FstarBD.Com - সত্যের সন্ধ্যানে: Poem

সংবাদ শিরোনাম
খোজ করা হচ্ছে...
মেনু
Showing posts with label Poem. Show all posts
Showing posts with label Poem. Show all posts

Monday, 22 June 2020

জন্ম

জন্ম


জন্মওমর ফারুক

জন্ম হোক যেথায় সেথায়;
কর্ম হোক ভালো,
নিজ গুনে প্রতিষ্ঠীত হোক সকলের জন্য !
তুমি যখন জন্মে ছিলে হেঁসে ছিল সবি;
মৃত্যুতে কাঁদিবে সবাই তোমার চরণ লুটি !
গোলাপের মতো হাঁসি তোমার চাঁদের মতো মুখ,
কচি কচি দুই হাতে ধূলো বালি তোমার সুখ ;
তবুও আদর করে সবাই নিতো কোলে
সঙ্গী ছিল কাদা মাটি ছিলা নগ্নতা
আজ তুমি বড় হয়ে হয়েছো গুনবতী
সারাটি জীবন থেকো পর্দার মাঝে নিজকে আড়াল করি ।
বন্ধু পেলে বান্ধবী পেলে আরো কত কি ,
যৌবনের তাড়নায় ভূলে গেলে অতিতের সবি !
সুখে থেকো ভালো থেকো সারাটি জীবন ভর
স্বার্থক হোক তোমার জন্ম
সফল হোক তোমার ভবিষ্যৎ

Sunday, 21 June 2020

মুখোশ

মুখোশ

মুখোশ
মাইনুল ইসলাম আলিফ

 
শ্রাবণের বৃষ্টিবিলাসে যখন মনে পড়ে
মেঘলা চাদরে তোমায় খুঁজি অবিরাম।
শিশির ভেজা ঘাস ফুলে খুজি তোমার
অদ্ভুত অমলিন ছবিটা।
যখন ভুলে থাকি রাতের প্রলেপ মেখে,
দু হাতে সরাই স্মৃতির জলছবি।
এক সাগর ভাবনায় ডুবে
ঘুম ভাঙাই কবিতার, অথচ আমি কবি।
একি প্রেম, নাকি মুখোশ?

আমি প্রেমের শ্বেত বলাকায় ডানা মেলে,
উড়ে চলেছি দূর দূরান্তে।
প্রসারিত পথে প্রতিবিম্বিত হয়
প্রেম লহরীর নতুন সকাল ।
সবুজ গালিচায় দেখি অবাক সূর্যোদয়
সোনার দেশ,সে যে পুরনো বিস্ময়।
বিবেক বিকিয়ে গলা ফাটাই ,
আঁচল ধরে তারে শূলে চড়াই ,
দ্যাখো, কি জঘন্য প্রেম?
পঙ্কিলতায় কালচে হয়
প্রিয় সবুজের রক্ত পলাশ।
অথচ পাশেই পড়ে রয়
চেতনার জীবন্ত লাশ ।

মুঠোয় মুঠোয় প্রেম ফেরি করে আনি,
যখন মসজিদ ভাঙে কাদিয়ানী।
যখন ইসকনে ভাঙে ঘর,
গান বাদ্য হালাল বলে চ্যলেঞ্জ করে
বাউল শরীয়ত সরকার।
অথচ আমি আর তুমি কাঁদা ছুড়ি
সস্তা ভালোবাসার টানে।
গদবাধা গদ্যে মাতাল হই
প্রেমের নামে,
নীল মলাটের খামে।
আতষ্ক

আতষ্ক




                                                           আতষ্ক -ওমর ফারুক                                                           

১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্তানে আতষ্ক ছড়িয়ে পড়ে ,,
পরাধীনতার শিকল বাংলার চরণে ।
যেই শিকল পরিয়ে ছিলো বৃষ্টিশরা
- সমগ্র বিশ্বে ।
পাকিস্তান একই রুপ ধারণ করে -
চলনে বলনে বৃষ্টিশদের অনুসরন করে ।
শাসনের নামে শোষন করে -
ছাব্বিশ বছর সামরিক জান্তার কবলে !
-হুকুমত জারি করে ।
ক্রীতদাশ মোদের করে -
ক্ষনে ক্ষনে বাংলাকে করে তোলে ভুতুড়ে ।
কেড়ে নিতে চায় মায়ের মুখের বলি ,,
বায়ান্নতে প্রতিবাদ করি -
বিনিময়ে লাশের উপহার বরণ করি ।
ছয় দফা এগারো ঘাতকের মনে আতষ্ক ছড়িয়ে পড়ে ,,
উনসত্তর এর - গণঅভ্যুত্থানে
ঘাতকের নতুন রুপ প্রকাশ পায় ।
১৯৭০ সাধারণ র্নিবাচনে বাঙ্গালী সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন লাভ করি -
গনভোটে হেরে যায় মির্জাপরের দল ।
বাংলার এই জয় মেনে নিতে পারেনি নর পশুরা -
মেতে উঠে ধ্বংশের লীলা ।
দানবের ক্রোদের থাবা -
বাংলার মানুষ দিশে হারা ।
বাংলার মির্জাফরেরা ভিড় জমায় দানবের দলে ।
৭ই মার্চ শেখ মজিব স্বাধীনতার ডাক তোলে ।
২৫শে মার্চ ঘুমন্ত বাঙ্গালীর ওপর পশুদের হানা -
সেই রাতে শেখ মজিব জেল খানা ।
২৬শে মার্চ শহীদ জিয়া বেতারেতে স্বাধীনতার ডাক ।
নর পশু ঘাতক নিপাত যাক !
দিশে হারা বাঙ্গালী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আশ্রয়ে -
গড়ে প্রতিরোধের দূর্বার ঘাটি ।
প্রাণে পনে লড়ে অনেকে মরে যায় -
হাল না ছাড়া ছাড়ি ।
যেখানে সেখানে জয়ের র্বজ্য ধ্বনি ।
পরাজয় বুঝতে পেরে ১৪ ই ডিসেম্বর -
বাংলার মনসীদের নিয়ে রক্তের লীলা ,,
জাতিকে করে মেধা শূন্য -
আতষ্ক হবে দিশে হারা ।
কষ্টের কারাগার

