ছবির কন্ট্রাসট বাডানো ও কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
4.Recolor : ছবিতে হালকা ইফেক্ট দেওয়ার জন্য ।
5.Compress Picture : ছবির ইনর্সাটকৃত ডকুমেন্টের সাইজ কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
6. Change Picture : ইনর্সাটকৃত ছবি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় চেইঞ্জ পিকচারের মাধ্যমে
ছবি ইনর্সাট করলে সিলেক্ট কৃত ছবিটি মুছে যাবে।নতুন ছবি ইনর্সাট হবে।
7. Resent Picture : ইনর্সাটকৃত ছবিকে বিভিন্ন ইফেক্ট দেওয়ার পর তার
নরমাল মুভ পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
8.Picture Style :ছবি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় একটি ছবিকে বিভিন্ন ইফেক্ট ও বিভিন্ন স্টাইল দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
9.Picture Shape :ইনর্সাটকৃত ছবিকে বিভিন্ন শেইপ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
ছবি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় পিকচার সেইপের শরীরে মাউস পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করে
পছন্দ অনুযায়ী যে পেইপ সিলেক্ট করবেন সেই পেইপ অনুযায়ী ছবিটির পরির্বতন হবে।
10.Picture Broder : ছবির চার পাশে বোর্ডার এবং বোর্ডার কালাম নির্ধারণের জন্য ব্যবহার করা হয়।
11.Picture Effects : এর মাধ্যমে পিকচারকে বিভিন্ন ইফেক্ট দেওয়া হয়।
12.Arrange : একটি ছবিকে পেইজের বিভিন্ন পজিশনে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Text Wrapping

1.In Line text :এই ছবিটি ইনর্সাট করলে সাধারনত এই পশিশনে থাকে ।
2.Square : ছবিকে চার পাশে অনুযায়ী লেখার চার পাশে রাখে ।
3.Tight :ছবির চার পাশে লেখা গুলো গাথাগাথি করে রাখে ।
4.Behind text : ছবিকে লেখার নিচে রাখে ।ছবিকে ব্যাকগ্রাউন হিসাবে ব্যবহার করার জন্য।
5.In font text : ছবিকে লেখার উপরে রাখে ।
6.Top and Bottom : ছবির ডানে এবং বামে লেখা থাকে ।কিন্তু নিচে এবং উপরে লেখা থাকে।
7.Through : ছবিকে লেখার চার পাশে রাখে ।

Align

1.Align Left : বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবং বামে রাখার ব্যবহার করা হয়।
2.Align Right : বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবিকে ডানে রাখার ব্যবহার করা হয়।
3.Align center : বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবিকে মাঝ খানে রাখার ব্যবহার করা হয়।
4.Align Bottom : বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবিকে ল্যান্ডসকেপভাবে নিচের দিকে সমান রাখার ব্যবহার করা হয়।
5.Distribute Horizontally : হরিজন্টালী ভাবে বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবির মাঝ খানে রাখার ব্যবহার করা হয়।
6.Align to page : এলাইনমেন্ট টু পেইজ অপশনে টিক মাক থাকলে ,অবজেক্ট বিভিন্ন এলাইনমেন্ট অনুযায়ী পেইজের শেষ স্থানে যাবে ।
7.Distribute vertically :র্ভ্যার্টিকেলী ভাবে বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবির মাঝ খানে রাখার ব্যবহার করা হয়।
8.Align to margin : বিভিন্ন এলাইনমেন্ট অবজেক্ট একটি পেইজের মার্জিন সেটং হবে ।

Group

একাধিক অবজেক্ট ,শেইপ, এবং ইমেজক এক সাথে রাখার ব্যবহার করা হয়।
1.Regroup : গ্রুফকৃত অবজেক্ট শেইপ এবং ইমেজের সাথে আবার নতুন কোন অবজেক্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
2.Ungroup : গ্রুফ মুক্ত করার জন্য ।
3.Rotate : অবজেক্ট শেইপ এবং ইমেজকে বিভিন্ন এ্যাংগেলে ঘুডানোর জন্য ।
4.Flip Verticaly :র্ভ্যাটিকেলী ভাবে বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবির উল্টো করার জন্য ।
5.Flip Horizontally :হরিজন্টালী ভাবে বিভিন্ন অবজেক্ট ,শেইপ,এবংছবির উল্টো করার জন্য ।

Size

1.crop : কোন ইমেজকে কেটে ছোট করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
2.height : এর মাধ্যমে ইমেজ সেইপ অবজেক্ট ইত্যাদি উচ্চাতা বৃদ্ধি করা হয় ।
3.width :এর মাধ্যমে ইমেজ সেইপ অবজেক্ট ইত্যাদি আডাআডিভাবে বৃদ্ধি করা হয় ।

Clip Art

1.Search :আমরা জানি সাচ অথ খোজা । 2.Organize Clip :ক্লিপ আটে যতধরনের ক্লিপ আছে ,তা এখান থেকে প্রদশিত করা যাবে ,এবং ইনসাট করতে পারবেন ।
3. Shape : এর মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন প্রকার শেইপ খুব সহজে ড্রয়িং করতে পারবেন ।
ড্রয়িং করার পর বিভিন্ন ইফেক্ট দিতে পারবেন ।
4.Smart Art : বিভিন্ন বিষয়ে ক্লাসিফিকেশন ছক করার জন্য।

Chart

ডকুমেন্টে ছবি, ওয়াড র্আট,চাট,গ্রাফ,ক্লিপ র্আট ,অর্গানাইজেশন চাট ইত্যাদি সংযোজন করা
এখান থেকে ।এই জন্য প্রথমে ইনর্সাট মেনু থেকে Picture এ মাউস পয়েন্টার রাখি।
তারপর Clip Art /From File এ ক্লিক করি।
এবার যে ছবিটি পছন্দ তার উপর ক্লিক করি ।তাহলে এই ডকুমেন্টে সংযোজিত হবে।
Word Art হচ্ছে বিভিন্ন স্টাইলের লেখা ।এটি সংযোজন এর জন্য এবই ভাবে ইনর্সাট মেনু Picture থেকে
সাব মেনু ক্লিক করে দিন ।
র্চাট সংযোজনের জন্য Picture মেনুর Chart ক্লিক করুন ।
এখানে একটি এক্সেল শীট র্চাট দেখা যাবে ।এক্সেল শীটটিতে আপনার প্রয়োজনীয় ড়াটা ইনফুট করলে
সে অনুযায়ী ডাটা তৈরি হবে ।
টেক্সট বক্স একটি অতি প্রয়োজনীয় টুলস বক্স । ডকুমেন্টের যে কোন স্থানে কিছু লেখ বক্স আকারে দেওয়ার
এটি ব্যবহার করা হয় । এর সব চেয়ে বড সুবিধা এটি যে কোন স্থানে নাড়াছাড়া করানো যায় ।
এ জন্য প্রথমে ইনর্সাট টেক্সট বক্স এ মাউস পয়েন্টার রাখি , Horizontally /Verticaly এর যে কোন একটি ক্লিক করি ।
এখানে লেখা আড়াআড়ি লেখার জন্যHorizontally এবং লম্বা লম্বি লেখার জন্য Verticaly ব্যবহার করা হয় হয় ।
টেক্সট বক্সে ক্লিক করলে, একটি ড্রয়িং ক্যানভাস স্বয়ংক্রয়িভাবে স্ক্রিনে দেখা যায় ।এটি মূলত ড্রয়িং কে সুন্দর করে ।
যদি ক্যানভাস টেক্সট বক্সে দেখতে চান তাহলে কি বোডে ই এস সি বাটনে ক্লিক করি ।
তাহলে প্লাস চিহ্নিত আইকোন দেখতে পাবো ।এখন মাউস এর বাম পাশ চেপে টেক্সট বক্স অংকন করি ।
সব শেষে টেক্সট বক্স ক্লিক করে প্রয়োজনীয় টেক্সট লেখি ,টেক্সট বক্সের বিভিন্ন কর্ণারে মাউস ক্লিক করে চেপে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া যায় ।