কষ্টের কারাগার

কষ্টের কারাগার
ওমর ফারুক

কষ্টের কারাগারে সাজা পেয়েছি,
বহু শতাব্দী আগে ।
অবহেলা করে ঠেলে দিলে দূরে ,
বিরহের ব্যাথা ধীরে ধীরে জ্বলে ।
সুখ পাখিটি চলে গেছে বহু দূরে ,
কষ্ট গুলো রয়েছে হ্নদয়ের চারি পাশে –
কোন কিছুতেই সেখান থেকে মুক্তি পাইনা ।
বিনাদোষে অপরাধী হয়েছি বহু বার,
তবুও কি করুনা হয়নি তোমার ।
হবে বা কেন?
তোমার গৃহ অট্টলিকা-
আমার গৃহ খড-কুটায় ।
প্রণয়ে এসেছিলে প্রদীপ জ্বেলে,
যাওযার বেলায় আষাঢ়ের মেঘ জমালে ।
চোখের অশ্রুতে ফসল ফলানোর চেষ্টা করেছি বহুবার,
হ্নদয়ের আগাছা কিছুতেই দেয়নি ।
নির্শতে তোমার দেয়া অপবাধ মেনে নিয়েছি,
তবুও কি করুনা হয়নি তোমার ।
আমি তো চাষী নয়,
তোমার হ্নদয়ে প্রেমের বীজ রোপন করবো।
আমি মালি নয় সেই বাগানের পরিচর্যা করবো
তোমার হ্নদয়ের একখন্ড জমি –
আমাকে দাওনি !
আমার কি যোগ্যতা আছে ,
সেই জমিনের মালিক বলে দাবি করার ।
যে দিন তুমি সরি বলে চলে গেলে
সেই দিনও ভাবছি –
হয়তো একদিন ফিরে আসবে !
সেই আশা ভেঙ্গে দিয়ে ,
হঠ্যাৎ বিবাহের নিমন্ত্রণ পাঠালে !
বুকে চিন চিন করা ব্যাথা নিয়ে ছুটে গিয়েছি  ,
চোখের অশ্র গুলো শুকিয়ে চৈত্রের মরুভূমি ।
অবাক দৃষ্টিতে তোমার আচরণ ভূঙ্গিমা দেখেছি ,
আর ভাবছি মানুষ বুঝি এমনি হয় ।
হাসি মুখে যখন কবুল বলে সম্মতি জানালে !
হ্নদয়ের আয়নাটা ভেঙ্গে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে
চরণের মৃত্তিকা গুলো প্রচন্ড ভাবেকাঁ পছে,
মাথাটা ভীষণ ভাবে ঝিমঝিম করছে ।
এর পর কি হলো কিছুই মনে নেই ।
হূশ ফিরে দেখি কোন এক হাসপাতালে ভর্তি
আজ তুমি চলে গেলে দূর থেকে দুরে,
জানি আর কখনো ফিরবেনা এই হ্নদয়ে ।
যদি কখনো কোথায় দেখা হয়,
না দেখার ভান করে–
অতি প্রয়োজনে তুমি থেকে আপনি ।
অতিতের স্মৃতি গুলো আজও মনে পড়ে,
ঘুমের রাজ্যে ভয় থেকে ভয়ানক হয়ে ।
চোখ মেললে দেখি সবিই কাল্পনীক ।
তুমি আমাকে যে সাজা দিয়েছো ,
জানিনা সেই সাজার মেয়াদ শেষ হবে কবে।
তোমার দেওয়া কষ্টের কারাগারে ,
আজ ও সেই সাজা ভোগ করতেছি ।