Sunday, 22 September 2019

Microsoft Office ,কম্পিউটার ট্রেনিং, পাঁচ

Microsoft Office ,কম্পিউটার ট্রেনিং, পাঁচ

পাঁচ

Pages

cover page : এর মাধ্যমে খুব সহজে বিভিন্ন
স্টাইলে কভার পেজ তৈরি করা যায় ।
Blank page : র্কাসর স্থির পেইজ থেকে পরের, পেইজে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
সেইক্ষেত্রে পরের পেইজটি খালি হবে ।
pag Break : র্কাসর পেইজ থেকে পরের পেইজে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

table

1.Row : একটি টিবিলের আড়াআড়ি সারিকে রো বলে ।
2.column : লম্বালম্বা সারিকে কলাম বলে ।
3.cell : এক একটি ঘরকে সেল বলে ।
Tab : এই কী মাধ্যমে টিবিলের বৃদ্ধি করা হয় ।
একবার ক্লিক টিবিলের থাকা র্কাসর এক সেল ডানে যাবে ।
Shift + tab : এক সেল বামে যাবে ।

table Option

1.table style : টেবিলকে বিভিন্ন ভাবে সাজানোর জন্য এর ব্যবহার করা হয় ।
2.Shading : এর মাধ্যমে কলাম রো এবং সেলকে সেইড বা হাইলাইট করা হয় ।
3.Broders : টিবিলের লাইন হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
4.Line Style : টেবিলের লাইনকে বিভিন্ন স্টাইল দেওয়ার জন্য ।
5.Line weight : টেবিলের লাইন মোটা করার জন্য ।
6.pen Tool : টিবিলের লাইন গুলো বিভিন্ন ভাবে সেটিং এর জন্য ।
7.Draw Table : টেবিলে স্বাধীন ভাবে সেল ও কলাম র্আট করার জন্য ।
8.Eraser : টিবিলের লাইন গুলো হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Layout

1. select : টেবিলে র্কাসর থাকা অবস্থায় সেল,রো,এবং কলাম সিলেক্টের জন্য ।
2.Delet : কলাম,রো, এবং সেল মুছার জন্য ।
3.Insert Above : উপরে রো তৈরি হওয়ার জন্য ।
4.Insert Below : নিচে রো তৈরি হওয়ার জন্য ।
5.Insert Left : বামে রো তৈরি হওয়ার জন্য ।
6.Insert Right : ডানে রো তৈরি হওয়ার জন্য ।
7.Merge Cell : অনেক গুলো সেলকে একটি সেলে পরিনত করার জন্য ।
8.Split cell : একটি সেলের মাঝে আরেকটি সেল তৈরি করা ।
9.Split table :টেবিলকে ভাগ করা ।
10. Cell Size : ঘরকে ছোট বড করা ।

Saturday, 3 August 2019

Microsoft Office Word পর্ব তিন

Microsoft Office Word পর্ব তিন

Microsoft Office Word পর্ব তিন


Quick Access Tolbar Clipboard and Font

1. Save - এটি একবার ক্লিক করলে ডকুমেন্ট সেইভ হবে ।

Key Board : Ctrl + Save

2.Undo - এটি আনডু, এটি একবার ক্লিক করলে

ডকুমেন্টের দেয়া কমান্ড একধাপ পিছে যাবে ।

Key Board :Ctrl + Z

3. Redo - এটি রেডু টুল ,এটি একবার ক্লিক করলে

আনডু করা ডকুমেন্ট ফিরিয়ে আনা যাবে ।

Key Board : Ctrl + Y

Cut ,Copy, Paste

1. Cut - এটি কাট টুল ,কোন টেক্স সিলেক্ট থাকা

অবস্থায় এটি ক্লিক করলে টেক্স কাট হবে ।

Key Board : Ctrl + X

2. Copy - এটি কপি টুল ,কোন টেক্স সিলেক্ট থাকা

অবস্থায় এটি ক্লিক করলে টেক্স কপি হবে ।

Key Board : Ctrl + C

3. paste -এটি পেইস্ট টুল ,কাট ও কপি করা টেক্সকে যে

কোন স্থানে ব্যবহারের জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।

Key Board : Ctrl + V

Font

1. Font : এটি ফন্ট টুল ,এর ডান পাশের তির চিহ্ন ক্লিক

করে নিজের ইচ্ছা মতো ফন্ট নির্ধারন করতে পারেন ।

Font : এটির মাধ্যমে টেক্স ছোট ও বড করা যায় ।
টেক্স সিলেক্ট থাকা অবস্থায়
এর ডান পাশের তির চিহ্নে ক্লিক করলে নির্ধারিত

সাইজের উপর ক্লিক করলে এর ফলা ফল দেখতে পাবেন ।

2. Grow Font : টেক্স সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এই

টুলে একবার ক্লিক করলে ফন্ট সাইজ বড হবে ।

Key Board : Ctrl + ]

3. Shrink Font : টেক্স সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এই

টুলে একবার ক্লিক করলে ফন্ট সাইজ ছোট হবে ।

Key Board : Ctrl + [

4. Clear Format : কম্পিউটারে কিছু

কমান্ড আগে থেকে র্নিধারন করা থাকে , টেক্সকে সে কমান্ড

ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য এই কমান্ড ব্যবহার করা হয় ।

5. Bolt : এর মাধ্যমে মোটা ও গাঢ় করা হয় ।

তাছাডা কোন ডকুমেন্ট সিলেক্ট করে এটি ব্যবহার করা যায় ।

Key Board : Ctrl + B

6.Italy : লেখাকে বাকা করার জন্য ,

তাছাডা কোন ডকুমেন্ট সিলেক্ট করে এটি ব্যবহার করা যায় ।

Key Board : Ctrl + I

7.Underline : লেখার নিচে দাগ দেওয়ার জন্য ,।

তাছাডা কোন ডকুমেন্ট সিলেক্ট করে এটি ব্যবহার করা যায় ।

Key Board : Ctrl + U

8.Strikethrough : লেখার মাঝে একটি লম্বা দাগ টানার জন্য ।

Subscript : প্রয়োজন অনুসারে একটু ছোট ও নিচে নামাতে ব্যবহার করা হয় ।

Key Board : Ctrl + =

9. Superscript : প্রয়োজন অনুসারে একটু ছোট ও উপরে উঠাতে ব্যবহার করা হয় ।

Key Board : Ctrl + Shift + =

Change Case পাচ ধরনের চেইঞ্জ কেইস

1. Sentence case : এর প্রথম অক্ষর গুলো বড় হাতের পরের গুলো ছোট হাতের হবে ।

2.Lower case : সব গুলো ছোট হাতের অক্ষর হবে ।

3.Upper case :সব গুলো বড় হাতের অক্ষর হবে ।

4.Title case : Sentence এর প্রতিটি শব্দ প্রথম অক্ষর বড় হবে ।

5.Toggle case : Sentence এর প্রতিটি শব্দ প্রথম অক্ষর ছোট হবে ।

Key Board : Shift + F3

Text highlight Color : টেক্সকে হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Text Color : টেক্সকে বিভিন্ন কালারকরার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Font Dialog Box : ফন্টকে বিভিন্ন ভাবে সেটিং এর জন্য ব্যবহার করা হয় ।