Monday, 11 May 2020

অসহায় পিতা

অসহায় পিতা

 অসহায় পিতা

সহায় পিতা ওমর ফারুক

সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যার কাঁধে ঝুলিয়ে রাখে হাজারে ও দায়িত্ব ।
যে কিনা দাপিয়ে বেড়াত দিগ -দিগন্তে ,
যার নামে নালিশের কমতি নেই ,
আজ সেই অন্যকে শাসন করতেছে ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি কারো পিতা ।
যে কিনা নিজে স্বপ্ন দেখতো-
আজ সেই অন্যকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ।
ঈদ পূজায় যার কিনা রং বাহরী পোষাক থাকতো ,
সেই আজ স্ত্রী পুত্রদের শখ পুরণ করে-
নিজেরটা কোন মতে পার করছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যেই ছেলেটি অলসতায় দিন কাঁটাতো -
সেই আজ কর্মে নিজেকে ব্যাস্ত করে তুলছে ।
যে ছেলেটি রোদ বৃষ্টি সর্হ্য করতে পারতো না,
সেই আজ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে-
সন্তানদের মুখে অন্ন তুলছে ।
যে ছেলেটি খেয়াল খুঁশি মতো চলতো ,
সেই আজ পরাধীনতার শিকলে বন্ধী ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ।
যে ছেলেটি কারো কটু বাক্য সর্হ্য করতে পারতো না -
সেই আজ হাজারো কটু বাক্য সর্হ্য করে -সন্তানের কথা ভাবছে।
যার অর্থ উর্পাজনের উপর সকলে নির্ভরশীল ,
যে কিনা দুই হস্ত দিয়ে সকলকে আটকে ধরছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ।
নিজের অর্থ সম্পদ দিয়ে যাদেরকে মনুষ্যের দলে ঠায় দিয়েছে ,
তারাই তার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে
-শিক্ষিত মানুষ মুর্খের ন্যায় আচরণ করছে ।
যে মানুষটি আসার জন্য সবাই তাকিয়ে থাকতো -
সেই মানুষটি আজ অবহেলায় দিন কাঁটাছে ।
যার চার পাশে ছিল জন কোলাহল,
সেই আজ র্নিজন বডই একা ।
যে ছেলেটি সন্তানের অসুখে র্নিঘুম প্রহর গুনছে ,
আজ সেই নিজের অসুখের ধুকে ধুকে মরছে ।
যেই ছেলেটি দুই হাত দিয়ে সকলকে আটকে ধরছে ,
তাকে আজ দেখার কেউ নাই ।
যেই ছেলেটি পকেট ভর্তি ছিল টাকা -
তার আজ পকেট ফাঁকা ।
যেই ছেলেটি যার হুংকারে সকলে ভীত হয়েছে -
আজ তার চিৎকার সকলের কাছে তিক্ত হচ্ছে ।
যাদের জন্য অর্থ সম্পদ ব্যায় করেছে -
তাদের কাছে আজ অবহেলা লাঞ্ছিত ;
যেই স্বপ্ন নিয়ে বাড়ী সাঁজিয়েছে -
আজ সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে রাস্তা নেমেছে ।
যে হাতে টাকা পয়সা হিসাব বিহীন ব্যায় করেছে -
সেই হাতে আজ কারো কাছে ভিক্ষা চাচ্ছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,

Thursday, 6 February 2020

ওরা দুই জন

ওরা দুই জন


ওরা দুই জন

ওমর ফারুক 

এক জন গম্ভীর আরেক জন চঞ্চল ;
একজন সব কিছুকে সহজ ভাবে ,,
অন্য জন সবার মাঝে প্যাঁচ ধরে !
এক জনের বিপদে অন্য জন হাঁসে ,,
তবুও তারা এক নীড়ে থাকে ।

ওরা দুই জন জন ,,

ওদের পিতা এক মাতা এক -
স্বভাবটা শুধু ভিন্ন ।
এক জনে -অন্য জনের নামে নালিশ -
সামান্য কিছুতেই বাধে দন্ধ ,,

ওরা দুই জন -তবুও তারা অন্তর অঙ্গ ।

ওরা দুই জন ,,

এক জন উপকারী অন্য জন উপহাসি ।

এক জন কাজের -অন্যটা অলস ।
এক জন চতুর অন্যটা হাবা,,
এক জন বিচক্ষন অন্য জন গাদা ,,
তবুও তারা এক নীড়ে থাকে ,,
ওদের পিতা এক মাতা এক -
স্বভাবটা শুধু ভিন্ন ।