বাংলা টাইপিং

1. Coment : ফন্ট স্পিন্টারে যে কোন বাংলা ফন্ট দিতে হবে ।

যেমন : Sutonny MJ , Arial MJ ইত্যাদি ।

2. কী বোডে বিজয় অন করতে হবে ।

তবে কম্পিউটারে বিজয় ইনস্টল থাকতে হবে ।

Key Board : Ctrl + Alt + B

3. বাংলা বর্ণ বেশি হওয়ায় কী বোডের একটি বাটনে দুটি অক্ষর আছে ।

উপরে Shift চেপে টাইপ করতে হবে ।

এবং নিচে Shift এর প্রয়োজন হবে ।


4. যে কোন যুক্ত বর্ণ লিখার জন্য শুধু হশন্ত চাপতে হবে ।

যেমন : আক্তার = ক্ + ত ক্ত আবার যে বর্ণ গুলো কী বোডে নাই যেমন উ ।

্ চেপে তার ু কার চাপতে হবে ।উধারন = ্+ ে = এ

Click Here







Microsoft Office Word পর্ব চার

Microsoft Office Word পর্ব চার



Microsoft Office Word পর্ব চার



Paragraph , Style and Editing

1. Bullet : নিজের ইচ্ছা মতো বুলেট সেটিং করা যায় ।।

2. Numbering : নাম্বার সেটিং করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।।

3.Decrease Indent : এই টুল ক্লিক করলে লেফট ইনডেন্ট হাফ ইঞ্চি বামে যাবে ।।

4.Increase Indent : এই টুল ক্লিক করলে লেফট ইনডেন্ট হাফ ইঞ্চি ডানে যাবে ।।

5. Align Left : এই টুলের মাধ্যমে টেক্স বাম দিক থেকে শুরু হবে ।।

Key Board : Ctrl + L।

6. Center : টেক্সকে টেক্স বাউন্ডারীর মাঝ।

খানে রেখে টাইপিং করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।।

7. Align Right : এই টুলের মাধ্যমে টেক্স ডান দিক থেকে শুরু হবে ।।

Key Board : Ctrl + R ।

8. Justify : টেক্স যাতে বামে ডানে উভয় দিকে।

সমান থাকে তার জন্য এই টুল ব্যবহার করা হয় ।।

Key Board : Ctrl + J।

9. Line Spacing : একটি লাইন থেকে আরেকটি লাইন ।

কত টুকু ফাকা রাখা যাবে তার জন্য ব্যবহার করা হয় ।।

Key Board : Ctrl + 5 = 1.5 ইনঞ্চি ফাকা

Key Board : Ctrl + 2

Key Board : Ctrl + 1



10. Shading : টেক্সকে হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।।

11. Find : ডকুমেন্টে কোন টেক্স খুজার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

12. Replace : ডকুমেন্টের একাধিক টেক্সকে

এক সঙ্গে পরির্বতন করার জন্য ব্যবহার হয় ।।

13.Define New Bullet : নতুন বুলেট নেওয়ার জন্য এটির প্রয়োজন হয় । ।

14. Symbol : এখানে প্রচুর সিম্বল থাকে,

এখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বুলেট তৈরি করা যায় ।।

15. Picture : কোন ছবিকে ইমপোর্ট করে বুলেট তৈরি করা যায় । ।

16.Ruler : রুলার যদি হাইট থাকে তাহলে View থেকে Ruler কে শো করাতে হবে ।।

এবং রুলার শো হলে প্রোগ্রামের বাম পাশের র্কণারে রিবোনের,।

নিচে ভ্যার্টিকেল রুলারের উপরের Tab Box শো হবে । ।

Tab Box

1.Left Tab : Left Tab থাকা অবস্থায় হরিজন্টাল রুলারে ।

একটি ক্লিক করলে লেফট ট্যাবটি সখানে

বসবে এবং কী বোর্ড থেকে ট্যাব কী প্রেস করলে কার্সর ।

রুলারের ট্যাব বরাবর সমান হবে ,এবং

লেখা লিখলে কার্সরে স্থান হতে লেখা ডান দিকে যাবে ।।

2. center Tab : সেন্টার ট্যাব মাঝ বরাবর

রেখে লেখা দু পাশে সমান ভাবে ছডিয়ে যাবে ।।

3. Right Tab : টেক্স ডান থেকে বামে যাবে ।।

4. Dacimal T : দশমিক অংক লিখার জন্য ব্যবহার করা হয় । ।

5. First Line Indent : রুলার যেখানে ক্লিক

করবেন First Line Indent সেখানে যাবে । ।

6. Hanging Indent : রুলার যেখানে ক্লিক

করবেন Hanging Indent সেখানে যাবে ।

7. Tab Seting : Tab Box এ Tab থাকবে হরিজন্টাল

রুলারে একটি ক্লিক করলে সে ট্যাবটি সেটিং হবে ।


Click Here







Friday, 2 August 2019

Microsoft Office Word পর্ব দুই

Microsoft Office Word পর্ব দুই



Microsoft Office Word পর্ব দুই

Bangladesh Time





Folder তৈরি Save, save As এবং Open

1. Folder এটি জায়গার মতো যেখানে কম্পিউটারের যাবতীয় ফাইল সুন্দর করে রাখা হয় ।

মাউস পয়েন্টের রাইট বাটন ক্লিক করে new নিয়ে গেলে Folder দেখা যাবে ।

2. Save কাজ করা ডকুমেন্ট পরর্বতীতে পাওয়ার জন্য Save করতে হয় ।

Menu - Save
Key Board - Ctrl +Save

3. Save As পুর্বে সেব করা কোন ডকুমেন্টকে নষ্ট

না করে এবং ডকুমেন্টের হুবহু কাজ গুলো,

পাওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।
Menu - save As

4.Open পুর্বে সেব করা কোন ডকুমেন্টকে পাওয়ার জন্য open করা হয় ।

Menu - Open
Key Board - Ctrl + Open

Corsor Movment & Selection

ডকুমেন্টে কাজ করার সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে কার্সরকে

বিভিন্ন জায়গা স্থানান্তর করা হয়।

মাউস পয়েন্টের নিয়ে যেখানে ক্লিক করবেন কার্সর সেখানে যাবে ।

Arrow key

1. লেফট এ্যারো কী - এই কী প্রেশ করলে কার্সর এক অক্ষর বামে যাবে ।

2. রাইট এ্যারো কী - এই কী প্রেশ করলে কার্সর এক অক্ষর ডানে যাবে ।

3. আপ এ্যারো কী এই কী প্রেশ করলে কার্সর এক লাইন উপরে যাবে ।

4.ডাউন এ্যারো কী -এই কী প্রেশ করলে কার্সর এক লাইন নিচে যাবে ।

Special key

1.Tab Key -এই কী প্রেশ করলে হরিজন্টাল রুলার

অনুযায়ী কার্সর এর স্থান হতে হাফ ইঞ্চি দূরে যাবে ।

এবং tab সেটিং অনুযায়ী নিজের ইচ্ছামতো স্বাধীনভাবে একে ব্যবহার করা যায় ।

2.Home Key-এই কী প্রেশ করলে কার্সর যে

লাইনে থাকবে সেই লাইনের শুরুতে চলে আসবে ।

3.End key -এই কী প্রেশ করলে কার্সর যে

লাইনে থাকবে সেই লাইনের শেষে চলে আসবে ।

4.Ctrl- কন্ট্রোল চেপে লেফট এ্যারো এক প্রেশ করলে কার্সর এর

স্থান হতে এক ওয়াড বাম পাশে যাবে ।

5.Ctrl - কন্ট্রোল কন্ট্রোল চেপে লেফট এ্যারো এক প্রেশ করলে কার্সর এর

স্থান হতে এক ওয়াড ডান পাশে যাবে ।


6. Ctrl+Home - কন্ট্রোল চেপে হোম প্রেশ করলে, কার্সর স্থান হতে

ডকুমেন্টের প্রথম পেইজের শুরুতে চলে যাবে ।

7. Ctrl +End - কন্ট্রোল চেপে ইন্টার কী প্রেশ করলে কার্সর স্থান হতে

ডকুমেন্টের শেষের পেইজের চলে যাবে ।

8.page up -এই কী একবার করলে কার্সর

স্থান হইতে এক ক্রীন উপরে চলে আসবে ।

9.page Down- এই কী একবার করলে কার্সর

স্থান হইতে এক ক্রীন নিচে চলে আসবে ।

mouse and key board selection

মাউস পয়েন্টেরকে লেফট বাটন দিয়ে চেপে ধরে উপরে নিচে করলে

আপনি বুঝতে পারবেন কীভাবে মাউস দিয়ে সেলেক্ট করা হয় ।


1.Shift -সিফট চেপে লেফট এ্যারো একবার প্রেশ

করলে কার্সর এর স্থান বামে সেলেক্ট হবে ।

2.shift - সিফট চেপে রাইট এ্যারো একবার

প্রেশ করলে কার্সর এর স্থান ডানে সেলেক্ট হবে ।

3.Shift- সিফট চেপে আপ এ্যারো একবার প্রেশ

করলে কার্সর এর স্থান উপরে সেলেক্ট হবে ।

4.Shift - সিফট চেপে down এ্যারো একবার

প্রেশ করলে কাসর এর স্থান নিচে সেলেক্ট হবে ।

5.Shift + Home : এই দুই কী সমন্বয় করে চাপলে কার্সর

স্থান হইতে লাইনের শুরু পযন্ত সেলেক্ট হবে ।

6.shift + End :এই দুই কী সমন্বয় করে চাপলে কার্সর

স্থান হইতে লাইনের শেষের লাইন পযন্ত সেলেক্ট হবে ।

7.shift + ctrl + home : এই তিন কী সমন্বয় করে চাপলে কার্সর

স্থান হইতে ডকুমেন্টের শুরু পযন্ত সেলেক্ট হবে ।

8.shift + ctrl + End :এই তিন কী সমন্বয় করে চাপলে কার্সর

স্থান হইতে ডকুমেন্টের শেষপযন্ত সেলেক্ট হবে ।



Click




Microsoft Office Word part one