Wednesday, 22 January 2020

 যে কথা বলতে পারি নাই

যে কথা বলতে পারি নাই


 যে কথা বলতে পারি নাই
 ওমর ফারুক
যে দিন তোমাকে দেখেছি ,,
সেই দিন তোমার মাঝে কি যে পেয়েছি ,,
 সেই কথা বিধাতা ভালো জানেন !
হ্নদয়ের কল্পনায় হারিযেছি বহুবার !
মনের অজান্তে তোমার প্রতিচ্ছবি অংকন করার চেষ্টা করেছি !
তোমাকে দেখেছি জ্যোস্নার আলোতে ,,
খুঁজেছি তাঁরার মেলায় ,,
হ্নদয়ের গহিনে-
র্নিঝুম আধারে ,,
কথা বলেছি -ছায়া মূর্তির সাথে ।
হ্নদয়ের সমস্ত কল্পনা দূর করে যখন সামনে এলে !
বাংলার নববধু বেশে -
দুই হাতে রেশমী চুড়ি !
পরনে বৈশাখের শাড়ি ,,
কপালে কালো টিপ- বাকানো  আইভ্রু ,,
ঠোট দুটি যেন গোলাপের পাপড়ির মত রুপ ধারণ করেছে ।
মেহেদী রাঙানো হাতে ,,
চরণ দুটি আলতা রাঙানো ,,
যে কোন যুবকের শিহরণ জাগানো ,,
যেন কোন শিল্পী তার হ্নদয়ের সমস্ত রং দিয়ে সাজিয়েছে ।
কখন যে তোমাকে ভাল লেগে যায় -
সেটা আল্লাহ বলতে পারবেন ।
কিছু দিন পর জানতে পারলাম ,,
তুমি আমাদের কলেজে পড় ।
ব্যাস হ্নদয়ের কারাগারে বন্ধি করে নিলাম ।
তোমার সাথে আমার বন্ধুত্ব হলো -
শুরু হলো নতুন দিগন্তের পথ চলা ।
ঠিক যেন একটি মুদ্রার দুটি অংশ ।
কারনে অকারনে ছুটে যেতাম তোর কাছে -
পু্ষ্পময় মুখ এক পলক দেখার জন্য ।
নির্ঘুম কাটিয়েছি রজনী ।
মনের ডাইরিটা সমপ্ত করেছি বহু আগে ।
কত গল্প কবিতা শুনিয়েছি তোকে 
-এলো মেলো কিছু শব্দ রয়ে গেছে দৃষ্টির অগচোরে !
শুধু বলতে পারি নাই ভাল বাসি ।
কিভাবে বলবো মনের কারাগারে বন্ধি শব্দ গুলো-
কিছুতেই বের হতে চায় না ।
কয়েক মাস পার যখন জানতে পারলাম -

তুই কাউকে ভাল বাসিছ ,,
ঠিক সেই মহূর্তে হ্নদয়টা ভেঙ্গে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে ।
মনে হচ্ছে কোন ভিন গ্রহে চলে এসেছি ।
তুই তখন আমাকে সেই ছেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলি ।
নয়ন সাগর শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গেছে -
আজ ও সেই শব্দ গুলো বিচরণ করতেছে ,,
তার পর ও বলতে পারি নাই ভাল বাসি ।

Thursday, 16 January 2020

কি যেন বলছিলে

কি যেন বলছিলে

কি যেন বলছিলে

ওমর ফারুক

শুনো হে মিনই !
বলিতে চাই তোমায় কিছু ।
গিয়েছিলাম তোমাদের পাঠশালায়,
নিয়ে ছিলাম তোমার পিছু ।
রুদ্র পথে দেখেছিলাম তোমায়,
কি যেন বলছিলে আমায় !
সাইরেনের শব্দে চমকে দাঁড়ায় ।
মুকূল হ্রদয়ে শুনতে নাহি চায় ।
কি যেন বলছিলে আমায়,

সেই বাণী কি-
 না বলিলে হতো না ,
সর্ম্পকের মাঝে নতুন যাতনা ।
তোমার ঐ কাজল কালো ভ্রু মায়াবী আখি,
আমি শুধু চেয়ে থাকি ।
পুষ্পীত মুখে গোলাপের পাপড়ি ঠোটে,
হিমেল হ্রদয়ে মুক্তা ঝরানো ঐ হাসির দিকে তাকিয়ে,
আমি কিছুই বলিতে পারি নাই।
কি যেন বলেছিলে !
একদা গিয়ে ছিলাম তোমার গৃহে,
তুমি গিয়েছিলে চমকে ।
হয়তো ভাবনি আসিবো ফিরে,
আবার দেখা হবে তোমার গৃহে ।
পাঠিয়েছি কিছু উপঢোকন সংগোপনে,
যতনে রেখো তারে চরণে দিয়ো ঠাই ।
কি যেন বলছিলে শুনতে নাহি চাই !
ইচ্ছে করে তোমার দেহের রক্তের কণিকারসাথে মিলিত হই ।
ইচ্ছে করে তোমার প্রতিছবি হয়ে পাশে রই ।
নির্জন আঁধারে জোনাকির আলোতে,
তোমারি ক্লান্ত পথে,
পথিক হয়ে দাড়িয়ে আছি ।
নির্ভয়ে হাটো তুমি,
ছায়া হয়ে পাবে তুমি,
তোমার ঐ পথ চলা পথে ।
কি যেন বলেছিলে !
শুনতে নাহি চাই ।
ইচ্ছে করে তোমার সাথে ভূ-র্গবে ঘুরে আসি ।
ইচ্ছে করে গগণ চিরে ছায়া পথ পাডি দিতে।
ইচ্ছে করে মানব কোলাহল ছেড়ে,
বাস করি  ভিন গ্রহে ।
ইচ্ছে করে পালিয়ে যাই চাঁদে বা মঙ্গলে ।
মাতা তোমার ঠিকই আছে,
পিতা জানি কেমন ।
এক লাইন বেশি বুঝে,
সোজাটাকে বাঁকা খুঁজে ।
আবার দেখা হবে অন্য কোন গৃহে,
সর্ম্পকের মোড নেবে নতুন মোহনা ।
যাবে তুমি আমার সাথে ,
রহ্যসের ছায়ার সাথে ।
একলা একলা বলবে কথা ।
দর্শক হয়ে চেয়ে থাকবো ,
পালন করবো নিরবতা ।
কি যেন বলছিলে,
শুনতে নাহি চাই ।
যদি কখনো দেখতে চাও,
নাম ধরে দিয়ো ডাক গুগলে ।
আসিবো ফিরে ফেসবুক,ইউটুব,ওয়েব সাইটে ।
সব কিছু তোমায় দিলাম ,
সর্ম্পকের নতুন মোড নিলাম,
শুধু এক বার হা বলো ।
সমাপ্ত জীবনের,
অসমাপ্ত কাহিনী ।