Microsoft Office Word part one



Microsoft Office Word part one

Microsoft word Open

New page Menu : -new page

Key Board - Ctrl + New

Windows Close : menu - Close

Key Board - Ctrl + w


Program Close : Menu - Exit

Key Board - Alt+ F4

typing Exercise, Key Board Details

A S D F G H J k L ;

typing

aa sss ddd ggg hhh jjj kkk lll ;;;

A Quick Brown Fox Jumps Over The Lazy Dog.

key Board Details সাত ধরনের কী আছে তাদের সংক্ষিপ্ত বিবরন দেয়া হলো

1. Special key : Ctrl , Alt, Space, Backspace ,

Enter,Shift,Cape,lock, Tab, Insert & Delete .

2. Letter Key : A to Z , <,> ,,. [,],} { etc

3. Number key 1 থেকে 10

4. Arrow key : - ডানে -বামে -উপরে - নিচে

5.Function key : F1 থেকে F12

6. Cancel key : Esc

7. Numberic key Pad ,

গুরুত্ব পূণ কিছু key বাটনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা

Space bar : এটি একবার চাপ দিলে একটি খালি জায়গা তৈরি হবে ।

Backspace : টাইপের পর অক্ষর মুছে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয় ।

Ctrl-control key : এর নিজস্ব কমান্ড নাই কিন্তু এর মাধ্যমে

প্রচুর শট কাট কাজ করা যায় ।


Alt - Alteration key : উপরের কন্ট্রোলের এর মতো ।

Shift Key : সিলেক্ট করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয় ।

Cape lock : এটি চালু থাকলে ইংরেজিতে বড হাতের অক্ষর আর চালু না

থাকলে ছোট হাতের অক্ষর আসবে ।

Tab key : যে কোন খালি ডায়ালক বক্সে কাসরকে

মুভমেন্ট করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।

এছাডা ও ডকুমেন্ট লেখার সময় কাসরকে মুভমেন্ট এবংtab বসিয়ে

নিজের ইচ্ছা মতো ব্যবহার করা যায় ।

Esc - Escape key : এর অথ লুকিয়ে ফেলা দ্রুত

কাজের জন্য যে কোন ডায়ালক বক্স


বাতিল বা লুকিয়ে ফেলার জন্য একবার ক্লিক করলে হবে ।

Delete Key : মুছে ফেলার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

Home key : একবার ক্লিক করলে কাসর যে লাইনে

থাকবে সে লাইনের শুরুতে চলে আসবে ।

End key : একবার ক্লিক করলে কাসর যে লাইনে

থাকবে সে লাইনের শেষে চলে আসবে ।

Page Up : এটি প্রেশ করলে কাসর এবং স্ক্রীন উপরে উঠবে ।

Page Down : স্ক্রীন নিচে নামবে ।

Arrow key : কাসর মুভমেন্ট করার

জন্য এই কী সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ।

1. লেফট এ্যারো কী : কাসরকে বাম পাশে নেয়ার জন্য ।

2.রাইট এ্যারো কী : কাসরকে ডান পাশে নেয়ার জন্য ।

3.আপ এ্যারো কী : কাসরকে উপরের নেয়ার জন্য ।

4.ডাউন এ্যারো কী : কাসরকে নিচে নেয়ার জন্য ।




Click