Tuesday, 17 December 2019

আনু গত্য রোবট

আনু গত্য রোবট

 
          
নু গত্য রোবট
  ওমর ফারুক
  সৃষ্টার হুকুম মানে না -মানব ;
  মানবের সৃষ্টির হুকুম মানিলো ;
  স্বয়ংক্রিয় রোবট ।
  মানুষ তার সৃষ্টার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয় ;
  রোবট তার সৃষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা বয় ।
  মানুষ হয় লোভী -স্বার্থবাদী ;
  রোবট র্নিলোভ -উপকারী ।
  মানুষ দায়িত্বহীন -কুসংষ্কার ভরা ;
  রোবট দায়িত্ববান -প্রযুক্তির সেরা ।
  মানব কাজ র্কমে মনিবেরে দেয় ফাকি ;
  কাজের বেলায় রোবটের সুদক্ষতার আখিঁ ।
  সুখের বেলায় মাতা -পিতা ,ছেলে- মেয়ে ,
  ভাই-বোন কত জনকে খুজেঁ পাই ।
দুঃখের বেলায় রোবট ছাড়া অন্য বিকল্প নাই ।
নিজের জীবন বির্সজন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করলাম যাদের   ,
তারাই আজ - আমায় দেখলে দূর দূর করে ।
অসুখে আর অবহেলায় রাস্তায় ঘুমাই ,
শত ময়লা মোর দেহ খানি ,
দেখার কেউ নাই ।
শত চিৎকার বুঝেনা কেউ ,
যদি বুঝে মোর খোদা ।
রোবট ছাড়া নবায়নের এই যুগে ,
সব কিছু ব্যাথা ।

Monday, 16 December 2019

সতীনের মেয়ে

সতীনের মেয়ে


সতীনের মেয়ে

সতীনের মেয়ে
ওমর ফারুক
সতীনের মেয়ে নিয়ে আমার যতো জ্বালা,
ওর সাথে আমার প্রতিযোগিতার পালা ।
রুপে অপস্বরী বুদ্ধিটা কম ,,
ওকে কাজের উপর না রাখিলে ,,
আমার বদ হজম ।
এটাই করাই ঐটাই করাই অযথা ঝাড়ি ,
বিনা দোষে- দোষ দিই ;
তবু কেন মরেণা-গালায় দেয় না ফাঁসি ।
স্বামী আমার হাতের মুঠোয় সিন্ধুকের চাবি  ;
তাহার কাছে নালিশ দিলে ;;
পিঠের ছাল নাহী রাখি ।
সংসারের রাজা আমি ;
বাকি সবাই প্রজা ;
আমার হুকুম না মানিলে ;

 পাবে কঠিন সাজা ।
 রান্না -বান্না অমৃত - সাজ পরীপাট্টি  ;
 তবুও খোচায় খোচায় তাহার দোষ খুজঁতে থাকি ।
 লেখা পড়া করে নাকি - হতে চায় বড় ;
 মস্তক আমার অবনত - তাহার হাতে খড় ।
সতীনের মেয়ে নিয়ে আমার যতো জ্বালা,
ওর সাথে আমার প্রতিযোগিতার পালা ।
সতীনের মেয়ে যতো -হয়ে উঠছে বড় ;
ওকে নিয়ে আমার দূরচিন্তা বাডছে তত ।
বিয়ে নাকি দিতে হবে ;
বুঝিয়ে নিবে সম্পত্তির ভাগ ।
দূরচিন্তা দিন কাটেনা ;
অশ্রু অপার  ।
মুখের কথা মাইকের ধ্বনী ;
হাত গুলো গোলন্দাজ  ;
ওর ক্ষতি না করিলে ;

আমার সর্বনাশ ।
সেই চিন্তা মগ্ন থাকি ;
সতীনের মেয়েকে নিঃস্ব করি ।
সুযোগ বুঝে মারলাম ছুরি ;
টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করি ।
সতীনের মেয়ের নামে  কলঙ্ক তুলি ;
পিতার কাছে নালিশ করে ;
ঘর থেকে দিলাম বাহির করে ।
সেই দুঃখে মেয়ে আমার আত্মা হত্যা করে ।
সতীনের মেয়ে নিয়ে আমার যতো জ্বালা,

                                                      ওর সাথে আমার প্রতিযোগিতার পালা ।

Friday, 6 December 2019

  ধর্ষণ

ধর্ষণ

  ধর্ষণ
 ওমর ফারুক

ধর্ষণ
 ওমর ফারুক
 গোলাপের মহীরুহ পুষ্প কলি ;;
 শত বিঙ্গের কল্লোল ।
 গগনের সুধাকর সৃষ্টার দান ,
 তাকে ছাড়া জগৎ জননী অকল্যাণ ।
 হে নর পশু-হায়নার দল ,
 কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
 কোথায় তোমার ললাটে ।
 কাকে করতে অপমান ,,
মহান আল্লাহ বাড়িয়েছে যার সম্মান ।
যাকে উপভোগ করার জন্য ফন্দি ফিকির ,
সেই তো হতে পারতো তোমার মা ।
যাকে নিয়ে হিংস শুকনের খেলায় মেতে উঠেছো ,,
সেই তো হতে পারতো তোমারি বোন ।
টাকার বিনিময়ে যাকে দালালের হাতে তুলে দিলে ,
সেই তো হতে পারতো  তোমারি মেয়ে ।
যে রমণীদের নিয়ে রংধনু খেলায় মেতে উঠেছো ,,
তারা তো তোমাদেরই আত্মীয় স্বজন ।
  হে নর পশু-হায়নার দল ,
 কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
 কোথায় তোমার ললাটে ।
যে,মায়ের সম্ভব লুন্ঠণে এতো কায়দা,
সেই মায়ের সম্ভব দিয়ে তোর ফয়দা ।
যে মায়ের ইজ্জতের জন্য সহস্র ছেলে দিয়েছে প্রাণ ,
 তোর কাছে  সেই মায়ের ইজ্জতের কি দাম ।
কাকে করতেছো তো উক্তোক্ত ,,
সেই কি তোকে করতেছে বিরক্ত ।
যার দিকে ধর্ষণের হাত বাড়িয়েছো ,,
একবার তার পুষ্প ময় মুখটি দেখ ,,
কোন অপরাধের চিহ্ন আছে কি না ?
তোর স্বজনদের ছবি ভাসে কিনা ?
 হে নর পশু-হায়নার দল ,
 কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
 কোথায় তোমার ললাটে ।
 ওরে নর-পশু হায়নার দল ,,
 যাকে ধর্ষণ করলি ক্ষনিকের মোহে,,
 গুম করলি নিজের অপরাধ ঢাকার জন্য ,,
 নিজেকে বলিছ মহাসাধু গুণীজন প্রীতি ,,
 ধরণীর বুকে আকঁলি কলংকের স্মৃতি ।
 সৃষ্টা কি তার সৃষ্টিকে তুলে দিয়েছে তোর হাতে ,,
 কেউ জানবে না -কেউ বলবে না মুখের উপর কথা ,,
 তোর মতো কত পশু এই ধরায় এসে ,,
 অহংকার আর দাম্বিকতার গহবরে তলিয়েছে ।
 তোর ও পতন হবে সময়ের অপেক্ষা ,,
 হাকীমের ঐ কাঠ গড়ায় বাঁচার উপায় নাই ।
  হে নর পশু-হায়নার দল ,
 কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
 কোথায় তোমার ললাটে ।
শীতের আমেজ

শীতের আমেজ

শীতের আমেজ  


শীতের আমেজ
ওমর ফারুক

শীত সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ভাই ,,
বাংলার মতো শীতের আমেজ - আর কোথায় ও নাই !
যে দেশে ঋতু মানে ভ্ন্নি স্বাদের অনুভূতি ,,
নবান্নের মন মাতানো ঢেউয়ে শীতের আগ্রমন ।
চার দিকে পাকা ধানের সুভাস ,,
কৃষককে জানিয়ে দিচ্ছে ।
কর্ম ব্যাস্ত ময় করে তুলছে ,,
বাংলার নব বধুদের জীবন ।
শান্তির দূত নেমে এসেছে ,,
  বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে ।
  রুপসী বাংলার রুপ ,,
  সেঁজেছে নিজের মতো করে ।
  ডালিয়া , কসমস,  চন্দমল্লিকা ভিন দেশী ,
  পুষ্প গুলো ঠাঁই নিয়েছে রুপসী বাংলায় ।
  শিশির বিন্দুতে ফসলের মাঠ গুলো ,,,
  হারানো যৌবন ফিরে এসেছে ।
  বাজারে উঠেছে হরেক রকম সবজী ,,,
  লাউ, লাল শাক, ফুল কপি, বাধা কপি, মুলা আর কত কি ?
শরীরের স্তক গুলো জানিয়ে দিচ্ছে ,,
শীতের সর্তক বার্তা ।
ঘন কুয়াশার আবছা আলো ভূতুডে করে তুলছে ,
সূর্য্য মামা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে ।
বাংলার ঘরে ঘরে পিঠা উৎসবে মেতেছে ।
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, সেমাই পিঠা, গোলাপ,
রাজ ভোগ, মেরা, তেলে ভাজা, মাল পোয়া , নকশী,
ফুলি, দুধ ফুলি, পাটি চ্যাপ্টা, ঝুড়ি ,ঝিনুক ,কলা পিঠা ইত্যাদি ।
খেজুরের রসের ফিরনীতে ,,
যেন অমৃত্যের স্বাদ ফিরে আসে ।
সকালের মিষ্টি রোদ গুলো ,,
নতুন জীবন ফিরিয়ে দেয় ।
শীত আসতে একা আসে না ,,
দুই হস্ত পূর্ণ করে ফল -ফলাদি নিয়ে আসে ।
কামরাঙা, জলপাই, আমলকি,আপেল, কমলালেবু ইত্যাদি ।
যেন - সেই জানে কিভাবে স্তকে- ভিটামিন “সি” এর ঘাটতি পূরণ করা যায় ।
শীত সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ভাই,
বাংলার মতো শীতের আমেজ আর কোথায় ও নাই ।   

Friday, 29 November 2019

 সেই কি মোর অপরাধ

সেই কি মোর অপরাধ



 সেই কি মোর অপরাধ
ওমর ফারুক
                                                          তোমার অশ্রু সিদ্ধ নোনা জলে বিশ্বাস করেছি ,
 সেই কি ছিল মোর অপরাধ ।
 বিশ্বাস করেছি প্রতিটি শব্দের সমষ্টি ,,
 কলংকের কালি মেখে হ্নদয়ে আসন দিয়েছি ,
 বিনিময়ে শুধু সন্ধি চেয়েছি ।
 দূত হয়ে শুণীয়েছি সত্যের বাণী ,
 জ্যৌতি হয়ে দেখেয়েছি পথ ।
 সেই কি মোর অপরাধ ।
 সহস্র বাধা ফেরিয়ে তোমার পাশে থেকেছি ,
 নির্ঘুম আঁধারে পাড়ি দিয়েছি পথ ।
 শুনেছি প্রীতিজনদের বঞ্চনা , 
 শুধু তোমার জন্য ,
 সেই কি মোর অপরাধ ।
 তোমার ঐ বাল্য সুলভ দৃষ্টি ভঙ্গি ,,
আমাকে আরো মোহনীয় করে তুলেছে ।
তোমার হ্নদয়ের কঠিন দাবানলে ,,
তুষার বৃষ্টিপাত ঢেলেছি ।
কিন্তু তুমি আমার সাথে নর ঘাতকের পরিচয় দিলে ।
তোমার ফণাধরা শব্দ সমষ্টি ,
আমার হ্নদয়ের গহিনে বিষ্ফরিত করেছে,
সেই বিষের জ্বালা সমস্ত শরীর চেয়ে গেছে ।
তোমাকে বিশ্বাস করেছি বলে 
সেই কি ছিল মোর অপরাধ ।
আমি তোমাকে ত্রিশালয়ের দেবী বেভেছিলাম,
কিন্তু তুমি মরতের রাক্ষুসী হয়ে ধরা দিলে ।
তোমার হিংসাত্মক আক্রমণ ,
আমাকে অনু সূচনার অনলে তিলে তিলে খাচ্ছে
প্রীতির বদলতে স্বয়ং পিষাস হলে ,
জীবনের সব চেয়ে বড় ভূল ,,
তোমাকে বিশ্বাস করেছি বলে ।  

Friday, 22 November 2019

 মা হারা ছেলেটি

মা হারা ছেলেটি

 মা হারা ছেলেটি

   ওমর ফারুক
   মা-হারা সেই ছেলেটি আমি নিজে ভাই ,
   ত্রিভূবনে মায়ের মতো আপন কেউ নাই !
   চাচী আম্মা, খালা আম্মা ,জ্যেঠি আম্মা , শাশুড়ি আম্মা 
   এতো ডাকাডাকি স্বাদ নাহী পাই ।
   ত্রিভূবনে মায়ের মতো আপন কেউ নাই !
   কোন গ্রহতে হারিয়ে গেছে কোন সেই অচিনপুর ,
   খুঁজে তোমরা দাওনা তারে মনে পাই না সুখ ।
   সন্ধ্যা এলে সব পাখিরা চলে যায় তাদের নীড়ে ,
   আমার নীড়ের মাঝে সাইরেনের সংকেত বাজে ।
   মা-হারা সেই ছেলেটি আমি নিজে ভাই ,
   ত্রিভূবনে মায়ের মতো আর তো কেউ নাই !
   সুখের বেলায় তেড়ে আসে ,
   দুঃখ এলে কেটে পড়ে ,
   মনের কথা শুনার মত আপন কেউ নাই ।

Tuesday, 19 November 2019

দজ্জাল বৌ

দজ্জাল বৌ



দজ্জাল বৌ
ওমর ফারুক 



বৌ আমার দজ্জাল
নবাবের ভেটি !
হুংকার তার বাঘের গর্জন !
সংসারে তাহার তাবেধী !
মুখ তাহার বাল্য শিশু,
মন অক্টোপাস !
তাহাকে বিবাহ করে আমার সর্বনাশ !
সংসারের কাজ করে না,
কোন কিছুর ধার ধারে না !
বৌ আমার দজ্জাল
নবাবের ভেটি !
শুশুর শাশুড়ি দেবর ভাসুর ননন দেখলে,
হিংসা জ্বলে গা !
মশার মতো গান শুনায় 
হয়ে যাইতাম একা !
নইলে আমায় নাকি দিবে ছ্যাকা !
কি আর করবো ভাই
বৌয়ের মনটা আমি চাই !
যদি একটু শান্তি খুজে পাই !
বৌ আমার দজ্জাল
নবাবের ভেটি !
মহা সুখে আছি ভাইরে
পিতা মাতাকে নিস্ব করি,
মাসের মাইনে বৌয়ের হাতে
আমাকে দেয় শুধু হাত খরচটা !
বৌ আমার দজ্জাল
নবাবের ভেটি !
গাড়ি কিনে বাড়ি কিনে
ব্যাংক একান্ট তার !
রাজ্যটা তাহা চালায়,
আমি শুধু প্রজা !
 আমার জীবন

আমার জীবন

 আমার জীবন /ওমর ফারুক 


 আমার জীবন 
  ওমর ফারুক 
  আমার জীবন রহস্যের ছানি ;
  রুপ কথার গল্পে ভরা !
  এক বাবা দু’মাতা ;
   নিজ মা মৃত !
   সেই মায়ের দুই ছেলে -তিন মেয়ে ,
     আমিই সেজো ।
জন্মের পর বাকপ্রতিবন্ধী ;
গাত্রে বিশ্রি ভরা !
দেখিলে গিন্না লাগিত মোরে ,
  র্সদি কাশিতে রোগা ।
  ওঝা, বৌদ্ধ ,ডাক্তার ,কবিরাজ ,
  দিন রাত করিয়াছে পার ,
শুধু আমার জন্য ।
বড় বোনের নাকের নদ হারাইয়া
কাঁদিতে লাগিতেছে গাছ তলায় বসিয়া !
সেই কান্নার ভাগ লইয়া ,
আমি উঠিলাম কাঁদিয়া ।
সংসারের কত অভার ,
অন্যের কাজ তাহার স্বভাব ।
কিছু পাইলে নিজে না খাইয়া ,
আমাদের দিতো খাবাইয়া ।
বাবার হাতের মার খাইয়া ,
আমাদের জড়াইয়া ধরে , উঠিত কাদিয়া ।
  ছিন্ন কাপড় পরিয়া থাকিতো ,
  মুখ বুঝে সব সর্হ্য করিতো ।
  নানার বাড়ীত যাইয়া ,
  খালাতো ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করিযা ,
  পথ গেলাম হারাইয়া ।
  সবাই খুঁজিতেছে ,
  বড় বোন খুজে পাইছে ।
  বাড়ির পাশে মামার বাড়ি ,
  নিয়ে গেল মা ।
  মামতো ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে ,
  আমি কি আর সেথায় থাকি ।
  আমি একমত হতাম না বোনের সাথে ,
  বোন এক মত হতো না আমার সাথে ।
  এই যেন ইসরাঈল ফিলিস্তিন এর দন্দ ।
  লুকোচুরি হৈ চৈ দুষ্টামি ভরা ,
  ইহা এক রঙিন জীবন ,
  রুপ কথার গল্পে ভরা ।
  2002 সাল মে কিংবা জুন ,
  কে যেন বলিলো তোর দেবর খুন ।
  সেখানে গিয়া মাথায় ঘুরিয়া রইলো পড়িয়া ।
  শুনতে পাইয়া গেলাম ছুটিয়া ,
  দেখিলাম তারে মাটিতে শুয়ে আছে ,
  মহিলাদের কান্নার শোর গোল বাডিয়াছে ,
  পিতাকে খুঁজিতেছি 
  কিছুক্ষন পর খুঁজে পাইছি ,
     সবাই মিলে নিয়ে গেল ফেণী সদর হাসপাতালে ।
দুপুর দুইটা অচিন পুরের খবর আসে ,
 মামারা মামলা করে অনেকের নামে ,
ফোষ্ট মর্ড়ন ছাড়া ডাক্তার লাশ নাহি দেয় ।
সেই কি বিশ্রি মাতার শরীর ,
ভয়ানক দানবের থাবা ।
আকাশ বাতাস কান্নায় ভারি ,
আত্মীয়দের আহাজারি  ।
রাতে দিনে আসে পুলিশ ,
 যখন তখন দেয় হানা ।
 যে হারায় সেই বুঝে 
 বিরহের কি যন্ত্রণা ।
  বছর খানিক মামলা চলে ,
  সাক্ষীর খুবই অভার ।
  আসামিরা র্নিদোষ প্রমানিত হলে ,
  যত দোষ মোদের বলে ।
  দুই বছর পর বাবা আবার বিয়ে করে ,
  তত দিনে বড় বোন সংসারের হাল ,
  একবার-ছুটি তার ,
   নতুন মা ধাবি ধার ।
   যে হারায় সেই বুঝে 
 বিরহের কি যন্ত্রণা ।
অল্পতে কান তোলে ,
 বাবার কাছে নালিশ করে ।
নিজেকে ভাবে মহারাণী ভিক্টোরিয়া ,
খাইতে মানা ,চাইতে মানা ,
কিছু বলিলে 144 ধারা জারি ।
জীবনটাকে মনে হয় জেল খানার কয়দী ।
যে হারায় সেই বুঝে 

 বিরহের কি যন্ত্রণা ।
পিতা কোন কিছু না বুঝে ,
ধরে সৎ মায়ের কথা ধরে ,
পুরুষ কেন এতো ভীতু !
 কোথায় তার স্বাধীনতা ।
 আমি ভীতু নয় স্পষ্ট প্রতিবাদী ,
 যে দিন পিতা বিনা দোষে শাষণ করে ,
  সেই দিন  হয়ে উঠি বিদ্রোহী ।
  চোখ বুঝে মুখ বন্ধ করে ভাইদের শুনায় গুণীজনদের বাণী ,
  সুযোগ বুঝে জামা কাপড় নিয়ে হয়ে গেলাম ফেরারী ।
  আমার জীবন রহস্যের ছানি ;
  রুপ কথার গল্পে ভরা !